Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৯:৪৬ অপরাহ্ণ

গণিত ভীতি ও গণিতের উপকরণ

গণিত ভীতি ও গণিতের উপকরণ"


“ওরে বাবা, গণিত!”

গণিত যে পথে যায়, আমি যেন তার উল্টো পথে হাঁটি।

গণিত মানেই ভয়, যমদূত, মাথাব্যথা!

আমার গণিতের সঙ্গে প্রেম হয়নি,শুধু দূর থেকে দেখা!

এই ভয় আসলে গণিতের নয়,

ভয়টা হলো,না বোঝার,,ভুল করার

মুখস্থ চাপের,,বিমূর্ত ধারণার

এই জায়গাতেই আসে গণিতের উপকরণ

* কেন গণিতে উপকরণ ব্যবহার জরুরি

গণিত বিমূর্ত—কিন্তু শিশু বাস্তববাদী।

উপকরণ সেই ব্যবধান ঘোচায়।

* বিমূর্ত ধারণা বাস্তব ও স্পষ্ট হয়

* শিশু দেখে–ছুঁয়ে–করে শেখে

* ভয় ও মুখস্থ নির্ভরতা কমে

* পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থী সহজে যুক্ত হয়

*শেখা হয় আনন্দময় ও দীর্ঘস্থায়ী

*গণিতে ব্যবহারযোগ্য সহজলভ্য উপকরণ

খুব দামি কিছু নয়—চারপাশেই আছে গণিত!

কাঁকর / পাথর

দেশলাই কাঠি

বোতলের ঢাকনা

কাঠি, চিপস, শিমের দানা

কাগজ, রঙ পেন্সিল

টাকা-পয়সা (নকল/খেলনা হলেও চলবে)

* বার্তা একটাই

“গণিত বইয়ের ভেতরে নয়,জীবনের ভেতরে।”


অধ্যায়ভিত্তিক উপকরণ ব্যবহার

🔹 গুণ ও ভাগ

উপকরণ: ঢাকনা / কাঠি

৩টি দলে ৪টি করে ঢাকনা বসাও

বুঝাও:

গুণ = বারবার যোগ

ভাগ = সমান ভাগে বণ্টন


*ভগ্নাংশ

উপকরণ: কাগজ / রুটি

কাগজ ভাঁজ করে ½, ¼ দেখাও

অংশ রঙ করাতে দাও

*চোখে দেখলে ভগ্নাংশ আর ভয় থাকে না

*দশমিক ভগ্নাংশ

উপকরণ: টাকা

১ টাকা = ১০০ পয়সা

৫০ পয়সা হাতে ধরিয়ে বলো → ০.৫০ টাকা

* দশমিক তখন আর অচেনা নয়


* শতকরা

উপকরণ: ১০০টি দানা

২৫টি আলাদা করো → ২৫%

* বাস্তব উদাহরণ = দ্রুত বোঝা

* জ্যামিতি

উপকরণ: চারপাশের জিনিস

বই → আয়তক্ষেত্র

দরজা → আয়তক্ষেত্র

বাক্স → ঘনক

কাগজ কেটে ত্রিভুজ, বর্গ বানাও


 গড় 

উপকরণ: কলম / খাতা

মোট কলম ÷ শিক্ষার্থী

সমান ভাগে বণ্টন

* গড় মানে “সবাই সমান”

 উপকরণ ব্যবহারের ৪ ধাপ 

গণিত শেখাতে এই ক্রম ভাঙা যাবে না—

 দেখাও

 ধরতে দাও

 করতে দাও

 বলতে দাও


 শিশু যখন নিজে বলে

“আমি বুঝেছি”

সেদিনই গণিতভীতি ভাঙে।


আবারও বলছি,গণিত যেন আমার হার্টবিট নাড়িয়ে দেয়।

মন্তব্য করুন

ব্লগ