সহকারী শিক্ষক
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৮:১৭ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
এই বাস্তবতায় শিশুদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে জাতিসংঘ শিশু তহবিল ইউনিসেফ। এক বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘স্নেহময় ও যত্নশীল পরিবেশ একটি মজবুত ভিত্তি তৈরি করে। এটি আপনার শিশুকে সামাজিক ও আবেগীয় দক্ষতা অর্জনে সাহায্য করে, যা তাকে সুখী, সুস্থ ও পরিপূর্ণ জীবন যাপন করতে সহায়তা করবে।’
ইউনিসেফের পরামর্শ অনুযায়ী, সন্তানের মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে প্রথমেই তাকে আশ্বস্ত করা প্রয়োজন যে সে একা নয় এবং যেকোনো প্রয়োজনে বাবা–মা তার পাশে আছেন। শিশুদের বোঝাতে হবে, বড়দের জীবনেও এমন সমস্যা আসে যা একা সমাধান করা কঠিন, তাই সাহায্য চাওয়া স্বাভাবিক ও প্রয়োজনীয়। ছেলে হোক বা মেয়ে—সন্তানের সব আবেগ ও অনুভূতিকে সহজভাবে গ্রহণ করার কথাও বলা হয়েছে।
কিশোর বয়সী সন্তানদের ক্ষেত্রে তাদের মনের কথা প্রকাশে উৎসাহ দেওয়া, নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং দিনটি কেমন কাটল—এসব নিয়ে গল্প করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ইউনিসেফ। পাশাপাশি বয়স অনুযায়ী পর্যাপ্ত সময় ও ব্যক্তিগত পরিসর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ইউনিসেফ বলছে, এই বয়সে দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ বা বিষণ্নতা অনুভব করা খুবই স্বাভাবিক। নিজের অনুভূতি প্রকাশে শিশুরা অনেক সময় ভয় পায়, তাই তাদের সাহস দেওয়া জরুরি—নিজের কথা জানানো বা সাহায্য চাওয়া সঠিক কাজ। যদি সন্তান বাবা–মায়ের সঙ্গে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য না বোধ করে, তবে পরিবারের অন্য কোনো সদস্য, ঘনিষ্ঠ বন্ধু, প্রিয় শিক্ষক, কোচ বা চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে উৎসাহিত করার কথাও বলা হয়েছে।
এ ছাড়া কোনো বিষয়ে সন্তান হতাশ হয়ে পড়লে তাকে একা না রেখে পাশে বসে সমাধানের পথ খুঁজে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ইউনিসেফ। সংস্থাটির মতে, এভাবেই সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া সম্ভব এবং একটি সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পরিবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র: ইউনিসেফ
সিএ/এসএ
৪
৪ মন্তব্য