Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:০২ অপরাহ্ণ

গামারি একটি দ্রুত বর্ধনশীল গাছ। লম্বা গড়নে ১৫ থেকে ২০ মিটার উঁচু হয়। পত্রমোচী গাছ, প্রশাখা ও কুঁড়ি রোমশ। বাকল সাদাটে। পাতা তাম্বুলাকৃতি, ১০ থেকে ২০ সেমি লম্বা।

গামারি (বৈজ্ঞানিক নাম Gmelina arborea) (ইংরেজি: Chandahar Tree, Cashmere Tree, Comb Teak, White Teak ইত্যাদি) পরিবার Lamiaceae।এছাড়াও বাংলা নাম গামার, গাম্বার, গাম্ভারী, গাম্ভারি। আদিবাসি নাম হিসাবে গাম্ভার, বল-কোবাক(গারো), রামানি (মগ), রেমেনিবা (মারমা), গামারি গাছ (তঞ্চঙ্গা), আব্বেই(খুমি)। গামারি-ফঙ(মান্দি)বলা হয়।

বিবরণী

গামারি সবুজ ও ঘন বিশিষ্ট একটি বৃক্ষ,ভারতবর্ষের গাছ। এই গাছ অনেক ঔষধি গুণসম্পন্ন।

বৃক্ষ বৈশিষ্ট্য

গামারি একটি দ্রুত বর্ধনশীল গাছ। লম্বা গড়নে ১৫ থেকে ২০ মিটার উঁচু হয়। পত্রমোচী গাছ, প্রশাখা ও কুঁড়ি রোমশ। বাকল সাদাটে। পাতা তাম্বুলাকৃতি, ১০ থেকে ২০ সেমি লম্বা। উপরে উজ্জ্বল সবুজ,নিচে পান্ডুর,বোটা ৬ থেকে ১০ সেমি লম্বা। শীতে পাতা ঝরে। এটি অত্যধিক খরা সহনশীল।[২]

ভৌগোলিক অবস্থা

বাংলাদেশসহ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় জন্মে। ভারতের আসাম, দক্ষিণ বিহার, উড়িষ্যা, ও পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় এ গাছ হয়।

ফুল

বসন্ত কালে পাতাহীন ডালে ডালে দেখা যায় গাঢ় হলুদ বরণ ফুল।ফুলের অনেক মিষ্টি গন্ধ, ফুল ৩ থেকে ৩.৫ সেমি লম্বা, ২ ভাগে বিভক্ত। এর পুষ্পমধু ভোমরাদের খুবই প্রিয়।[২]

ফল

গামারির ফল দেখতে গোলাকার। ৩ সেমি চওড়া, শাঁসাল, পাকলে হালকা হলুদ হয়।

রসায়ন

গামার গাছের কাঠ থেকে পাঁচ ধরনের উপাদান (যেমনঃ জিমেলিনল, বিটা-সিটোস্টেরল) পাওয়া গেছে যা পলিপোর মাসরুম Trametes versicolor এর বিরুদ্ধে ছত্রাকনাশক হিসেবে কাজ করে। [৩]

ঔষধি ব্যবহার

এটি ঔষধিসমৃদ্ধ এক ভেষজ উদ্ভিদ।

  • কটুতিক্ত রস, গুরুপাক, উষ্ণবীর্য, কফ ও ত্রিদোষনাশক, বিষদোষ দাহ, জ্বর তৃষ্ণা ও রক্তদোষনাশক।
  • এর ছাল ও কাঠে আছে অনেক তিক্ত পদার্থ ও স্থেরোল।
  • পাতার রসে আছে জীবাণুনাশক শক্তি।
  • গণোরিয়া ও বেশ কিছু চর্মরোগে ব্যবহার করা হয়।
  • শিকড় কৃমিনাশক ও কুষ্ঠরোগে উপকারী।

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

মন্তব্য করুন

ব্লগ