খারাপ বা ক্ষতিকর মানুষের হাত থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে নিচের পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করতে পারেন:
১. দূরত্ব বজায় রাখা: যদি বুঝতে পারেন কেউ আপনার জন্য ক্ষতিকর, তবে তার থেকে যতটা সম্ভব শারীরিক ও মানসিকভাবে দূরে থাকুন। অপ্রয়োজনীয় যোগাযোগ এড়িয়ে চলুন [১]।
২. 'না' বলতে শেখা: অনেক সময় আমরা চক্ষুলজ্জায় পড়ে খারাপ মানুষের অন্যায় আবদার মেনে নিই। নিজের সীমানা নির্ধারণ করুন এবং বিনয়ের সাথে কিন্তু দৃঢ়ভাবে 'না' বলতে শিখুন [৩]।
৩. আবেগ নিয়ন্ত্রণ: খারাপ মানুষ প্রায়ই অন্যদের উত্তেজিত করে আনন্দ পায়। তাদের কথায় বা আচরণে প্রতিক্রিয়া (react) না দেখিয়ে শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। আপনার নীরবতা আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে [২]।
৪. ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা: নিজের দুর্বলতা বা গোপন পরিকল্পনা এমন কারো সাথে শেয়ার করবেন না যাকে আপনি পুরোপুরি বিশ্বাস করেন না। আপনার তথ্য আপনার বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে [১]।
৫. নির্ভরযোগ্য মানুষের সহায়তা: যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় বা আপনি নিরাপত্তাহীনতা বোধ করেন, তবে বিশ্বস্ত বন্ধু, পরিবার বা প্রয়োজনে আইনি সহায়তা নিন [৩]।
৬. আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: খারাপ মানুষ সাধারণত মানসিকভাবে দুর্বলদের লক্ষ্য বানায়। নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস রাখুন এবং সর্বদা সচেতন থাকুন [২]।
আপনার নিরাপত্তা ও মানসিক শান্তি বজায় রাখতে বাংলাদেশ পুলিশের হেল্পলাইন বা জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।
৪
৪ মন্তব্য