Loading..

ব্লগ

রিসেট

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৯:৩৬ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের অটিজম শিশু

বাংলাদেশে অটিজম শিশুদের সংখ্যা বাড়ছে, যা একটি স্নায়ু বিকাশজনিত অবস্থা; এদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগে সমস্যা, পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ, এবং অন্যান্য আচরণগত চ্যালেঞ্জ দেখা যায়, যা নির্ণয় ও সঠিক সহায়তার অভাবে প্রায়শই চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়, যদিও সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সচেতনতা ও সেবার পরিধি বাড়ছে, তবে অজ্ঞতা ও কুসংস্কার এখনও বড় বাধা। 

অটিজমের লক্ষণ (শিশুদের মধ্যে)

যোগাযোগে সমস্যা: কথা বলতে দেরি করা, একই শব্দ বারবার বলা (ইকোলালিয়া), বা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে কথা বলা।

সামাজিক মিথস্ক্রিয়া: অন্যদের সাথে মিশতে না পারা, চোখের দিকে তাকাতে অনীহা, বা অঙ্গভঙ্গি ব্যবহারে অক্ষমতা।

আচরণগত: পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ করা, অতিচঞ্চলতা, বা খিঁচুনি।

অন্যান্য: বুদ্ধির ঘাটতি, হজমের সমস্যা, দাঁত বা খাবার চিবানোর সমস্যা।

বাংলাদেশে অটিজম পরিস্থিতি

হার: আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ১% প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মধ্যে অটিজম থাকে; সমাজসেবা অধিদপ্তরের জরিপ অনুযায়ী প্রায় ৪২,৪৫০ শিশু অটিস্টিক, এবং কিছু গবেষণায় ঢাকায় ৩% এবং গ্রামীণ এলাকায় ০.৭% হার দেখা গেছে।

চ্যালেঞ্জ: কুসংস্কার, প্রশিক্ষিত জনবলের অভাব, এবং প্রাথমিক পর্যায়ে সচেতনতার অভাব প্রধান বাধা, যা শিশুদের শিক্ষা ও সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে।

সেবা: সমাজসেবা অধিদপ্তর ও কিছু বেসরকারি সংস্থা (যেমন SWAC, AWF) সেবা দিলেও তা অপ্রতুল এবং মূলত শহরকেন্দ্রিক। 

সচেতনতা ও করণীয়

অটিজমকে রোগ নয়, মস্তিষ্কের বিকাশজনিত ভিন্নতা (neurodevelopmental disorder) হিসেবে বোঝা।

সঠিক সময়ে সনাক্তকরণ ও আচরণগত থেরাপি (behavioral intervention) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ