Loading..

ব্লগ

রিসেট

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৮:০৪ অপরাহ্ণ

বাড়ির খাবারেও এসিডিটি? যেভাবে সামলাবেন

আমাদের মধ্যে অনেকেই এসিড রিফ্লাক্সের সমস্যায় ভোগেন। একমাত্র তারাই জানেন এই সমস্যার যন্ত্রণা। কারণ, এর কারণে রুটিনের বাইরে কিছু খাওয়াদাওয়া হলেই শুরু হয়ে যেতে পারে বুক-গলায় জ্বালা। রুটিন মেনে খেয়েও যে নিস্তার মেলে, তা-ও কিন্তু না।এমন ঘটনা ঘটতে পারে যেকোনো সময়ে। আর ঘটলে কখনো তা ওষুধ খেয়েও না-ও কমতে পারে। সে ক্ষেত্রে দিনভরের অস্বস্তি মেনে নেওয়া ছাড়া গতি থাকে না। পুষ্টিবিদরা অবশ্য বলছেন, এই অসহায়তা কাটানা সম্ভব, যদি কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে খাওয়া হয়পুষ্টিবিদ লিউক কুটিনহো জানাচ্ছেন, এসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা যে শুধু বাইরের খাবার খেলেই বাড়ে, তা নয়। অনেক সময় বাড়িতে রান্না করা সাধারণ খাবারও রিফ্লাক্স বাড়িয়ে দিতে পারে। তিনি বলছেন, ‘এসিডিটি হতে পারে এমন খাবার খাওয়া যেমন যাবে না, তেমনই কিছু খাবার যদি নিয়ম করে খাওয়া যায়, তবে সেই অভ্যাস এসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা কমাতে পারে।’

আদা

এসিড রিফ্লাক্সের একটি প্রধান কারণ হলো প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন।তাই এসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা কমাতে চাইলে প্রথমেই খেয়াল করতে হবে, শরীরে প্রদাহের মাত্রা যেন না বাড়ে। আর সে কাজে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করতে পারে আদা। আদা প্রদাহ কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। পাশাপাশি, এটি হজমেও সাহায্য করে। রান্নায় আদা খাওয়া তো ভালোই।তার সঙ্গে আদা চা বা গরম পানিতে আদা মিশিয়েও খেতে পারেন।

কলা

এসিডের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে ক্ষার। আর কলা হলো অ্যালকালাইন বা ক্ষার সমৃদ্ধ ফল। ফলে এটি খেলে পাকস্থলির এসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। খাদ্যনালির ভেতরের দেওয়ালেও সুরক্ষাকবচ তৈরি হয় কলা খেলে।

ওটস

ওটসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা পাকস্থলির অতিরিক্ত এসিড শোষণ করে নেয়, ফলে এসিড রিফ্লাক্সের সম্ভাবনা কমে যায়।

সবুজ শাক-সবজি

সবুজ শাক-সবজিতে ফ্যাট ও শর্করার মাত্রা থাকে খুব কম। ফলে পাকস্থলির এসিড উৎপাদনের প্রবণতা কমে। তবে রান্নায় অতিরিক্ত মসলা বা তেল ব্যবহার করলে উপকারী শাক-সবজিও ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তরমুজ বা ফুটি

তরমুজ বা ফুটি জাতীয় ফল বা যে সব ফলে পানির পরিমাণ বেশি, তাতে এসিডের মাত্রা কম থাকে। পেঁপে, আপেল, নাশপাতি রয়েছে এই তালিকায়। এ ছাড়া নারকেল, খেজুরের মতো ফলও এসিড বাড়তে দেয় না।

সূত্র : আনন্দবাজার ডট কম

মন্তব্য করুন

ব্লগ