প্রভাষক
২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:১৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের সাক্ষরতা ও নিরক্ষরতার বিগত কয়েকটি আদমশুমারির প্রতিবেদন
বাংলাদেশের সাক্ষরতা ও নিরক্ষরতার বিগত কয়েকটি আদমশুমারির প্রতিবেদন
১৯৬১ সালের আদমশুমারিঃ ১৯৬১ সালের আদমশুমারির প্রতিবেদন অনুসারে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে সাক্ষরতার হার ছিল ১৭.৬% ভাগ। অর্থাৎ নিরক্ষরতার সংখ্যা ছিল ৮২.৪%। গ্রামীণ এলাকায় নিরক্ষর ছিল ৮৯%। পুরুষ ও মহিলা সাক্ষরতার হার ছিল যথাক্রমে ২৬% এবং ৮.৬% ভাগ মাত্র।
১৯৭৪ সালের আদমশুমারিঃ এ প্রতিবেদন অনুসারে সাক্ষরতার হার ছিল ২০.২% ভাগ। পুরুষ ও মহিলার হার ছিল যথাক্রমে ২৭.৬% এবং ১২.২% ভাগ।
১৯৮১ সালের আদমশুমারিঃ এ রিপোর্ট অনুসারে সাক্ষরতার হার ছিল ১০.৭% ভাগ। পুরুষ ও মহিলার হার ছিল যথাক্রমে ২৫.৮% এবং ১৩.২% ভাগ।
১৯৯১ সালের আদমশুমারিঃ ১৯৯১ সালের আদমশুমারি অনুসারে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ছিল ২৪.৯% ভাগ। পুরুষ ও মহিলার হার ছিল ৩০% এবং ১৯.৫% ভাগ।
২০০১ সালের আদমশুমারিঃ এ রিপোর্টে বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার ৪২.৫৫ ভাগ বলে উল্লেখ করা হয়।
২০১১ সালের আদমশুমারিঃ ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে সাক্ষরতার হার প্রায় ৫২% ভাগ। নারী শিক্ষার হার এসময়ে উল্লেখযোগ্য পরিমানে বৃদ্ধি পায়। এ সময়ে নারী পুরুষের শিক্ষার হার যথাক্রমে ৫৯.৪% এবং ৫৪.১% ভাগ।
২০২২ সালের আদমশুমারিঃ ২০২২ সালের আদমশুমারির প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬% ভাগ। নারী শিক্ষার হার ৭২.৮২% ভাগ এবং পুরুষ ৭৬.৫৬% ভাগ।
১
১ মন্তব্য