সহকারী শিক্ষক
২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১০:২৯ অপরাহ্ণ
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১) ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও লেখক, যিনি বাংলা গদ্যের আধুনিকীকরণ এবং বিধবা বিবাহ ও নারী শিক্ষার প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি সংস্কৃত কলেজে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য 'বিদ্যাসাগর' উপাধি পান, বর্ণপরিচয়ের মতো বই লেখেন, বহু বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং বিধবা বিবাহ আইন প্রচলনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য, যা আধুনিক ভারতের সামাজিক ভিত্তি মজবুত করে।
জন্ম ও শৈশব:
জন্ম: ২৬শে সেপ্টেম্বর, ১৮২০, মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে (তৎকালীন হুগলি জেলার অংশ)।
পিতা: ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, মাতা: ভগবতী দেবী।
শৈশব: দরিদ্র পরিবারে জন্ম, গ্রামের পাঠশালা ও পরে কলকাতায় পড়াশোনা।
শিক্ষা ও কর্মজীবন:
সংস্কৃত কলেজে শিক্ষা: সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে গভীর জ্ঞান অর্জন করেন।
বিদ্যাসাগর উপাধি: ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ থেকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি লাভ করেন।
শিক্ষাবিদ: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রধান পণ্ডিত ও পরে সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ হন।
সমাজ সংস্কার ও অবদান:
নারী শিক্ষা: বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন এবং নারী শিক্ষার প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন, প্রায় ৩৫টি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
বিধবা বিবাহ: < প্রচলিত প্রথা ভেঙে বিধবা বিবাহকে আইনগত স্বীকৃতি দিতে < গুরুত্বপূর্ণ < আন্দোলন < করেন, যার ফলে হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন (১৮৫৬) পাশ হয়।
বহুবিবাহ প্রথার বিরুদ্ধাচরণ: বহুবিবাহের বিরুদ্ধে < জোরালো < আন্দোলন < করেন।
বাংলা গদ্যের < আধুনিকীকরণ: < বাংলা গদ্যকে সহজ ও < সরল < করে < আধুনিক < রূপ দেন, যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে।
সাহিত্যকর্ম:
বর্ণপরিচয়: বাংলা ভাষা শেখার জন্য সহজবোধ্য বই "বর্ণপরিচয়" রচনা করেন, যা < বাংলা < সাহিত্যের < এক < নতুন < দিগন্ত উন্মোচন করে।
অন্যান্য: সংস্কৃত গ্রন্থ অনুবাদ ও মৌলিক রচনা।
মৃত্যু:
২৯শে জুলাই, ১৮৯১, কলকাতায় তাঁর বাদুড়বাগানস্থ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
১
২ মন্তব্য