Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১০:৪৮ অপরাহ্ণ

হযরত ঈসা (আ:) এর জীবনী

হযরত ঈসা (আঃ) আল্লাহর একজন সম্মানিত নবী ও রাসুল, যিনি পিতা ছাড়া কুমারী মা মারিয়াম (আঃ)-এর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন এবং ইনজিল কিতাব প্রাপ্ত হন। তিনি বনু ইস্রাঈলের শেষ নবী, যাকে আল্লাহ বিশেষ মুজিযা দান করেছিলেন, যেমন মৃতকে জীবিত করা, অন্ধকে দৃষ্টি দেওয়া ইত্যাদি। ঈসা (আঃ) আল্লাহ ছাড়া কারো উপাসনা করতে নিষেধ করতেন এবং তাঁর আগমনের সুসংবাদ দিয়েছিলেন শেষ নবী মুহাম্মদ (সাঃ)-এর। তিনি ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার পরিবর্তে আল্লাহ তাঁকে স্বশরীরে আসমানে তুলে নিয়েছেন। 

জন্ম ও শৈশব

অলৌকিক জন্ম: কোনোরকম পুরুষের স্পর্শ ছাড়াই আল্লাহর কুদরতে কুমারী মা মারিয়াম (আঃ)-এর গর্ভে তাঁর জন্ম হয়, যা ছিল তাঁর একটি বড় নিদর্শন।

শৈশবের শিক্ষা: তিনি ছোটবেলা থেকেই প্রজ্ঞাবান ছিলেন এবং আল্লাহ তাঁকে ইলম (জ্ঞান) দান করেছিলেন। 

নবুয়ত ও দাওয়াত

নবী হিসেবে প্রাপ্তি: আল্লাহ তাঁকে 'মারিয়াম পুত্র' উপাধি দেন এবং 'ইনজিল' নামক আসমানি কিতাব প্রদান করেন।

প্রধান দাওয়াত: তিনি এক আল্লাহ্‌র ইবাদত এবং তাঁর কাছে আত্মসমর্পণের দাওয়াত দিতেন। 

মুজিযা

অলৌকিক ক্ষমতা: আল্লাহ তাঁকে অনেক মুজিযা দিয়েছিলেন, যেমন - মৃতকে জীবিত করা, কুষ্ঠ রোগীকে আরোগ্য করা, পাখির আকৃতিতে রূপ দেওয়া, এবং যা কিছু মানুষ গোপন ও প্রকাশ করে তা বলে দেওয়া। 

ষড়যন্ত্র ও ঊর্ধ্বারোহণ

ইহুদিদের চক্রান্ত: বনু ইস্রাঈলের একটি অংশ তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এবং তাঁকে হত্যার চেষ্টা করে।

আল্লাহর রক্ষা: আল্লাহ তাঁকে তাদের চক্রান্ত থেকে রক্ষা করেন এবং তাঁকে ক্রুশবিদ্ধ হতে দেননি, বরং তাঁর নিজ রহমতে তাঁকে স্বশরীরে আসমানে উঠিয়ে নিয়েছেন। 

ভবিষ্যৎ আগমন

পুনরায় আগমন: কিয়ামতের আগে তিনি আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন, যা ইসলামে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাস। 

মন্তব্য করুন