সহকারী শিক্ষক
২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ
এক যুগ পর পে-স্কেল : আর সমালোচনা নয়!
এক যুগ পর পে-স্কেল: আর সমালোচনা নয়!
সেই কবে পে-স্কেল হয়েছিল,খুঁজতে গেলে চোখ রাখতে হয় পুরোনো ডায়েরি কিংবা এক যুগ আগের ক্যালেন্ডারের পাতায়। এই দীর্ঘ সময়ে কত কিছুই না বদলে গেল!
তবে দুনিয়ায় সবচেয়ে তীব্রভাবে যে কষ্টটা অনুভূত হয়, তা হলো ক্ষুধার কষ্ট। যার ক্ষুধা আছে, সেই-ই বোঝে ক্ষুধা সহ্য করার শক্তি আসলে কারোরই নেই।
প্রতিটি মানুষেরই ক্ষুধা আছে, কিন্তু সবার সামর্থ্য এক নয়। কারো আছে অভাব পূরণের ক্ষমতা, কারো পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে বহু আগেই। আমাদের সমাজে কত সংসার নীরবে দর্শক হয়ে থাকে,কেউ দেখে না, কেউ শোনে না।
তারপরও কত কাঠ-খড় পুড়িয়ে আমরা পৌঁছেছি নবম পে-স্কেলের খুব কাছাকাছি—খুবই কাছাকাছি।
কিন্তু…
কিন্তু আমরা সমালোচনায় অতুলনীয়!
এটা হলো না, ওটা পেলাম না, সেটা গেল—যদি এমন না হয়ে তেমন হতো! কথার পর কথা, কথার ভিড়ে জ্ঞানের প্রদর্শনী।
অথচ শূন্যপুরে আজ আর হাসির শব্দ নেই।
বেদনার বাঁশিতে মিশে আছে কান্নার সুর।
যা হয়, হোক না হয়।
তবু যদি সামান্য পরিবর্তন আসে,তাকে গ্রহণ করে নেওয়া ভালো।
মনে রাখতে হবে আমাদের অর্থনৈতিক অবকাঠামো, জনসংখ্যার চাপ, বৈশ্বিক বাস্তবতা এবং আমাদের অবস্থান।
তাই আজ অন্তত একটু থামি,
আর সমালোচনা নয়।
১৫
২৫ মন্তব্য