প্রভাষক
২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৬:২৪ পূর্বাহ্ণ
নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ব্যাপক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো:
প্রশিক্ষণের সময়সূচি ও লক্ষ্য
শুরু ও শেষ: মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মূল প্রশিক্ষণ ২২ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু হয়েছে এবং এটি ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত চলবে।
অংশগ্রহণকারী: সারা দেশে প্রায় ৮ লক্ষাধিক ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাকে এই প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং পোলিং অফিসাররা অন্তর্ভুক্ত।
বিশেষ প্রশিক্ষণ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে ।
প্রশিক্ষণের প্রধান বিষয়সমূহ
প্রশিক্ষণ কর্মশালাগুলোতে মূলত ভোটকেন্দ্র পরিচালনা এবং আইনি বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। প্রধান বিষয়গুলো হলো:
ভোটগ্রহণ ব্যবস্থাপনা: ভোটকেন্দ্রের বিন্যাস, ভোটদান পদ্ধতি এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
নির্বাচনী সামগ্রী: ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপার এবং অন্যান্য নির্বাচনী সরঞ্জাম সংগ্রহ, পরিবহন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
ভোট গণনা ও ফলাফল: ভোট গণনা পদ্ধতি এবং নির্ভুলভাবে ফলাফল বিবরণী প্রস্তুত করার কৌশল ।
আইন ও শৃঙ্খলা: নির্বাচনী আচরণবিধি, প্রিজাইডিং অফিসারের ক্ষমতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সাথে সমন্বয় রক্ষা।
গণভোট ও সংসদ নির্বাচন: একই দিনে দুটি ভিন্ন ব্যালটে (সংসদ নির্বাচন ও গণভোট) ভোট গ্রহণের বিশেষ প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা দেওয়া।
প্রশিক্ষণ কাঠামো
ইটিআই (ETI): নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ETI) কেন্দ্রীয়ভাবে এই প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা ও সমন্বয় করে।
মাঠ পর্যায়: জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালাগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রশিক্ষক: নির্বাচন কমিশনের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা এবং 'মাস্টার ট্রেইনার'রা এই প্রশিক্ষণ প্রদান করছেন।
মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের পোলিং এজেন্টদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেও নির্বাচন কমিশনের প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে।
৭
৭ মন্তব্য