Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৮:০৭ পূর্বাহ্ণ

আমার জীবনের সেরা ব্যক্তিতে২৫ তম প্রয়াণ দিবস

আমার জীবনের সেরা ব্যক্তিত্বের ২৫তম প্রয়াণ দিবস


মানুষের জীবনে কিছু মানুষ থাকে, যাঁরা আলো হয়ে আসেন—নিজেদের উপস্থিতি দিয়ে জীবনকে অর্থ দেন, আর প্রস্থান করে রেখে যান দীর্ঘ ছায়া। আমার জীবনের সেই আলোকবর্তিকা ছিলেন আমার নানা। সম্পর্কের নামে তাঁকে আমি ডাকতাম “ভাই”—কিন্তু প্রকৃত অর্থে তিনি ছিলেন আমার জীবনপাঠের প্রথম গুরু, নীরব দিশারি।

শিক্ষার হাতে খড়ি তাঁর হাত ধরেই। জ্ঞানের প্রদীপ তিনি জ্বালিয়েছিলেন আমার অন্তরে। বইয়ের প্রতি যে অমোঘ আকর্ষণ, উদারতার যে প্রশস্ততা, দানশীলতার যে নিঃশব্দ মহিমা—আমার সত্তায় যদি তার সামান্য প্রতিফলনও দেখা যায়, তবে তার সবটাই আমার নানার অশেষ দানের ফসল।

সেদিন ছিল বৃহস্পতিবার। মধ্যাহ্নের স্তব্ধতায় যোহরের আজান ভেসে এলো মসজিদ থেকে—মনে হলো, আসমান যেন কাউকে ডেকে নিচ্ছে। নানা ওজু করে এলেন। মুখে ছিল এক অপার্থিব শান্তি, যেন তিনি জানতেন—এটাই তাঁর শেষ প্রস্তুতি। তারপর সময় আর অপেক্ষা করেনি। মুহূর্তের ব্যবধানে আমাদের চোখে নামল অন্ধকার, আর তিনি চলে গেলেন চিরলোকের পথে—আমাদের কান্নাকে উত্তরাধিকার করে দিয়ে।

আজ সেই অসামান্য জ্ঞানী মহাপুরুষের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী। সময় অনেক দূর গড়িয়ে গেছে, তবু তাঁর শূন্যতা আজও তাজা, আজও গভীর।

আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন। তাঁর কবর হোক নূরে ভরা, আর স্মৃতি হোক আমাদের জীবনের চিরন্তন আলো,আমিন।

মন্তব্য করুন

ব্লগ