দুর্বল শিক্ষার্থীদের উন্নতির ক্ষেত্রে মা–বাবার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সমর্থন ও সহানুভূতিশীল আচরণ শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পারে। নিচে মা–বাবার কিছু করণীয় তুলে ধরা হলো—
বকাঝকা না করে উৎসাহ দেওয়া তুলনা বা রাগ না করে সন্তানের চেষ্টা ও অগ্রগতিকে গুরুত্ব দিন। এতে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ে।
সন্তানের সমস্যা বোঝার চেষ্টা করা কোন বিষয়টি বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে বা কেন পিছিয়ে পড়ছে—তা ধৈর্য নিয়ে শুনুন এবং সমাধানের পথ খুঁজুন।
নিয়মিত পড়াশোনার পরিবেশ তৈরি করা বাড়িতে শান্ত ও সুশৃঙ্খল পড়াশোনার পরিবেশ গড়ে তুলুন। নির্দিষ্ট সময়ে পড়ার অভ্যাস করান।
শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা সন্তানের অগ্রগতি ও দুর্বলতা সম্পর্কে জানার জন্য শিক্ষকের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলা দরকার।
অতিরিক্ত চাপ না দেওয়া সবার শেখার গতি এক নয়—এটা বুঝে সন্তানের উপর অতিরিক্ত প্রত্যাশার বোঝা চাপাবেন না।
প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সহায়তার ব্যবস্থা করা গৃহশিক্ষক, কোচিং বা বিশেষ সহায়তা ক্লাসের ব্যবস্থা করা যেতে পারে, তবে সন্তানের মানসিক অবস্থাও বিবেচনায় রাখুন।
আত্মবিশ্বাস ও মানসিক শক্তি বাড়ানো সন্তানের ভালো দিকগুলো তুলে ধরুন এবং তাকে বিশ্বাস করান যে সে পারবে।
ভালোবাসা, ধৈর্য ও সঠিক দিকনির্দেশনাই দুর্বল শিক্ষার্থীদের উন্নতির সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।
১
১ মন্তব্য