সহকারী শিক্ষক
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:৫১ অপরাহ্ণ
বন্দে আলী মিয়ার জীবনী
বন্দে আলী মিঞা (১৯০৬-১৯৭৯) ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশী কবি, ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, চিত্রশিল্পী এবং প্রধানত শিশু-সাহিত্যিক [৩, ৬, ১৪]। পাবনায় জন্মগ্রহণকারী এই সাহিত্যিক কলকাতা কর্পোরেশন স্কুলে শিক্ষকতা ও 'ইসলাম দর্শন' পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন [১, ২]। তিনি মূলত পল্লীপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে লেখা ও শিশুতোষ গ্রন্থ রচনার জন্য বিখ্যাত [৫]।
বন্দে আলী মিঞার জীবনী সংক্রান্ত কিছু মূল তথ্য:
জন্ম ও শৈশব: ১৫ ডিসেম্বর ১৯০৬ সালে পাবনা শহরের রাধানগর মহল্লায় জন্মগ্রহণ করেন [১০, ১৪]।
শিক্ষা: ১৯২৩ সালে পাবনা মজুমদার একাডেমি থেকে প্রবেশিকা পাস করেন এবং ১৯২৭ সালে কলকাতার ইন্ডিয়ান আর্ট একাডেমি থেকে চিত্রকলা বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণ করেন [১, ১৪]।
কর্মজীবন: ১৯৩০ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত কলকাতা কর্পোরেশন স্কুলে শিক্ষকতা করেন [২]। পরে ঢাকা ও রাজশাহী বেতারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন [৮]।
সাহিত্যকর্ম: তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ময়নামতির চর' (১৯৩২) [৭]। শতাধিক শিশুতোষ গ্রন্থ রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য: কুচ-বরণ কন্যা, শিয়াল পণ্ডিতের পাঠশালা, চোর-জামাই, ঝিনুক-পরী, মেঘকুমারী [৭, ৮]।
পুরস্কার ও সম্মাননা: শিশুসাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৬৫ সালে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার এবং ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান [৪]। ১৯৬৭ সালে পাকিস্তান সরকার তাঁকে 'প্রাইড অফ পারফরম্যান্স' পদক দেয় [৪]।
মৃত্যু: ২৭ জুন ১৯৭৯ সালে রাজশাহীতে মৃত্যুবরণ করেন এবং পরে পাবনায় তাঁকে সমাহিত করা হয় [১০, ১৫]।
তিনি রবীন্দ্র-নজরুলের সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন এবং প্রথাগত ধারার বাইরে গিয়ে সহজ-সরল ভাষায় পল্লীর রূপ ফুটিয়ে তুলেছিলেন
১৫
২৫ মন্তব্য