যদি কর্তৃপক্ষ বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দুর্নীতিগ্রস্ত হন, তবে অধিনস্তদের জন্য পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং হলেও কিছু সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া উচিত:
১. প্রমাণ সংগ্রহ করুন: আবেগের বশে কোনো অভিযোগ না করে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট তথ্য, নথি বা ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ করে রাখুন।
২. সততা বজায় রাখুন: নিজে কোনোভাবেই সেই দুর্নীতির অংশ হবেন না। চাপের মুখেও অনৈতিক কোনো ফাইলে স্বাক্ষর করা থেকে বিরত থাকুন।
৩. উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান: যদি প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই কোনো স্বচ্ছ জবাবদিহিতা ব্যবস্থা বা 'হুইসেলব্লোয়ার' (Whistleblower) পলিসি থাকে, তবে তার মাধ্যমে উচ্চতর পর্যায়ে বা পরিচালনা পর্ষদকে অবহিত করুন।
৪. আইনি সংস্থার সহায়তা নিন: দুর্নীতি যদি গুরুতর হয়, তবে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বা সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানান। বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশনের হটলাইন ১০৬-এ কল করে অভিযোগ জানানো যায়।
৫. যৌথভাবে প্রতিবাদ করুন: একা প্রতিবাদ করা ঝুঁকিপূর্ণ হলে সমমনা ও সৎ সহকর্মীদের সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিন।
৬. নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: নিজের পেশাগত নিরাপত্তা ও জীবনের ঝুঁকি বিবেচনা করে পদক্ষেপ নিন। প্রয়োজনে আইনি পরামর্শদাতার সহায়তা নিন।
অন্যায়ের প্রতিবাদ করা এবং নিজের নৈতিকতা বজায় রাখাই একজন আদর্শ কর্মীর দায়িত্ব।
৪
৪ মন্তব্য