প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।
জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য নিম্নলিখিত দিকগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
- শিক্ষণ ফলের মূল্যায়ন: শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মূল্যায়ন এবং তাদের ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষকদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হলে শিক্ষার মান বৃদ্ধি পায়। দিল্লির 'মিশন বুনিয়াদ' এর মতো উদ্যোগগুলো নিয়মিত মূল্যায়নের মাধ্যমে মৌলিক সাক্ষরতার মানে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।
- ডিজিটাল মনিটরিং: প্রযুক্তির সহায়তায় শিক্ষকদের বায়োমেট্রিক উপস্থিতি এবং নিয়মিত ক্লাস পর্যবেক্ষণ (Digital Monitoring) ব্যবস্থা চালু করা হলে কর্মস্থলে শিক্ষকদের উপস্থিতি এবং দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি পায়।
- আর্থিক স্বচ্ছতা: বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও সংস্কার কাজের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে 'স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কর্নার' বা 'ট্রান্সপারেন্সি কর্নার' স্থাপন করা একটি কার্যকর ইনোভেশন হতে পারে।
- অভিভাবক ও কমিউনিটির অংশগ্রহণ: বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির (SMC) সক্রিয়তা প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।
- প্রশাসনিক তদারকি: মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরিদর্শন এবং পরিদর্শনের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে অবহেলা ও অনিয়ম কমে আসে।
প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে টেকসই পরিবর্তন আনতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা উভয় দিকেই গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
১৫
২৫ মন্তব্য