Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৮:৫০ অপরাহ্ণ

কফের রঙ হলুদ বা সবুজ হওয়া কীসের ইঙ্গিত?

বদলে যাচ্ছে আবহাওয়া। প্রকৃতি থেকে শীত বিদায় নিয়ে আসছে বসন্ত। বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। আর আবহাওয়ার এই বেহাল দশায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সর্দি, কাশি, জ্বরের মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে ঘরে ঘরে। তার ওপর কিছুদিন পর পর বদলে যাচ্ছে কফের রঙ। কখনো হলুদ আবার কখনো সবুজ হচ্ছে কফ।  

কফের এই রঙবদল স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো কিছু নয়। সাদা কফ হঠাৎ কেন হলুদ বা সবুজ হয়ে যায়? এমনটা হওয়া কীসের ইঙ্গিত? কফের রঙ বদলে গেলে কী হয়?

বদলে যাচ্ছে আবহাওয়া। প্রকৃতি থেকে শীত বিদায় নিয়ে আসছে বসন্ত। বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। আর আবহাওয়ার এই বেহাল দশায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সর্দি, কাশি, জ্বরের মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে ঘরে ঘরে। তার ওপর কিছুদিন পর পর বদলে যাচ্ছে কফের রঙ। কখনো হলুদ আবার কখনো সবুজ হচ্ছে কফ।  

কফের এই রঙবদল স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো কিছু নয়। সাদা কফ হঠাৎ কেন হলুদ বা সবুজ হয়ে যায়? এমনটা হওয়া কীসের ইঙ্গিত? কফের রঙ বদলে গেলে কী হয়?

বদলে যাচ্ছে আবহাওয়া। প্রকৃতি থেকে শীত বিদায় নিয়ে আসছে বসন্ত। বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। আর আবহাওয়ার এই বেহাল দশায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সর্দি, কাশি, জ্বরের মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে ঘরে ঘরে। তার ওপর কিছুদিন পর পর বদলে যাচ্ছে কফের রঙ। কখনো হলুদ আবার কখনো সবুজ হচ্ছে কফ।  

কফের এই রঙবদল স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো কিছু নয়। সাদা কফ হঠাৎ কেন হলুদ বা সবুজ হয়ে যায়? এমনটা হওয়া কীসের ইঙ্গিত? কফের রঙ বদলে গেলে কী হয়?

এমন পরিস্থিতিতে করণীয়? 

চিকিৎসকের মতে, এক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রয়োজন পড়তে পারে। এই ওষুধটা ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে।

তবে এই বিষয়ে সতর্কতা জরুরি। অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে চিকিৎসক দেখিয়ে। নিজের বুদ্ধিতে বা দোকানে বলে এই ওষুধ খেলে উল্টো ক্ষতি হতে পারে। এমন সব ক্ষেত্রে ওষুধ তো কাজ করেই না, উল্টে রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়। ফলে পরবর্তী সময় ওষুধটি আর কাজ করতে চায় না। এমনকী সমস্যা থেকেও মেলে না মুক্তি। 

কফ সিরাপ কি কাজ করে? 

নিশ্চয়ই করে। তবে যেকোনো কফ সিরাপ খেলেই হবে না। একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকই রোগীর সমস্যা শুনে উপযুক্ত সিরাপের পরামর্শ দিতে পারেন। তাই নিজের বুদ্ধিতে কফ সিরাপও খাবেন না।

সুস্থ হতে কতদিন সময় লাগতে পারে? 

এটা আগে থেকে সম্ভব নয়। তবে মোটামুটি ১ থেকে ২ সপ্তাহ লাগতে পারে সেরে উঠতে। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। তাই ধৈর্য ধরে ওষুধ খেতে হবে। নয়তো বিপদ বাড়বে। 

তবে কেবল ওষুধ খেলেই চলবে না। সঙ্গে মৌসুমি ফল, শাক, সবজি খান। এতে মিলবে জরুরি ভিটামিন ও খনিজ। আর দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন আপনি। 

এনএম

মন্তব্য করুন

ব্লগ