১️ নিরাপদ স্থান নিশ্চিত করা
- খেলার মাঠে কোনো ধারালো বা বিপজ্জনক
জিনিস থাকবেনা।
- মাটির ক্ষত, খোঁড়াখুঁড়ি বা পানির জমাট বাধা নেই তা নিশ্চিত করা।
- গলদঘেঁষা বা রাস্তার কাছাকাছি না
হওয়া উচিত।
২️পর্যাপ্ত খেলার উপকরণ
- বল, ব্যাডমিন্টন, দড়ি, ফ্ল্যাগ, হুপ ইত্যাদি সরবরাহ করা।
- খেলার উপকরণ মানসম্মত ও নিরাপদ হতে
হবে।
৩️স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ
- মাঠ বা ক্লাসরুমের বাইরে পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন এবং বায়ুশুদ্ধ স্থান।
- পর্যাপ্ত আলো ও ছায়া থাকা।
- জলপানের সুবিধা ও প্রথম চিকিৎসার
ব্যবস্থা।
৪️নিয়মিত তত্ত্বাবধান
- শিক্ষক বা যত্নশীল প্রাপ্তবয়স্করা
খেলার সময় তত্ত্বাবধান করবেন।
- অশালীন আচরণ বা ঝুঁকিপূর্ণ খেলা
থেকে বাঁচাতে সাহায্য করবে।
৫️ অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায্য খেলা
- সকল শিক্ষার্থী অংশগ্রহণের সুযোগ
পাবে।
- খেলার নিয়ম সবাইকে সমানভাবে মানতে
হবে।
৬️ মনোভাব ও শৃঙ্খলা শেখানো
- খেলার মাধ্যমে সমবায়, ন্যায্য প্রতিযোগিতা ও বন্ধুত্ব শেখানো।
- হেরে যাওয়া বা জিতলে সম্মান দেখানো
১
১ মন্তব্য