Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৯:২১ পূর্বাহ্ণ

তাকাওয়া বা আল্লাহর ভয় ভীতি


তাকওয়া (আল্লাহভীতি) হলো গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা এবং আল্লাহর আদেশ মেনে চলা, যা মুমিনের ঈমানের মূল ভিত্তি ও সম্মানের মাপকাঠি। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে তাকওয়াবানদের জন্য জান্নাত, সাহায্য এবং রিজিকের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে । তাকওয়া জীবনের কঠিন সময়ে পথ দেখায় এবং আখিরাতে সফলতার একমাত্র মাধ্যম। 

তাকওয়া সম্পর্কিত কুরআনের আয়াত:

সম্মানের মাপকাঠি: "...নিশ্চয় আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত সেই ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে অধিক তাকওয়াবান (আল্লাহভীরু)..." (সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত: ১৩)।

উত্তরণের পথ: "...যে আল্লাহকে ভয় করে (তাকওয়া অবলম্বন করে), তিনি তার জন্য (সমস্যা থেকে) উত্তরণের পথ তৈরি করে দেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিজিক দান করেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না।" (সূরা আত-তালাক, আয়াত: ২-৩)।

সেরা পোশাক: "...তাকওয়ার পোশাকই সর্বোত্তম..." (সূরা আল-আরাফ, আয়াত: ২৬)।

হিদায়াত: "এই কিতাব (কুরআন), যাতে কোনো সন্দেহ নেই, হিদায়াত (পথনির্দেশ) মুত্তাকীদের জন্য।" (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২)। 

তাকওয়া সম্পর্কিত হাদিস:

সর্বোত্তম ব্যক্তি: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "আল্লাহভীতি (তাকওয়া) এবং উত্তম চরিত্র মানুষকে জান্নাতে প্রবেশ করায়।" (তিরমিজি)।

আল্লাহর ভয়: "তুমি যেখানেই থাকো, আল্লাহকে ভয় (তাকওয়া) করো..." (তিরমিজি)।

হৃদয়ের অবস্থান: রাসূল (সা.) তিনবার নিজ বুকের দিকে ইশারা করে বলেছিলেন, "তাকওয়া এখানে (অন্তরে অবস্থিত)।" (সহীহ মুসলিম)।

কঠিন সময়ে পথ: হাদীসে এসেছে, তাকওয়া অবলম্বনকারীকে আল্লাহ সব ধরনের বিপদ থেকে মুক্তির পথ বের করে দেন। 

সারসংক্ষেপে, তাকওয়া হলো হৃদয়ের এমন এক জাগ্রত অবস্থা যা মানুষকে আল্লাহর ভয়ে মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে এবং নেক কাজে উদ্বুদ্ধ করে। 

তাকওয়ার বাস্তব চিত্র ও কিছু উদাহরণ - হোম 

তাকওয়ার বাস্তব চিত্র ও কিছু উদাহরণ * ১. গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা – হযরত ইউসুফ (আ.) এর তাকওয়া * ২. ব্যবসায় তাকওয়া – হযরত আবু বকর (রা.) এর সতর্কতা * ৩. ন্যায়পরায়ণ 

তাকওয়া

কুরআনে তাকওয়ার ফজিলত 'যে আল্লাহকে তাকওয়া করে (ভয় করে ও মেনে চলে), তিনি তার জন্য (সমস্যা থেকে) উত্তরণের (মুক্তির/নিষ্কৃতির) পথ তৈরি করে দেন। সুতরাং যে দান করেন 

তাকওয়া : এক মহিমান্বিত গুণ - মাসিক আলকাউসার

তাকওয়া মুমিনের একটি অপরিহার্য গুণ। কুরআন মাজীদে তাকওয়া অবলম্বনকারীদের জন্য অনেক সুসংবাদ বর্ণিত হয়েছে। আল্লামা ফাইরোযাবাদী রাহ. তাঁর কিতাব بصائر ذوي التمييز -

মাসিক আলকা আল্লাহর কাছে সবচেয়ে সম্মানিত সেই ব্যক্তি, যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান। সুরা আল-হুজুরাত (৪৯:১৩)

আল্লাহর কাছে সবচেয়ে সম্মানিত সেই ব্যক্তি, যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান। সুরা আল-হুজুরাত (৪৯:১৩)যে আমলে সম্মান বাড়ে - আব্দুল্লাহ আল-মা‘রূফ

আল্লাহ বলেন, إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللهِ أَتْقَاكُمْ 'নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে আল্লাহর নিকটে সর্বাধিক সম্মানিত ঐ ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক আল্লাহভীরু'

মাসিক আত-তাহরীক

নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সবচেয়ে সম্মানিত সেই ব্যক্তি যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান..! •(সূরা হুজুরাতঃ১৩)

নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সবচেয়ে সম্মানিত সেই ব্যক্তি যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান..! (সূরা হুজুরাতঃ১৩) 

তাকওয়া - 

বস্তুতঃ ক্ষমা করাই তাকওয়ার অধিক নিকটবর্তী এবং তোমরা পারস্পরিক সহায়তা হতে বিমুখ হয়ো না, যা কিছু তোমরা করছ আল্লাহ । নিশ্চয়ই তার সম্যক দ্রষ্টা। 'যে আল্লাহকে তাকওয়া

হাদীস আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) -কে প্রশ্ন করা হলো, কোন কাজটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণ মানুষকে জান্নাতে নিয়ে যাবে। তিনি বলেন, 'আল্লাহভীতি (তাকওয়া)

কোরআনের দৃষ্টিতে চার শ্রেণির সফল মানুষ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'তুমি যেখানে থাকো, আল্লাহকে ভয় করো। ' (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৮৭)। তাকওয়াবান ব্যক্তি কখনো অন্যায় করে না, প্রতিশোধে সীমা ছাড়ায় না,

দাড়িবিহীন তাকওয়ার কাহিনী | দাড়ি রাখা ওয়াজিব

“তাকওয়া 'এখানে' একথা বলে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বুকের দিকে তিনবার ইঙ্গিত করলেন।”কুরাইশী লোকটিও তার বুকের দিকে ইশারা করে বলল: 

তোমরা সদা ন্যায়বিচার করো। এ কাজটি তাকওয়ার সবচেয়ে কাছে। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। তোমরা যা কিছু করো নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে পুরোপুরি অবগত আছেন। 


মন্তব্য করুন