Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৮:২২ অপরাহ্ণ

যেসব কারণে বাতিল হবে শিক্ষকদের পোস্টাল ব্যালট

যেসব কারণে বাতিল হবে শিক্ষকদের পোস্টাল ব্যালট

8.1kShares
facebook sharing button
twitter sharing button
copy sharing button
whatsapp sharing button
linkedin sharing button
print sharing button
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটাধিকার প্রয়োগে শিক্ষকদের জন্য ইস্যুকৃত পোস্টাল ব্যালট গণনার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে। নির্ধারিত নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণে সামান্য ভুল হলেই সংশ্লিষ্ট পোস্টাল ব্যালট বাতিল হয়ে যাবে এবং তা কোনো প্রার্থীর অনুকূলে গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ।

নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী, বৈধ ব্যালট পেপার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রার্থীভিত্তিক এবং গণভোটের ক্ষেত্রে হ্যাঁ/না ভিত্তিতে আলাদা করে গণনা করা হবে। তবে পোস্টাল ব্যালটের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না হলে প্রিসাইডিং অফিসার ওই ব্যালটকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করবেন। এতে করে নিয়ম না জানা বা অসতর্কতার কারণে অনেক শিক্ষকের ভোট বাতিল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পোস্টাল ব্যালট গণনার সময় খুঁটিনাটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা হবে। বিশেষ করে ঘোষণাপত্র সংযুক্তকরণ, ভোটারের স্বাক্ষর এবং ব্যালট পেপারে সঠিকভাবে চিহ্ন প্রদানের বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

যেসব কারণে শিক্ষকদের পোস্টাল ব্যালট বাতিল হবে

  • নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে শিক্ষকদের পোস্টাল ব্যালট বাতিল বলে গণ্য হবে—
  • খামের ভেতরে নির্ধারিত ঘোষণাপত্র সংযুক্ত না থাকলে
  • ঘোষণাপত্রে ভোটারের স্বাক্ষর না থাকলে
  • ব্যালট পেপারে একাধিক প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া হলে
  • কোনো প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন না দিলে
  • এমনভাবে টিক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া হলে, যাতে কোন প্রার্থী বা প্রতীকের পক্ষে ভোট দেওয়া হয়েছে তা যুক্তিসংগতভাবে নিশ্চিত করা যায় না
  • সংশ্লিষ্ট আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক ছাড়া অন্য কোনো প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া হলে
  • ব্যালট পেপারে নির্ধারিত টিক বা ক্রস চিহ্নের বাইরে অন্য কোনো চিহ্ন বা অন্য স্থানে চিহ্ন দেওয়া হলে

নির্বাচন কর্মকর্তাদের সতর্কতা

নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পোস্টাল ব্যালটের ক্ষেত্রে ভোটার নিজে উপস্থিত না থাকায় যাচাইয়ের সুযোগ সীমিত থাকে। এ কারণে বিধি অনুযায়ী সামান্য ত্রুটিও ক্ষমার সুযোগ নেই। ফলে শিক্ষকদের ব্যালট পূরণের আগে নির্দেশিকা ভালোভাবে পড়ে নেওয়া এবং নির্ধারিত নিয়ম মেনে ভোট প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি।

তাঁরা আরও জানান, সচেতনতা বাড়ানো গেলে অপ্রয়োজনীয়ভাবে পোস্টাল ব্যালট বাতিলের হার কমানো সম্ভব হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শিক্ষকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।


মন্তব্য করুন

ব্লগ