সহকারী অধ্যাপক
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ণ
উত্তম ছেড়ে তুচ্ছের দিকে - মোঃ মুজিবুর রহমান
উত্তম ছেড়ে তুচ্ছের দিকে
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক,
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
মরুর বুকে নেমেছিল রহমতের ধারা,
আকাশ থেকে খাদ্য—আল্লাহর দান সারা।
তবু কণ্ঠে উঠল অভিযোগ, অন্তরে অস্থিরতা,
একই নিয়ামতে ধৈর্য নেই—হারাল কৃতজ্ঞতা।
বললে তারা, “হে মূসা! সহ্য আর হয় না,
এক খাবারে জীবন বন্দি—মন মানে না।
মাটির ফসল চাই আমরা—শাক আর কাঁকড়,
মসুর, পেঁয়াজ, রসুনে ভরুক আমাদের অন্নভাণ্ডার।”
নবী বললেন দৃঢ় কণ্ঠে, সত্যের ভাষায়,
“উত্তম ছেড়ে নীচে নামছ—এ কোন চাওয়ায়?
যে দান আকাশ ছুঁয়েছে, তা কি তুচ্ছ করো?
মহামূল্য ছেড়ে সামান্যে মন কেন ভরো?”
“নগরে নেমে যাও—পাবে যা চেয়েছ সেখানে,
কিন্তু হারাবে মর্যাদা, হারাবে আলোর টানে।”
আর তখনই নেমে এলো লাঞ্ছনার ছায়া,
দারিদ্র্যের বোঝা বুকে—ভাঙল সম্মানের মায়া।
কারণ তারা মানেনি আয়াতের আহ্বান,
সত্যকে অস্বীকার করে করেছে বিদ্রোহী প্রাণ।
নবীদের রক্ত ঝরেছে অন্যায়ের পথে,
নাফরমানি ছিল সঙ্গী—সীমা ভাঙত প্রতিক্ষণে।
তাই ক্রোধ নেমে এলো প্রভুর পক্ষ থেকে,
ইতিহাসে লেখা রইল শিক্ষা অক্ষরে অক্ষরে।
যে উত্তম ছেড়ে তুচ্ছ বেছে নেয় বারবার,
সে নিজ হাতে ডাকে লাঞ্ছনা, দারিদ্র্য আর অন্ধকার।
এই কাহিনি শুধু অতীতের ধুলো নয়,
আজও আয়না হয়ে দাঁড়ায়—আমার, তোমার হৃদয়।
ধৈর্য আর কৃতজ্ঞতাই উন্নতির মূল সোপান,
নইলে নিয়ামতই হয়ে ওঠে পরীক্ষার কারণ।
***
উত্তম ত্যাগের অপরাধ
মরুর বুকে রহমত ঝরে—নিয়ামত অবারিত,
আকাশ-দান অবহেলায় মন হলো অকৃতজ্ঞিত।
ধৈর্য ভাঙে, জিহ্বা কাঁদে, অভিযোগে ভরে মুখ,
এক খাদ্যে সহ্য নেই—নাফসেরই এই দুখ।
বলল তারা—“হে মূসা! চাই না এ দান,
মাটির ফসল দাও আমাদের—এই আমাদের প্রাণ।
শাক আর কাঁকড়, মসুর-রসুন, পেঁয়াজের গন্ধ,
আকাশের দান তুচ্ছ আজ—নাফস হলো অন্ধ।”
নবী বললেন কঠোর স্বরে, সত্যের বজ্রধ্বনি,
“উত্তম ছেড়ে নীচে নামছ—এ কোন বুদ্ধির ধ্বনি?
যা শ্রেষ্ঠ, তা ছেড়ে কেন চাও অধমের ভার?
মর্যাদা ফেলে কেন খোঁজো তুচ্ছের বাজার?”
“নগরে নেমে যাও—পাবে চাওয়ার ফল,
কিন্তু হারাবে আকাশ-ছোঁয়া সম্মানের বল।”
আর তখনই নেমে এলো লাঞ্ছনার আবরণ,
দারিদ্র্যের শিকল বুকে—ভাঙল আত্মসম্মান।
আয়াত তারা অস্বীকার করল অহংকারে,
নবীর রক্ত ঝরাল হাতে—অন্যায়ের ভারে।
নাফরমানি ছিল পথ, সীমা ভাঙা ছিল কাজ,
তাই গজব নেমে এলো—আল্লাহর কঠোর রাজ।
এ ইতিহাস নয় কেবল পুরনো কোনো কাহিনি,
এ আজও সতর্ক করে—আমার, তোমার দিনপঞ্জি।
যে উত্তম ত্যাগ করে তুচ্ছকে করে গ্রহণ,
সে নিজ হাতে ডাকে লাঞ্ছনা, ক্ষুধা আর পতন।
ধৈর্য হারালে নিয়ামত হয় অভিশাপের দ্বার,
কৃতজ্ঞতা ভাঙলে ভাঙে ইমানের প্রাচীর-ভার।
উত্তমকে আঁকড়ে ধর—এই আল্লাহর বিধান,
নইলে নিয়ামতের মাঝেই লুকায় শাস্তির নিদান।
***
উত্তম ত্যাগের অপরাধ
মরুর বুকে রহমত ঝরে—নিয়ামত অবারিত,
আকাশ-দান অবহেলায় মন হলো অকৃতজ্ঞিত।
ধৈর্য ভাঙে, জিহ্বা কাঁদে, অভিযোগে ভরে মুখ,
এক খাদ্যে সহ্য নেই—নাফসেরই এই দুখ।
বলল তারা—“হে মূসা! চাই না এ দান,
মাটির ফসল দাও আমাদের—এই আমাদের প্রাণ।
শাক আর কাঁকড়, মসুর-রসুন, পেঁয়াজের গন্ধ,
আকাশের দান তুচ্ছ আজ—নাফস হলো অন্ধ।”
নবী বললেন কঠোর স্বরে, সত্যের বজ্রধ্বনি,
“উত্তম ছেড়ে নীচে নামছ—এ কোন বুদ্ধির ধ্বনি?
যা শ্রেষ্ঠ, তা ছেড়ে কেন চাও অধমের ভার?
মর্যাদা ফেলে কেন খোঁজো তুচ্ছের বাজার?”
“নগরে নেমে যাও—পাবে চাওয়ার ফল,
কিন্তু হারাবে আকাশ-ছোঁয়া সম্মানের বল।”
আর তখনই নেমে এলো লাঞ্ছনার আবরণ,
দারিদ্র্যের শিকল বুকে—ভাঙল আত্মসম্মান।
আয়াত তারা অস্বীকার করল অহংকারে,
নবীর রক্ত ঝরাল হাতে—অন্যায়ের ভারে।
নাফরমানি ছিল পথ, সীমা ভাঙা ছিল কাজ,
তাই গজব নেমে এলো—আল্লাহর কঠোর রাজ।
এ ইতিহাস নয় কেবল পুরনো কোনো কাহিনি,
এ আজও সতর্ক করে—আমার, তোমার দিনপঞ্জি।
যে উত্তম ত্যাগ করে তুচ্ছকে করে গ্রহণ,
সে নিজ হাতে ডাকে লাঞ্ছনা, ক্ষুধা আর পতন।
ধৈর্য হারালে নিয়ামত হয় অভিশাপের দ্বার,
কৃতজ্ঞতা ভাঙলে ভাঙে ইমানের প্রাচীর-ভার।
উত্তমকে আঁকড়ে ধর—এই আল্লাহর বিধান,
নইলে নিয়ামতের মাঝেই লুকায় শাস্তির নিদান।
***
উত্তম ত্যাগের অপরাধ
মরুর বুকে রহমত ঝরে—নিয়ামত অফুরান,
আকাশ-দান অবহেলায় অকৃতজ্ঞ হলো প্রাণ।
ধৈর্য ভাঙে, জিহ্বা কাঁদে, অভিযোগে ভরে বাক্,
এক খাদ্যে সহ্য নেই—নাফস চালায় নিজস্ব ডাক।
বলল তারা—“হে মূসা! চাই না এ দান,
মাটির ফসল দাও আমাদের—এতেই সুখী প্রাণ।
শাক আর কাঁকড়, মসুর-রসুন, পেঁয়াজের গন্ধ,
আকাশের দান তুচ্ছ আজ—নাফস হয়ে অন্ধ।”
নবী বললেন কঠোর স্বরে, বজ্রসম সত্যবাণী,
“উত্তম ছেড়ে নীচে নামছ—এ কেমন বুদ্ধির হানি?
যা শ্রেষ্ঠ, তা ছেড়ে কেন চাও অধমের ভার?
মর্যাদা ফেলে কেন খোঁজো তুচ্ছের হাট-বাজার?”
“নগরে নেমে যাও—পাবে চাওয়ার ফল,
কিন্তু হারাবে আকাশ-ছোঁয়া সম্মানের বল।”
সে কথার সাথে নেমে এলো লাঞ্ছনার আঘাত,
দারিদ্র্যের শিকল বুকে—ভাঙল আত্মসম্মান-প্রাসাদ।
আয়াত তারা অস্বীকার করল অহংকারে,
নবীর রক্ত ঝরাল হাতে—অন্যায়ের ভারে।
নাফরমানি ছিল পথ, সীমা ভাঙাই সাধ,
তাই গজব নেমে এলো—রবের কঠোর বিচারবাদ।
এ ইতিহাস নয় কেবল পুরনো কোনো দিন,
আজও আয়না হয়ে দাঁড়ায়—মানবতার ঋণ।
যে উত্তম ত্যাগ করে তুচ্ছকে করে গ্রহণ,
সে নিজ হাতে ডাকে লাঞ্ছনা, ক্ষুধা আর পতন।
ধৈর্য ভাঙলে নিয়ামত হয় শাস্তির দরোজা,
কৃতজ্ঞতা হারালে ভাঙে ইমানের প্রাচীর-খোঁজা।
উত্তমকে আঁকড়ে ধর—এই রবের বিধান,
নইলে নিয়ামতের বুকেই লুকায় শাস্তির নিদান।
১
২ মন্তব্য