প্রভাষক
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১০:২৬ অপরাহ্ণ
ডেটা কমিউনিকেশন - একটি ইলেকট্রনিক বা ফিজিক্যাল মাধ্যম
ডেটা কমিউনিকেশন হলো একটি ইলেকট্রনিক বা ফিজিক্যাল মাধ্যমের (তার বা তারবিহীন) সাহায্যে দুই বা ততোধিক ডিভাইসের মধ্যে ডিজিটাল বা এনালগ উপাত্ত (টেক্সট, ছবি, অডিও, ভিডিও) আদান-প্রদান বা স্থানান্তর প্রক্রিয়া। এটি প্রেরক (Sender) ও প্রাপকের (Receiver) মধ্যে তথ্যের সঠিক প্রবাহ নিশ্চিত করে, যেখানে প্রোটোকল, মাধ্যম এবং ডেটা এনকোডিং অপরিহার্য উপাদান।
ডেটা কমিউনিকেশনের প্রধান উপাদানসমূহ
একটি কার্যকর ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেম পাঁচটি মূল উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত :
১. বার্ত্তা (Message): যে তথ্য আদান-প্রদান করা হবে (ছবি, শব্দ, টেক্সট)।
২. প্রেরক (Sender): যে ডিভাইস (কম্পিউটার, ফোন) তথ্য পাঠায়।
৩. প্রাপক (Receiver): যে ডিভাইস তথ্য গ্রহণ করে।
৪. মাধ্যম (Medium): যে পথ দিয়ে ডেটা চলাচল করে (যেমন- ক্যাবল বা তারবিহীন)।
৫. প্রোটোকল (Protocol): যোগাযোগের নিয়মাবলী, যা প্রেরক ও প্রাপক উভয়েই অনুসরণ করে।
ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেমের বিস্তারিত দিকসমূহ :
ট্রান্সমিশন মোড (Direction of Flow):
সিমপ্লেক্স (Simplex): একদিকেই তথ্য যায় (যেমন- কীবোর্ড থেকে কম্পিউটার)।হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex): উভয় দিকে তথ্য যায়, তবে একসাথে নয় (যেমন- ওয়াকিটকি)।
ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex): একসাথে উভয় দিকে তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব (যেমন- মোবাইল ফোন)।
ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড
(Bandwidth):ন্যারোব্যান্ড (Narrowband): ধীরগতির (৪৫-৩০০ bps)।
ভয়েস ব্যান্ড (Voiceband): মাঝারি গতি (৯৬০০ bps পর্যন্ত)।
ব্রডব্যান্ড (Broadband): উচ্চগতির (Mbps বা Gbps)।
ট্রান্সমিশন মেথড: সিরিয়াল (এক বিট পর পর) এবং সমান্তরাল (একসাথে অনেক বিট)।
ডেটা কমিউনিকেশনের মাধ্যম
তার বা গাইডেড মিডিয়া: কোঅক্সিয়াল ক্যাবল, টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল, ফাইবার অপটিক ক্যাবল।
তারবিহীন বা আনগাইডেড মিডিয়া: রেডিও তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ, ইনফ্রারেড।
ইন্টারনেট, ইমেইল, ভিডিও কল, এবং চ্যাটিং হলো আধুনিক ডেটা কমিউনিকেশনের প্রধান উদাহরণ।
৪
৬ মন্তব্য