Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৮:৫২ পূর্বাহ্ণ

আল্লাহর বান্দা - মোঃ মুজিবুর রহমান



আল্লাহর বান্দা

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক,

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

 

রহমানের বান্দা তারা—নম্র তাদের পথ,

মাটির বুকে চলতে গিয়ে রাখে না অহংকৃত রথ।

অজ্ঞ যখন ডাকে কঠোর, বিদ্রুপে তোলে ভাষা,

তারা বলে একটিমাত্র শব্দ—শান্তির নাম “সালাম” আশা।

রাতের নীরব আঁধার ভেদে সিজদায় নত শির,

দণ্ডায়মান প্রার্থনায় কাঁপে তাদের অন্তর-নীর।

চোখে জল, কণ্ঠে আর্তি—রবের দ্বারে মিনতি,

“হে প্রভু! ফিরিয়ে রাখো জাহান্নামের অনন্ত যন্ত্রণা-ক্ষতি।”

ব্যয়ে তারা মধ্যপন্থী—নেই অপচয়, নেই কৃপণতা,

ইসলামের ভারসাম্যে গড়া তাদের অর্থনীতি ও মানবতা।

না ডাকে তারা অন্য ইলাহ, না করে নিষিদ্ধ হত্যা,

না ডুবে ব্যভিচারে—সংযমই তাদের শ্রেষ্ঠ শক্তি-সাথা।

যে ভুলে পড়ে, সে জানে পথ—তাওবার খোলা দ্বার,

সৎকর্মে ফিরে আসে সে, আল্লাহর দিকে পূর্ণ প্রত্যাবর্তন তার।

মিথ্যার সাক্ষ্য এড়িয়ে চলে, সত্যে অবিচল পা,

অনর্থক কথা-কর্মে পড়ে না—সম্মান রেখে নেয় বিদায় চাওয়া।

রবের আয়াত স্মরণ করালে অন্ধ-বধির নয় তারা,

হৃদয় খোলে, বুদ্ধি জাগে—হিদায়াতেই তাদের সাড়া।

আর তারা দোয়া করে চোখ ভেজানো ভাষায়,

“স্ত্রী-সন্তান দাও প্রভু, যারা চোখের শীতলতা ছড়ায়।”

“আর আমাদের করো তুমি মুত্তাকীদের নেতা,

যেন সত্যের পথে চলতে পারি দৃঢ় ও অবিচল চেতা।”

এই সবর, এই ইখলাস, এই সাধনার ফলেই,

জান্নাতে পাবে সুউচ্চ কক্ষ—অপরূপ পুরস্কার বলেই।

সালাম আর অভিবাদনে হবে তাদের সংবর্ধনা,

চিরস্থায়ী আবাস সেখানে—নেই কোনো বিচ্ছিন্নতা।

কী সুন্দর সে নিবাস, কী মহিমাময় ঠিকানা,

রহমানের বান্দাদেরই এ চূড়ান্ত সম্মান-আসনখানা।

 ***

রহমানের বান্দা তারা নম্র পথে চলে,

অহংকার ছুঁতে পারে না হৃদয়ের তলে।

অজ্ঞ যখন ডাকে কঠোর, বিষভরা বাণী,

উত্তরে তারা বলে শুধু—সালাম ও শান্তি।

রাত্রি যাপন করে তারা সিজদা-কিয়ামে,

অশ্রু ঝরে নিভৃতে রব-ভীতির স্রোতধামে।

কাঁপা কণ্ঠে বলে তারা গভীর মিনতিতে,

হে রব! ফিরাও আগুন, রেখো না সে গতিতে।

ব্যয়ে তারা মধ্যপন্থী—না অপচয় করে,

না কৃপণতার শেকলে হৃদয় তারা ভরে।

আল্লাহ ছাড়া ডাকে না কোনো মিথ্যা ইলাহ,

নাফস হত্যা নয় তাদের—ন্যায় ছাড়া গুনাহ।

ব্যভিচার থেকে দূরে, পবিত্র তাদের চলা,

যে পড়ে ভুলে—তাওবায় ফেরে, ভাঙে অন্ধ জ্বালা।

সৎকাজে সে ফিরে আসে রবের সান্নিধ্যে,

পূর্ণ প্রত্যাবর্তনে ডুবে নেয় ক্ষমার নিধ্যে।

মিথ্যার সাক্ষ্য দেয় না, সত্যে অবিচল,

অনর্থক পথ পেরোয় তারা মর্যাদায় উজ্জ্বল।

রবের আয়াত স্মরণ হলে জাগে হৃদয়-চোখ,

অন্ধ-বধির নয় তারা—হিদায়াতেই লোক।

আর তারা দোয়া করে বিনীত ভাষায়,

স্ত্রী-সন্তান দাও রব, চোখ জুড়ায় যার ছায়ায়।

আর করো আমাদের মুত্তাকীদের নেতা,

সত্যের পথে দৃঢ় রাখো জীবনভরা চেতা।

এই সবরের পুরস্কারে সুউচ্চ জান্নাত-ঘর,

সালাম-অভিবাদনে হয় তাদের অভ্যর্থনর।

সেখানে তারা থাকবে চির, নেই কোনো অবসান,

কী সুন্দর সে আবাস, কী মহিমান্বিত স্থান!

 ****

রহমানের বান্দা তারা—নম্র তাদের পথ,

মাটির বুকে চলতে গিয়ে রাখে না অহংকৃত রথ।

অজ্ঞ যখন ডাকে কঠোর, বিদ্রুপে তোলে ভাষা,

তারা বলে একটিমাত্র শব্দ—শান্তির নাম “সালাম” আশা।

রাতের নীরব আঁধার ভেদে সিজদায় নত শির,

দণ্ডায়মান প্রার্থনায় কাঁপে তাদের অন্তর-নীর।

চোখে জল, কণ্ঠে আর্তি—রবের দ্বারে মিনতি,

“হে প্রভু! ফিরিয়ে রাখো জাহান্নামের অনন্ত যন্ত্রণা-ক্ষতি।”

ব্যয়ে তারা মধ্যপন্থী—নেই অপচয়, নেই কৃপণতা,

ইসলামের ভারসাম্যে গড়া তাদের অর্থনীতি ও মানবতা।

না ডাকে তারা অন্য ইলাহ, না করে নিষিদ্ধ হত্যা,

না ডুবে ব্যভিচারে—সংযমই তাদের শ্রেষ্ঠ শক্তি-সাথা।

যে ভুলে পড়ে, সে জানে পথ—তাওবার খোলা দ্বার,

সৎকর্মে ফিরে আসে সে, আল্লাহর দিকে পূর্ণ প্রত্যাবর্তন তার।

মিথ্যার সাক্ষ্য এড়িয়ে চলে, সত্যে অবিচল পা,

অনর্থক কথা-কর্মে পড়ে না—সম্মান রেখে নেয় বিদায় চাওয়া।

রবের আয়াত স্মরণ করালে অন্ধ-বধির নয় তারা,

হৃদয় খোলে, বুদ্ধি জাগে—হিদায়াতেই তাদের সাড়া।

আর তারা দোয়া করে চোখ ভেজানো ভাষায়,

“স্ত্রী-সন্তান দাও প্রভু, যারা চোখের শীতলতা ছড়ায়।”

“আর আমাদের করো তুমি মুত্তাকীদের নেতা,

যেন সত্যের পথে চলতে পারি দৃঢ় ও অবিচল চেতা।”

এই সবর, এই ইখলাস, এই সাধনার ফলেই,

জান্নাতে পাবে সুউচ্চ কক্ষ—অপরূপ পুরস্কার বলেই।

সালাম আর অভিবাদনে হবে তাদের সংবর্ধনা,

চিরস্থায়ী আবাস সেখানে—নেই কোনো বিচ্ছিন্নতা।

কী সুন্দর সে নিবাস, কী মহিমাময় ঠিকানা,

রহমানের বান্দাদেরই এ চূড়ান্ত সম্মান-আসনখানা।

***

রহমানের বান্দা

রহমানের বান্দা তারা নম্র পথে চলে,

অহংকার ছুঁতে পারে না হৃদয়ের তলে।

অজ্ঞ যখন ডাকে কঠোর, বিষভরা বাণী,

উত্তরে তারা বলে শুধু—সালাম ও শান্তি।

রাত্রি যাপন করে তারা সিজদা-কিয়ামে,

অশ্রু ঝরে নিভৃতে রব-ভীতির স্রোতধামে।

কাঁপা কণ্ঠে বলে তারা গভীর মিনতিতে,

হে রব! ফিরাও আগুন, রেখো না সে গতিতে।

ব্যয়ে তারা মধ্যপন্থী—না অপচয় করে,

না কৃপণতার শেকলে হৃদয় তারা ভরে।

আল্লাহ ছাড়া ডাকে না কোনো মিথ্যা ইলাহ,

নাফস হত্যা নয় তাদের—ন্যায় ছাড়া গুনাহ।

ব্যভিচার থেকে দূরে, পবিত্র তাদের চলা,

যে পড়ে ভুলে—তাওবায় ফেরে, ভাঙে অন্ধ জ্বালা।

সৎকাজে সে ফিরে আসে রবের সান্নিধ্যে,

পূর্ণ প্রত্যাবর্তনে ডুবে নেয় ক্ষমার নিধ্যে।

মিথ্যার সাক্ষ্য দেয় না, সত্যে অবিচল,

অনর্থক পথ পেরোয় তারা মর্যাদায় উজ্জ্বল।

রবের আয়াত স্মরণ হলে জাগে হৃদয়-চোখ,

অন্ধ-বধির নয় তারা—হিদায়াতেই লোক।

আর তারা দোয়া করে বিনীত ভাষায়,

স্ত্রী-সন্তান দাও রব, চোখ জুড়ায় যার ছায়ায়।

আর করো আমাদের মুত্তাকীদের নেতা,

সত্যের পথে দৃঢ় রাখো জীবনভরা চেতা।

এই সবরের পুরস্কারে সুউচ্চ জান্নাত-ঘর,

সালাম-অভিবাদনে হয় তাদের অভ্যর্থনর।

সেখানে তারা থাকবে চির, নেই কোনো অবসান,

কী সুন্দর সে আবাস, কী মহিমান্বিত স্থান!

***

রহমানের বান্দা তারা নম্রতায় ভরা,

পৃথিবীর পথে চলে বিনয়ের ধরা।

অজ্ঞের কঠোর বাক্য আঘাত করিলে,

সালাম বলে তারা যায় শান্তির নীলে।

রাত্রির আঁধারে তারা সিজদায় নত,

কিয়ামে দাঁড়িয়ে থাকে রবভয়ে সত্।

বলে তারা অশ্রুভেজা গভীর মিনতি,

হে রব! আগুন থেকে দাও মুক্তি-গতি।

ব্যয়ে তারা মধ্যপথ ছাড়ে না কখনো,

না অপচয়, না কৃপণ—সমতাই ধনো।

আল্লাহ ছাড়া ডাকে না অন্য ইলাহ,

ন্যায় ছাড়া নাফস হত্যা করে না গুনাহ।

ব্যভিচার হতে দূরে পবিত্র চরিত্র,

ভুলে পড়িলে তাওবায় ফিরে নেয় চিত্র।

সৎকাজে ফিরে আসে আল্লাহর পথে,

পূর্ণ প্রত্যাবর্তনে ভাসে রহমতে।

মিথ্যার সাক্ষ্য তারা দেয় না কখনো,

অনর্থক পথে চলে না সম্মানহীন মনো।

রবের আয়াত স্মরণ হলে জাগে অন্তর,

অন্ধ-বধির নয় তারা—খোলা বিবেক-দর।

আর তারা দোয়া করে বিনীত কণ্ঠে,

স্ত্রী-সন্তান দাও রব, চোখ শীতল স্নিগ্ধে।

আর করো আমাদের মুত্তাকীদের পথিক,

নেতৃত্ব দাও সত্যে, করো দৃঢ় নৈতিক।

এই সবরের পুরস্কার সুউচ্চ কক্ষ,

সালাম-অভিবাদনে পূর্ণ সে রক্ষ।

সেখানে তারা থাকবে চিরকাল স্থায়ী,

কী উত্তম সে আবাস—কী সৌভাগ্য পাই!

৪***

রহমানের বান্দা

রহমানের বান্দা—নম্র, স্থির,

সত্যের পথে অটল, ধীর।

সালাম তাদের ভাষা, কাজ,

রবের পথে জীবন আজ।

নম্র পায়ে চলে তারা মাটির বুকে,

অহংকার নেই অন্তর-রক্ত-মুখে।

অজ্ঞের বাক্য যখন আগুন ঝরে,

সালাম বলে সরে যায় সম্মানের ঘরে।

রাতের আঁধার ভেদ করে সিজদা পড়ে,

কিয়ামে দাঁড়ায় অশ্রু ঝরে ঝরে।

কাঁপা কণ্ঠে উঠে একটিই আর্তি,

হে রব! আগুন থেকে দাও মুক্তি।

ব্যয়ে তারা রাখে ভারসাম্য জ্ঞান,

না অপচয়, না কৃপণ—মাঝারি মান।

আল্লাহ ছাড়া ডাকে না আর কাউকে,

তাওহীদের পতাকা উঁচু বুকে।

নাফস হত্যা নয়, অন্যায় নয় কাজ,

ব্যভিচার থেকে দূরে—পবিত্র সমাজ।

ভুলে পড়িলে তাওবায় ফিরে আসে,

সৎকাজে ধুয়ে নেয় জীবনের পাশে।

মিথ্যার সাক্ষ্য দেয় না তারা কভু,

অনর্থক পথে চলে না নির্লজ্জ হভু।

আয়াত স্মরণে জাগে অন্তর-চোখ,

অন্ধ-বধির নয়—হিদায়াতের লোক।

দোয়া ওঠে গভীর রাতের তলে,

স্ত্রী-সন্তান দাও রব, চোখ শীতল বলে।

আর করো আমাদের মুত্তাকীর পথ,

নেতৃত্বে রাখো সত্য, দাও দৃঢ় শপথ।

সবরের পুরস্কার সুউচ্চ জান্নাত,

সালাম-অভিবাদনে ভরা সে বাসাত।

চিরস্থায়ী আবাস, শান্তির ধারা,

এই তো পরিণাম—রহমানের বান্দারা।

রহমানের বান্দা—নম্র, স্থির,

জান্নাত তাদের চূড়ান্ত নীর।

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ