প্রভাষক
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৭:৩০ অপরাহ্ণ
ক্লাউড কম্পিউটিং - ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার, স্টোরেজ, ডাটাবেস, নেটওয়ার্কিং, সফটওয়্যার ইত্যাদি ব্যবহার
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার, স্টোরেজ, ডাটাবেস, নেটওয়ার্কিং, সফটওয়্যার ইত্যাদি কম্পিউটিং রিসোর্সগুলো অন-ডিমান্ড বা চাহিবা মাত্র ব্যবহারের সুবিধা।
নিজস্ব হার্ডওয়্যার বা ডেটা সেন্টার না রেখে, ক্লাউড প্রোভাইডারদের (যেমন- AWS, Google Cloud, Azure) থেকে ভাড়ায় এসব সেবা নিয়ে, শুধুমাত্র ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে (pay-as-you-go) খরচ পরিশোধ করাই এর মূল ধারণা।
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বিস্তারিত বিবরণ:
প্রধান ধরণ (Service Models): ক্লাউড কম্পিউটিং মূলত তিনটি প্রধান মডেলে কাজ করে :
SaaS (Software as a Service): ইন্টারনেট ব্যবহার করে সরাসরি সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা। যেমন- গুগল ড্রাইভ, ড্রপবক্স।
PaaS (Platform as a Service): ডেভেলপারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও টেস্ট করার প্ল্যাটফর্ম দেওয়া হয়, যেমন- হারোকু (Heroku)।
IaaS (Infrastructure as a Service): ভার্চুয়াল সার্ভার ও স্টোরেজের মত অবকাঠামো ভাড়া নেওয়া, যেমন- Amazon Web Services (AWS)।
ক্লাউড প্রকারভেদ (Deployment Models):
পাবলিক ক্লাউড: ইন্টারনেটের মাধ্যমে সবার জন্য উন্মুক্ত (যেমন- AWS, Google Cloud)।
প্রাইভেট ক্লাউড: নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত।
হাইব্রিড ক্লাউড: পাবলিক ও প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
সুবিধাসমূহ:
খরচ সাশ্রয়: নিজস্ব ডেটা সেন্টার স্থাপনের বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন হয় না।
স্ক্যালেবিলিটি (Scalability): প্রয়োজন অনুযায়ী খুব দ্রুত রিসোর্স বাড়ানো বা কমানো যায় [৭]।
সহজ অ্যাক্সেস: ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকে তথ্য ব্যবহার করা যায়।
নিরাপত্তা ও দুর্যোগ পুনরুদ্ধার: তথ্য নিরাপদ রাখে এবং ব্যাকআপ সুবিধা প্রদান করে।
ব্যবহার: ডেটা স্টোরেজ, অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, বিগ ডেটা অ্যানালিটিক্স এবং ফাইল শেয়ারিং-এ এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
সহজ কথায়, নিজস্ব কম্পিউটার বা সার্ভারের বদলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরের কোনো শক্তিশালী সার্ভার ব্যবহারের সুবিধাই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।
১
২ মন্তব্য