সহকারী অধ্যাপক
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ণ
দ্বন্দের অবসান দাও প্রভু - মোঃ মুজিবুর রহমান
|
|
দ্বন্দের অবসান দাও প্রভু
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক,
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
(ভাঙুক বিভেদ, জাগুক ভালোবাসার দাহ।)
স্বামী–স্ত্রীর ঘরে ফিরুক শান্তির আলো,
রাগ-অভিমান গলে হোক বিশ্বাসের আলো ।
শাশুড়ি–পুত্রবধূর মনে নরম হোক সুর,
মমতার ভাষায় ভাঙুক ভুলের প্রাচীর দূর।
চাচা–ভাতিজা, ভাইয়ে–ভাইয়ে মিলুক প্রাণ,
রক্তের বন্ধন হোক রহমতের গান।
মা–কন্যার চোখে হাসি, পিতা–পুত্রে গর্ব,
ক্ষমার স্পর্শে ঝরে যাক কঠিনতার ধ্বংস-শব্দ।
বাড়ি–বাড়িতে ফিরুক সালামের ধারা,
প্রতিবেশী–প্রতিবেশীতে মুছে যাক দূরত্বের কারা।
হিংসা, অহংকার, কটুবাক্যের বিষ,
ধুয়ে দাও প্রভু—করো হৃদয় নিঃশ্বাসে পবিত্র নিঃশ্চিত।
আমাদের জিহ্বায় দাও কোমলতা ও সংযম,
হাতে দাও ন্যায়ের শক্তি, মনে দাও মমতা-ধর্ম।
ভুলে গেলে ক্ষমা, রাগে গেলে স্মরণ,
তোমার নামেই ফিরুক ভাঙা সম্পর্কের বন্ধন।
হে আল্লাহ, ঘরে ঘরে নামুক সাকিনা-শান্তি,
দ্বন্দের অন্ধকারে জ্বালাও ঐক্যের কান্তি।
আজ এই প্রার্থনা—কবিতার অর্ঘ্য লও,
সব দ্বন্দের অবসান দাও, প্রভু—সব দ্বন্দের অবসান দাও।
****
স্বামী–স্ত্রীর মাঝে নামুক বিশ্বাসের নূর,
রাগ-অভিমান ঝরে যাক, প্রেম হোক দৃঢ় ও দূর।
শাশুড়ি–পুত্রবধূর মনে মমতার ভাষা,
ভুলের দেয়াল ভাঙুক আজ, সহনশীলতার আশা।
চাচা–ভাতিজা, ভাইয়ে–ভাইয়ে মিলুক হাত,
রক্তের বন্ধনে ফিরুক ক্ষমার প্রভাত।
মা–কন্যার বুকে হাসি, পিতা–পুত্রে মান,
শাসনে থাকুক স্নেহ, স্নেহে থাকুক সম্মান।
বাড়ি–বাড়িতে ফিরুক সালামের ধারা,
প্রতিবেশী–প্রতিবেশীতে ভাঙুক দূরত্বের কারা।
কটু কথা, অহংকার, হিংসার কালো ছায়া,
ধুয়ে দাও প্রভু—হোক হৃদয় স্বচ্ছ, ন্যায়-ছায়া।
আমাদের জিহ্বায় দাও সংযমের জ্যোতি,
হাতে দাও ন্যায়ের শক্তি, মনে দাও বিনয়-প্রীতি।
ভুলে গেলে ক্ষমা দাও, রাগে দিলে স্মরণ,
তোমার নামে জুড়ুক ভাঙা সম্পর্কের বন্ধন।
হে পরম করুণাময়, নামাও সাকিনা-শান্তি,
দ্বন্দের অরণ্যে জ্বালাও ঐক্যের কান্তি।
এই প্রার্থনা লও—অশ্রু ও কলমের সুর,
সহ সকল দ্বন্দের অবসান দাও, প্রভু আল্লাহ—অবিরাম, নিরন্তর।
***
স্বামী–স্ত্রীর ঘরে নামুক বিশ্বাসের নূর,
রাগ-অভিমান গলে যাক, প্রেম হোক স্থির ও দূর।
শাশুড়ি–পুত্রবধূর মনে মমতার সুর,
কঠিন কথার ধুলো মুছুক ধৈর্যের নূপুর।
চাচা–ভাতিজা মিলুক হাতে, মিলুক মন,
রক্তের বন্ধন জাগুক ক্ষমার বাণী-ধ্বনন।
ভাইয়ে–ভাইয়ে দূর হোক ঈর্ষার জ্বালা,
একতার আলোয় ভরে উঠুক পরিবারের থালা।
মা–কন্যার চোখে হাসি, পিতা–পুত্রে মান,
শাসনে থাকুক স্নেহ, স্নেহে থাকুক সম্মান।
ভুলে গেলে ক্ষমা দাও, রাগে দিলে বোধ,
তোমার স্মরণে নরম হোক কঠিন সব রোধ।
বাড়ি–বাড়িতে ফিরুক সালামের ধারা,
প্রতিবেশী–প্রতিবেশীতে ভাঙুক দূরত্বের কারা।
কটু বাক্য, অহংকার, হিংসার কালো ধোঁয়া,
ধুয়ে দাও প্রভু—হোক হৃদয় স্বচ্ছ ধোয়া।
আমাদের জিহ্বায় দাও সংযমের ভাষা,
হাতে দাও ন্যায়ের শক্তি, মনে দাও ভালোবাসা।
হে পরম করুণাময়, নামাও সাকিনা-শান্তি,
দ্বন্দের মরুতে জ্বালাও ঐক্যের কান্তি।
এই কাব্য-দোয়া নাও, অশ্রু-কলমে আঁকা,
সহ সকল দ্বন্দের অবসান দাও, প্রভু—আজ, আগামীর পথে রাখা।
***
হে পরম করুণাময়, হে শান্তির অধিপতি,
মানুষের অন্তরে তুমি ঢেলে দাও সাকিনা-দ্যুতি।
ভাঙা হৃদয়, কাঁপা সম্পর্ক—সবই তো জানো তুমি,
অশান্তির ধুলো মুছে দাও, জাগাও মিলনের ভূমি।
স্বামী–স্ত্রীর মাঝে যদি জমে থাকে অভিমান,
একটি কথার ধারেই ভাঙে বহুদিনের মান,
তুমি দাও সহনশীলতা, দাও নীরবতার জ্ঞান,
ভালোবাসার আলোয় ভিজুক দাম্পত্যের উঠান।
শাশুড়ি–পুত্রবধূর মনে ভুল বোঝার জাল,
তুচ্ছ কথায় হয় বিভেদ, জমে ওঠে কালো ঢাল—
হে রব, মমতার ভাষা দাও, দাও সম্মানের দৃষ্টি,
এক ঘরের দুই হৃদয়ে ফিরুক আত্মীয়তার সৃষ্টি।
চাচা–ভাতিজা, রক্তের দাবি, তবু কেন দূরত্ব?
সম্পদের মোহে হারায় কত আপন সম্পর্কত্ব।
তুমি দাও ইনসাফের বোধ, দাও আত্মার আলো,
রক্তের বন্ধন যেন হয় রহমতে আরও ভালো।
ভাই–ভাইয়ের মাঝে যদি জ্বলে ঈর্ষার আগুন,
একই ছায়ায় বড় হয়ে ভুলে যায় আপন গুণ—
হে আল্লাহ, ভ্রাতৃত্বে ফিরুক ক্ষমার ঐক্য,
একতার হাতে গড়ে উঠুক ভাঙা জীবনের নৈক্য।
মা–কন্যার মাঝে জমে থাকা নীরব অভিমান,
না বলা কথায় ভারী হয় মমতার আকাশ-মান।
পিতা–পুত্রের মাঝে যদি কঠিন হয় ভাষা,
শাসনের আড়ালে হারায় স্নেহের প্রকাশা—
তুমি দাও হৃদয়ের ভাষা, দাও বোঝাপড়ার সেতু,
যাতে প্রজন্মে প্রজন্মে বয়ে যায় সম্মানের ঋতু।
বাড়ি–বাড়িতে দ্বন্দের আগুন, ছোট কথায় বড় ক্ষত,
এক দেয়ালের ভেতরেও কেন এত বৈরিতার পথ?
হে রব, আমাদের ঘরে নামাও শান্তির ধারা,
এক উঠোনে বহু মন—হোক ভালোবাসার তারা।
প্রতিবেশী–প্রতিবেশীতে সন্দেহের কুয়াশা,
সালামের বদলে ছড়ায় কটু কথার ভাষা—
তুমি দাও উদারতা, দাও ভ্রাতৃত্বের চোখ,
পাশের ঘরটিও যেন হয় নিরাপত্তার লোক।
হিংসা, অহংকার, রাগ—এই তিন বিষের ফাঁদ,
মানুষকে মানুষ থেকে করে প্রতিদিনই বাদ।
হে আল্লাহ, এগুলো থেকে করো আমাদের মুক্ত,
যেন জিহ্বা হয় সংযত, হৃদয় হয় বিশুদ্ধ।
আমাদের কথায় থাকুক ন্যায়, কাজে থাকুক সত্য,
ভুল দেখলে সংশোধন, প্রতিশোধে নয় অটলত্ব।
ক্ষমা যেন হয় শক্তি, দুর্বলতার নয় চিহ্ন,
তোমার সন্তুষ্টিতেই হোক আমাদের সব সিদ্ধান্ত-লিপি।
হে রব্বুল আলামিন, এই পৃথিবীর পথে পথে,
ভেঙে যাক সব দ্বন্দ, জাগুক ঐক্য এক সাথে।
পরিবার থেকে সমাজ, সমাজ থেকে রাষ্ট্র,
শান্তির আলো ছড়াক সর্বত্র—হোক অশান্তি নষ্ট।
এই বিশাল কাব্য-দোয়া, অশ্রু ও বিশ্বাসে ভরা,
গ্রহণ করো, প্রভু—আমরা তো কেবলই তোমার ভিখারি সুরা।
স্বামী-স্ত্রী, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও জনসাধারণ—
সহ সকল দ্বন্দের অবসান দাও, হে প্রভু আল্লাহ, চিরকাল, নিরন্তরণ।
—
দ্বন্দের অবসান দাও, প্রভু আল্লাহ,
ভাঙুক সব বিরোধ, জাগুক হৃদয়ের আলো।
স্বামী–স্ত্রী, শাশুড়ি–পুত্রবধূ—সব ঘরে ঘরে,
নামুক শান্তির নূর, মুছুক কলহের কালো ছায়া।
চাচা–ভাতিজা, ভাইয়ে–ভাইয়ে মিলুক হাত,
রক্তের বন্ধনে ফিরুক ভালোবাসার প্রভাত।
মা–কন্যার চোখে হাসি, পিতা–পুত্রে মান,
শাসনে থাকুক মমতা, স্নেহে থাকুক সম্মান।
বাড়ি–বাড়িতে ফিরুক সালামের ধারা,
প্রতিবেশী–প্রতিবেশীতে ভাঙুক দূরত্বের কারা।
কটু বাক্য, অহংকার, হিংসার বিষ-বাণ,
ধুয়ে দাও প্রভু—হোক হৃদয় পবিত্র, প্রশান্ত।
আমাদের জিহ্বায় দাও সংযমের ভাষা,
হাতে দাও ন্যায়ের শক্তি, মনে দাও ভালোবাসা।
ভুলে গেলে ক্ষমা দাও, রাগে দিলে বোধ,
তোমার স্মরণে নরম হোক কঠিন সব রোধ।
হে পরম করুণাময়, নামাও সাকিনা-শান্তি,
দ্বন্দের অরণ্যে জ্বালাও ঐক্যের কান্তি।
পরিবার থেকে সমাজ, সমাজ থেকে বিশ্ব-ঘর,
এক হৃদয়ে বাঁধা পড়ুক মানুষ-মানুষের পর।
আজ এই প্রার্থনা—কবিতার অর্ঘ্য লও,
দ্বন্দের অবসান দাও প্রভু আল্লাহ,
অতঃপর হয়ে যাক পৃথিবীটা—একটি পরিবার পুরো।
দ্বন্দের অবসান দাও, প্রভু আল্লাহ,
ভাঙুক সব বিরোধ, জাগুক হৃদয়ের সকাল।
স্বামী–স্ত্রীর মাঝে ফিরুক বিশ্বাসের নূর,
রাগ-অভিমান ঝরে যাক, প্রেম হোক স্থির ও দূর।
শাশুড়ি–পুত্রবধূর মনে মমতার ভাষা,
এক ঘরের দুই হৃদয়ে জাগুক সম্মানের আশা।
চাচা–ভাতিজা, ভাইয়ে–ভাইয়ে মিলুক হাত,
রক্তের বন্ধনে ফিরুক ক্ষমার প্রভাত।
মা–কন্যার চোখে হাসি, পিতা–পুত্রে মান,
শাসনে থাকুক স্নেহ, স্নেহে থাকুক সম্মান।
বাড়ি–বাড়িতে ফিরুক সালামের ধারা,
প্রতিবেশী–প্রতিবেশীতে ভাঙুক দূরত্বের কারা।
কটু বাক্য, অহংকার, হিংসার কালো ঢেউ,
ধুয়ে দাও প্রভু—হোক হৃদয় নির্মল ও নৈপুণ্যে নেউ।
আমাদের কথায় দাও সংযম, কাজে দাও ন্যায়,
ভুলে গেলে ক্ষমা দাও, হিংসা দিও না ঠাঁই।
হে করুণাময়, নামাও সাকিনা-শান্তি,
দ্বন্দের অরণ্যে জ্বালাও ঐক্যের কান্তি।
পরিবার থেকে সমাজ, সমাজ থেকে বিশ্ব-ঘর,
মানুষে মানুষে বাঁধুক মমতার দৃঢ় সেতু পর।
ভাষা, রং, দেশ, মত—ভেদ মুছে যাক সবে,
ভালোবাসার এক নামে জাগুক পৃথিবী সবখানে।
এই কাব্য-প্রার্থনা নাও, অশ্রু-কলমে ভরা,
সহ সকল দ্বন্দের অবসান দাও, প্রভু আল্লাহ—
অতঃপর পৃথিবী হোক এক পরিবার, যার নাম “বিশ্ব পরিবার” সারা।
১৫
২৫ মন্তব্য