Loading..

ব্লগ

রিসেট

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৮:১৭ পূর্বাহ্ণ

শিশু থেকেই শিখর - মোঃ মুজিবুর রহমান

শিশু থেকেই শিখর

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক,

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

শিশু যদি পায় মমতার ছায়া, সঠিক যত্নের আলোকধারা,

পিতা-মাতার স্নেহ–শাসনে গড়ে ওঠে নৈতিক সাহারা।

ভদ্র সভ্য বংশের মাঝে, আদব-কায়দা শিখে নেয়,

সম্মান, সততা, দায়িত্ববোধ—রক্তে-মগজে বেঁধে দেয়।

পিতা-মাতা যদি হন দৃঢ়, আদর্শের জীবন্ত পাঠ,

কথায়-কাজে মিল থাকিলে—শিশু পায় সত্যের স্বাদ।

ঘরে ঘরে যদি থাকে শৃঙ্খলা, ন্যায় ও বিশ্বাসের দীপ,

সেই ঘর থেকেই জ্বলে ওঠে ভবিষ্যতের উজ্জ্বল শিখর-চীপ।

পরিবার যদি হয় নিরাপদ, মমতাময় ও সুশীল,

সমাজ যদি দেয় সুবিচার, সহমর্মিতা ও সুশীল।

রাষ্ট্র যদি গড়ে পরিবেশ—শিক্ষা, ন্যায় ও মর্যাদা,

তবে মানুষ হয় দৃঢ় চরিত্র, হয় উন্নতির প্রহরী সদা।

শিশু আজকের—নেতা আগামী, এই সত্য ভুলিবার নয়,

বীজ যেমন হয় যত্নে সিঞ্চিত, ফল তেমনি মধুময় হয়।

ব্যক্তি গড়ে পরিবারে, পরিবারে সমাজের প্রাণ,

সমাজ গড়েই রাষ্ট্র উঠে পায় উন্নতির সম্মান।

অতএব চলো আমরা সবাই, দায়িত্ব নিই দৃঢ় স্বরে—

শিশুর তরে শুদ্ধ পরিবেশ গড়ি ঘরে ও ঘরে।

তবেই ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র—পাবে উন্নতির শিখর,

ইনশাআল্লাহ, আলোর পথে চলবে ভবিষ্যৎ প্রহর।

 ***

শিশু কেবল নয় অবুঝ প্রাণ, নয় কেবল কচি কলি,

তার বুকে লুকায় ভবিষ্যতের মহা ইতিহাস-দলিলখানি খোলা চলি।

আজ যে শিশু মায়ের কোলে, পিতার বুকে নিশ্চিন্ত ঘুমায়,

আগামীর সে দিশারী হয়ে সভ্যতার মানচিত্র আঁকায়।

যদি পায় সে সঠিক যত্ন, টেক কেয়ার স্নেহের ছায়া,

শৃঙ্খলার আলো, নৈতিক বল—সত্যের নির্মল মায়া,

তবে তার চোখে জ্বলে ওঠে দায়িত্বের দীপ্ত শিখা,

মানবতার মন্ত্রে জাগে তার অদম্য শক্তি-দীক্ষা।

পিতা যদি হন ন্যায়বান, কর্মে-কথায় সমান দৃঢ়,

মাতা যদি হন করুণাধারা, চরিত্রে শুচি, অন্তরে শুদ্ধ,

তবে সেই ঘর হয় প্রথম বিদ্যালয়, প্রথম নৈতিক পাঠ,

সেখানে শেখে শিশু সত্য, শিখে মমতা, শিখে প্রভাত।

ভদ্র-সভ্য বংশের ধারা কেবল রক্তে নয় গাঁথা,

আচরণে তার পরিচয়, ব্যবহারে তার কথা।

সম্মান দিতে শেখে যে ঘরে, বড়কে করে মান,

ছোটকে দেয় স্নেহের স্পর্শ—সেই ঘরেই মানব জ্ঞান।

অশ্লীলতা নয়, অহংকার নয়, নয় বিভেদের বাণ,

ঐক্যের শিক্ষা, নম্রতার শপথ—সেই ঘরেই মহান।

শিশু তখন গড়ে ওঠে দৃঢ়, আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান,

তার হৃদয়ে জাগে প্রতিজ্ঞা—“মানব হবো মহান।”

পরিবার যদি হয় নিরাপদ, সহমর্মিতার নীড়,

ঝড় এলে দেয় সাহস-ঢাল, বিপদে করে স্থির।

সেখানে নেই হিংসার ভাষা, নেই অপমানের ক্ষত,

সেখানে থাকে আলো-আশা, থাকে আস্থার রথ।

শিশু দেখে পিতা-মাতার পারস্পরিক সম্মান,

দায়িত্বে একে অন্যের পাশে—বন্ধন হয় অটুট প্রাণ।

সেই দৃশ্য তার চেতনায় গাঁথে আদর্শের রেখা,

ভবিষ্যতের সমাজগঠনে সে হয় শক্তি-স্রোতের দেখা।

সমাজ যদি দেয় সহযোগিতা, ন্যায়বোধের ছায়া,

সৎকর্মে করে উৎসাহ, মন্দে দেয় সংশোধন-মায়া,

তবে শিশুর পথ হয় মসৃণ, স্বপ্ন পায় ডানা,

মানবতার মহাসড়কে সে এগোয় দৃপ্ত গানা।

শিক্ষালয়ে যদি থাকে জ্ঞান ও নৈতিকতার মেল,

শিক্ষক যদি হন আলোকদূত, চরিত্রে অনুপম খেল,

বন্ধু যদি হয় শুভপথের সহযাত্রী সাথী,

তবে গড়ে ওঠে প্রজন্ম এক—শক্তিতে অপরাজিত গাথি।

রাষ্ট্র যদি গড়ে সুবিচারের সুদৃঢ় আইন-কাঠামো,

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তায় দেয় সমান অধিকার-থামো,

দুর্নীতি নয়, শোষণ নয়, থাকে স্বচ্ছতার মান,

তবে নাগরিক হয় সৎ, শ্রমে গড়ে সোনার প্রাণ।

অধিকার ও কর্তব্য—দুইয়ের সমতা যখন রয়,

রাষ্ট্র তখন উন্নতির সোপান দৃঢ় ভিত্তিতে গড়ায়।

শিশু তখন নাগরিক হয়ে দায়িত্ব নেয় কাঁধে,

দেশপ্রেমে জ্বলে ওঠে দীপ অটল বিশ্বাসে বাঁধে।

ব্যক্তি গড়ে পরিবারে, পরিবারে সমাজের বল,

সমাজ গড়ে রাষ্ট্রের ভিত্তি—উন্নতির অমল ফল।

বীজে যদি থাকে শক্তি, সিঞ্চনে থাকে যত্ন,

তবে অরণ্যে হয় মহীরুহ, ছায়া দেয় অনন্ত।

আজকের শিশুই আগামীর রাষ্ট্রনায়ক, বিজ্ঞানী, কবি,

আজকের শিক্ষাই গড়বে তার চিন্তা, আদর্শ, নবী।

তাই বলি—শিশুর যত্নে অবহেলা নয় এক কণা,

এইখানেই লুকায় জাতির ভবিষ্যৎ সোনার বীজ-গাঁথা রচনা।

চলো গড়ি ঘরে ঘরে নৈতিকতার অটল দুর্গ,

শিশুর মনে জ্বালাই সত্যের প্রভাত-সূর্যের রূদ্র।

পিতা-মাতা, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র—এক সুরে বলি,

মানবতার উচ্চ শিখরে উঠুক আগামী প্রজন্ম চলি।

ইনশাআল্লাহ, এই প্রতিজ্ঞা রাখি অন্তরে লিখে,

শিশুর সঠিক টেক কেয়ারে গড়ি বিশ্ব উন্নতির শিখে।

ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র তখন উঠবে উচ্চ শিখর-পানে,

আলোকিত ভবিষ্যৎ ফুটবে মানবতার মহান গানে।

***

শিশু নয় কেবল শিশু, ভবিষ্যৎ জাতির বীজ,

আজকের লালনেই লেখা আগামী দিনের রীজ।

মমতার যত্নে গড়া চরিত্র হয় মহান,

অবহেলায় ভাঙে স্বপ্ন, হারায় আলোর প্রাণ।

পিতা যদি ন্যায়পথে দৃঢ় থাকে অবিচল,

মাতা যদি স্নেহে গড়ে চরিত্রের বল,

শিশু শেখে সত্য কথা, শেখে দায়িত্ববোধ,

জীবনের প্রতিটি পথে পায় নৈতিক সোধ।

সভ্য ভদ্র পরিবারে আদব হয় শিক্ষা,

কথায় কাজে শালীনতা—এই তার দীক্ষা।

সম্মান দিতে শিখে আগে, নিতে পরে জানে,

এই সন্তানই আলো জ্বালে জাতির ভবিষ্যৎ প্রাণে।

পরিবার যদি হয় শান্ত, শৃঙ্খলার ঘর,

ভালোবাসা হয় নিয়ম, ন্যায় হয় অন্তর,

সেই ঘর থেকে উঠে আসে দৃঢ় মানুষগণ,

যারা ভাঙে অন্যায় দেয়াল, গড়ে নতুন মন।

কলহ নয়, কটু বাক্য নয়, নয় অবমান,

সংলাপে মেটে মতভেদ, থাকে সহনশীল প্রাণ।

এমন ঘরে মানুষ গড়ে শক্ত মেরুদণ্ড,

ঝড়ে-ঝঞ্ঝায় টলে না সে, থাকে দৃঢ় দৃঢ়বন্ধ।

সমাজ যদি দেয় সহায়, দেয় সৎ পরিবেশ,

ভালোর সাথে প্রতিযোগিতা হয় বিশেষ,

শিশু পায় পথের দিশা, পায় সঠিক মান,

অপরাধে নয়, সে এগোয় সেবার অভিযানে।

শিক্ষালয় হয় জ্ঞানের দীপ, নীতির আঙিনা,

শিক্ষক হন চরিত্রবান, হৃদয়হীনা না।

বন্ধু হয় উন্নতির সাথী, নয় অবক্ষয়,

তখন সমাজে জন্ম নেয় আলোকিত সময়।

রাষ্ট্র যদি ন্যায় দাঁড়ায় সকলের পাশে,

শিক্ষা-স্বাস্থ্যে সমান সুযোগ দেয় বিশ্বাসে,

আইনের শাসন থাকে যদি সবার উপরে,

তবে নাগরিক গড়ে ওঠে দায়িত্বের ঘরে।

দুর্নীতি নয়, বৈষম্য নয়, স্বচ্ছ হয় পথ,

পরিশ্রমে মর্যাদা পায় শ্রমিকের রথ।

এই রাষ্ট্রে শিশু তখন স্বপ্ন দেখে বড়,

দেশের তরে জীবন দিতে হয় সে প্রস্তুততর।

ব্যক্তি গড়ে পরিবারে—এই সত্য জানো,

পরিবারে সমাজ গড়ে, রাষ্ট্র তার মানো।

মূল যদি হয় মজবুত, বৃক্ষ উঠে চির,

জাতি তখন পৌঁছে যায় উন্নতির শিখর।

আজকের শিশুই আগামীর নেতা, জ্ঞানী, বীর,

আজকের যত্নেই গড়া আগামী দিনের নীর।

তাই বলি—শিশু গড়ায় দাও সর্বোচ্চ স্থান,

এখানেই নিহিত জাতির সম্মান ও প্রাণ।

চলো আমরা শপথ নিই বিবেকের তরে,

শিশুর সঠিক টেক কেয়ার দিই ঘরে ও ঘরে।

পিতা-মাতা, সমাজ, রাষ্ট্র—এক হয়ে দাঁড়াই,

মানবতার মহাশিখরে জাতি তুলে ধরি তাই।

ইনশাআল্লাহ, এই পথেই আসবে সাফল্য,

আলোর পৃথিবী গড়বে মানবতার বল্য।

ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র হবে সমুজ্জ্বল,

শিশু গড়লেই গড়ে ওঠে ভবিষ্যৎ নির্মল।

 ***

শিশু নয় ক্ষুদ্র কণা, সে ইতিহাসের বীজ,

তার মাঝে নিহিত থাকে সভ্যতার তাজ রীজ।

আজ যে কচি হৃদয় গড়ে মমতার আলয়,

আগামীতে সেই হৃদয় গড়বে জাতির জয়।

যত্নে যদি বীজ বোনা হয় নীতির উর্বর ঘরে,

অবহেলায় অঙ্কুর মরে অন্ধকারের তরে।

এই সত্য জানে যুগ যুগ, জানে কালের ধারা,

শিশু গড়াই ভবিষ্যতের প্রথম ইশতেহারা।

পিতা যদি ন্যায়পথে থাকে অবিচল প্রাণ,

মাতা যদি স্নেহে গড়ে চরিত্রের মহান,

তবে সেই ঘর হয় শিক্ষা, হয় প্রথম পাঠ,

সেখানে শিশু শিখে নেয় জীবনের সঠিক গাথা।

কথায় কাজে মিল থাকিলে আদর্শ হয় দৃঢ়,

শাসনে থাকে মমতা, স্নেহে থাকে শুদ্ধ নীর।

ভদ্র সভ্য পরিবারে আদব হয় রক্ত,

সেই সন্তান হয় আগামীর ন্যায়-নীতির শক্ত।

পরিবার যদি হয় শান্ত, শৃঙ্খলার ঘর,

ভালবাসা হয় নিয়ম, ন্যায় হয় অন্তর।

কলহ নয়, কটু বাক্য নয়, নয় অবমান,

সম্মানে গড়া সম্পর্ক রাখে দৃঢ় প্রাণ।

এই ঘর থেকেই উঠে আসে সাহসী মানব,

যে অন্যায়ে মাথা নত না, থাকে দৃঢ় অবলম্ব।

পরিবারই প্রথম দুর্গ, প্রথম প্রতিরোধ,

এখানেই গড়ে ওঠে নৈতিক বোধ।

সমাজ যদি দেয় সহযোগ, দেয় সৎ পরিবেশ,

ভাল কাজে প্রতিযোগিতা হয় বিশেষ,

শিশু তখন পায় দিশা, পায় উন্নতির পথ,

অপরাধে নয়—সে এগোয় সেবার রথ।

শিক্ষালয় হয় জ্ঞানের দীপ, নীতির আশ্রয়,

শিক্ষক হন চরিত্রবান, বিবেকের সহায়।

বন্ধু হয় শুভপথের সাথী নির্ভরযোগ্য,

সমাজ তখন গড়ে তোলে প্রজন্ম আলোকযোগ্য।

রাষ্ট্র যদি ন্যায় দাঁড়ায় সকলের পাশে,

আইনের শাসন থাকে সত্যের বিশ্বাসে,

শিক্ষা-স্বাস্থ্যে সমতা, মর্যাদা শ্রমে,

তবে নাগরিক গড়ে ওঠে দায়িত্বের ভ্রমে।

দুর্নীতি নয়, বৈষম্য নয়, স্বচ্ছ হয় পথ,

সত্যের উপরে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র হয় বলিষ্ঠ রথ।

এই রাষ্ট্রে শিশু তখন স্বপ্ন দেখে বড়,

দেশের তরে জীবন দিতে হয় সে প্রস্তুততর।

ব্যক্তি গড়ে পরিবারে—এই সত্য অটল,

পরিবারে সমাজ গড়ে, রাষ্ট্র তার ফল।

মূল যদি হয় মজবুত, বৃক্ষ ওঠে চির,

জাতি তখন পৌঁছে যায় উন্নতির শিখর।

একটি শিশুর সঠিক যত্ন বদলায় কালের গতি,

একটি ভ্রান্ত লালন ডাকে প্রজন্মের ক্ষতি।

তাই অবহেলা নয়, নয় দায়িত্বহীনতা,

শিশু গড়াই জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ-নীতি কথা।

চলো আমরা শপথ নিই বিবেকের তরে,

শিশুর সঠিক টেক কেয়ার দিই ঘরে ও ঘরে।

পিতা-মাতা, সমাজ, রাষ্ট্র—এক কণ্ঠে বলি,

মানবতার শিখরে তুলব আগামী প্রজন্ম চলি।

আজকের এই অঙ্গীকার ইতিহাস লিখবে কাল,

নৈতিকতায় গড়া জাতি হবে অটুট, অমল।

আলোর পথে চলবে দেশ দৃঢ় বিশ্বাসে ভর,

শিশু গড়লেই গড়ে ওঠে উন্নত মানবঘর।

ইনশাআল্লাহ—এই পথেই আসবে মুক্তি,

শিশু যত্নে গড়বে জাতির প্রকৃত শক্তি।

ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র হবে সমুজ্জ্বল,

আদর্শে গড়া ভবিষ্যৎ হবে চির নির্মল।

 ***

শিশু থেকেই শিখর

শিশু যদি পায় মমতার ছায়া, সঠিক যত্নের আলোকধারা,

পিতা-মাতার স্নেহ–শাসনে গড়ে ওঠে নৈতিক সাহারা।

ভদ্র সভ্য বংশের মাঝে, আদব-কায়দা শিখে নেয়,

সম্মান, সততা, দায়িত্ববোধ—রক্তে-মগজে বেঁধে দেয়।

পিতা-মাতা যদি হন দৃঢ়, আদর্শের জীবন্ত পাঠ,

কথায়-কাজে মিল থাকিলে—শিশু পায় সত্যের স্বাদ।

ঘরে ঘরে যদি থাকে শৃঙ্খলা, ন্যায় ও বিশ্বাসের দীপ,

সেই ঘর থেকেই জ্বলে ওঠে ভবিষ্যতের উজ্জ্বল শিখর-চীপ।

পরিবার যদি হয় নিরাপদ, মমতাময় ও সুশীল,

সমাজ যদি দেয় সুবিচার, সহমর্মিতা ও সুশীল।

রাষ্ট্র যদি গড়ে পরিবেশ—শিক্ষা, ন্যায় ও মর্যাদা,

তবে মানুষ হয় দৃঢ় চরিত্র, হয় উন্নতির প্রহরী সদা।

শিশু আজকের—নেতা আগামী, এই সত্য ভুলিবার নয়,

বীজ যেমন হয় যত্নে সিঞ্চিত, ফল তেমনি মধুময় হয়।

ব্যক্তি গড়ে পরিবারে, পরিবারে সমাজের প্রাণ,

সমাজ গড়েই রাষ্ট্র উঠে পায় উন্নতির সম্মান।

অতএব চলো আমরা সবাই, দায়িত্ব নিই দৃঢ় স্বরে—

শিশুর তরে শুদ্ধ পরিবেশ গড়ি ঘরে ও ঘরে।

তবেই ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র—পাবে উন্নতির শিখর,

ইনশাআল্লাহ, আলোর পথে চলবে ভবিষ্যৎ প্রহর।

***

শিশু থেকেই শিখর

শিশু যদি পায় মমতার ছায়া, সঠিক যত্নের আলোকধারা,

পিতা-মাতার স্নেহ–শাসনে গড়ে ওঠে নৈতিক সাহারা।

ভদ্র সভ্য বংশের মাঝে, আদব-কায়দা শিখে নেয়,

সম্মান, সততা, দায়িত্ববোধ—রক্তে-মগজে বেঁধে দেয়।

পিতা-মাতা যদি হন দৃঢ়, আদর্শের জীবন্ত পাঠ,

কথায়-কাজে মিল থাকিলে—শিশু পায় সত্যের স্বাদ।

ঘরে ঘরে যদি থাকে শৃঙ্খলা, ন্যায় ও বিশ্বাসের দীপ,

সেই ঘর থেকেই জ্বলে ওঠে ভবিষ্যতের উজ্জ্বল শিখর-চীপ।

পরিবার যদি হয় নিরাপদ, মমতাময় ও সুশীল,

সমাজ যদি দেয় সুবিচার, সহমর্মিতা ও সুশীল।

রাষ্ট্র যদি গড়ে পরিবেশ—শিক্ষা, ন্যায় ও মর্যাদা,

তবে মানুষ হয় দৃঢ় চরিত্র, হয় উন্নতির প্রহরী সদা।

শিশু আজকের—নেতা আগামী, এই সত্য ভুলিবার নয়,

বীজ যেমন হয় যত্নে সিঞ্চিত, ফল তেমনি মধুময় হয়।

ব্যক্তি গড়ে পরিবারে, পরিবারে সমাজের প্রাণ,

সমাজ গড়েই রাষ্ট্র উঠে পায় উন্নতির সম্মান।

অতএব চলো আমরা সবাই, দায়িত্ব নিই দৃঢ় স্বরে—

শিশুর তরে শুদ্ধ পরিবেশ গড়ি ঘরে ও ঘরে।

তবেই ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র—পাবে উন্নতির শিখর,

ইনশাআল্লাহ, আলোর পথে চলবে ভবিষ্যৎ প্রহর।

***

“শিশু থেকে শিখর   

শিশু কেবল নয় অবুঝ প্রাণ, নয় কেবল কচি কলি,

তার বুকে লুকায় ভবিষ্যতের মহা ইতিহাস-দলিলখানি খোলা চলি।

আজ যে শিশু মায়ের কোলে, পিতার বুকে নিশ্চিন্ত ঘুমায়,

আগামীর সে দিশারী হয়ে সভ্যতার মানচিত্র আঁকায়।

যদি পায় সে সঠিক যত্ন, টেক কেয়ার স্নেহের ছায়া,

শৃঙ্খলার আলো, নৈতিক বল—সত্যের নির্মল মায়া,

তবে তার চোখে জ্বলে ওঠে দায়িত্বের দীপ্ত শিখা,

মানবতার মন্ত্রে জাগে তার অদম্য শক্তি-দীক্ষা।

পিতা যদি হন ন্যায়বান, কর্মে-কথায় সমান দৃঢ়,

মাতা যদি হন করুণাধারা, চরিত্রে শুচি, অন্তরে শুদ্ধ,

তবে সেই ঘর হয় প্রথম বিদ্যালয়, প্রথম নৈতিক পাঠ,

সেখানে শেখে শিশু সত্য, শিখে মমতা, শিখে প্রভাত।

ভদ্র-সভ্য বংশের ধারা কেবল রক্তে নয় গাঁথা,

আচরণে তার পরিচয়, ব্যবহারে তার কথা।

সম্মান দিতে শেখে যে ঘরে, বড়কে করে মান,

ছোটকে দেয় স্নেহের স্পর্শ—সেই ঘরেই মানব জ্ঞান।

অশ্লীলতা নয়, অহংকার নয়, নয় বিভেদের বাণ,

ঐক্যের শিক্ষা, নম্রতার শপথ—সেই ঘরেই মহান।

শিশু তখন গড়ে ওঠে দৃঢ়, আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান,

তার হৃদয়ে জাগে প্রতিজ্ঞা—“মানব হবো মহান।”

পরিবার যদি হয় নিরাপদ, সহমর্মিতার নীড়,

ঝড় এলে দেয় সাহস-ঢাল, বিপদে করে স্থির।

সেখানে নেই হিংসার ভাষা, নেই অপমানের ক্ষত,

সেখানে থাকে আলো-আশা, থাকে আস্থার রথ।

শিশু দেখে পিতা-মাতার পারস্পরিক সম্মান,

দায়িত্বে একে অন্যের পাশে—বন্ধন হয় অটুট প্রাণ।

সেই দৃশ্য তার চেতনায় গাঁথে আদর্শের রেখা,

ভবিষ্যতের সমাজগঠনে সে হয় শক্তি-স্রোতের দেখা।

সমাজ যদি দেয় সহযোগিতা, ন্যায়বোধের ছায়া,

সৎকর্মে করে উৎসাহ, মন্দে দেয় সংশোধন-মায়া,

তবে শিশুর পথ হয় মসৃণ, স্বপ্ন পায় ডানা,

মানবতার মহাসড়কে সে এগোয় দৃপ্ত গানা।

শিক্ষালয়ে যদি থাকে জ্ঞান ও নৈতিকতার মেল,

শিক্ষক যদি হন আলোকদূত, চরিত্রে অনুপম খেল,

বন্ধু যদি হয় শুভপথের সহযাত্রী সাথী,

তবে গড়ে ওঠে প্রজন্ম এক—শক্তিতে অপরাজিত গাথি।

রাষ্ট্র যদি গড়ে সুবিচারের সুদৃঢ় আইন-কাঠামো,

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তায় দেয় সমান অধিকার-থামো,

দুর্নীতি নয়, শোষণ নয়, থাকে স্বচ্ছতার মান,

তবে নাগরিক হয় সৎ, শ্রমে গড়ে সোনার প্রাণ।

অধিকার ও কর্তব্য—দুইয়ের সমতা যখন রয়,

রাষ্ট্র তখন উন্নতির সোপান দৃঢ় ভিত্তিতে গড়ায়।

শিশু তখন নাগরিক হয়ে দায়িত্ব নেয় কাঁধে,

দেশপ্রেমে জ্বলে ওঠে দীপ অটল বিশ্বাসে বাঁধে।

ব্যক্তি গড়ে পরিবারে, পরিবারে সমাজের বল,

সমাজ গড়ে রাষ্ট্রের ভিত্তি—উন্নতির অমল ফল।

বীজে যদি থাকে শক্তি, সিঞ্চনে থাকে যত্ন,

তবে অরণ্যে হয় মহীরুহ, ছায়া দেয় অনন্ত।

আজকের শিশুই আগামীর রাষ্ট্রনায়ক, বিজ্ঞানী, কবি,

আজকের শিক্ষাই গড়বে তার চিন্তা, আদর্শ, নবী।

তাই বলি—শিশুর যত্নে অবহেলা নয় এক কণা,

এইখানেই লুকায় জাতির ভবিষ্যৎ সোনার বীজ-গাঁথা রচনা।

উপসংহার : ইনশাআল্লাহর অঙ্গীকার

চলো গড়ি ঘরে ঘরে নৈতিকতার অটল দুর্গ,

শিশুর মনে জ্বালাই সত্যের প্রভাত-সূর্যের রূদ্র।

পিতা-মাতা, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র—এক সুরে বলি,

মানবতার উচ্চ শিখরে উঠুক আগামী প্রজন্ম চলি।

ইনশাআল্লাহ, এই প্রতিজ্ঞা রাখি অন্তরে লিখে,

শিশুর সঠিক টেক কেয়ারে গড়ি বিশ্ব উন্নতির শিখে।

ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র তখন উঠবে উচ্চ শিখর-পানে,

আলোকিত ভবিষ্যৎ ফুটবে মানবতার মহান গানে।

***

শিশু থেকে শিখর

শিশু নয় কেবল শিশু, ভবিষ্যৎ জাতির বীজ,

আজকের লালনেই লেখা আগামী দিনের রীজ।

মমতার যত্নে গড়া চরিত্র হয় মহান,

অবহেলায় ভাঙে স্বপ্ন, হারায় আলোর প্রাণ।

পিতা যদি ন্যায়পথে দৃঢ় থাকে অবিচল,

মাতা যদি স্নেহে গড়ে চরিত্রের বল,

শিশু শেখে সত্য কথা, শেখে দায়িত্ববোধ,

জীবনের প্রতিটি পথে পায় নৈতিক সোধ।

সভ্য ভদ্র পরিবারে আদব হয় শিক্ষা,

কথায় কাজে শালীনতা—এই তার দীক্ষা।

সম্মান দিতে শিখে আগে, নিতে পরে জানে,

এই সন্তানই আলো জ্বালে জাতির ভবিষ্যৎ প্রাণে।

পরিবার যদি হয় শান্ত, শৃঙ্খলার ঘর,

ভালোবাসা হয় নিয়ম, ন্যায় হয় অন্তর,

সেই ঘর থেকে উঠে আসে দৃঢ় মানুষগণ,

যারা ভাঙে অন্যায় দেয়াল, গড়ে নতুন মন।

কলহ নয়, কটু বাক্য নয়, নয় অবমান,

সংলাপে মেটে মতভেদ, থাকে সহনশীল প্রাণ।

এমন ঘরে মানুষ গড়ে শক্ত মেরুদণ্ড,

ঝড়ে-ঝঞ্ঝায় টলে না সে, থাকে দৃঢ় দৃঢ়বন্ধ।

সমাজ যদি দেয় সহায়, দেয় সৎ পরিবেশ,

ভালোর সাথে প্রতিযোগিতা হয় বিশেষ,

শিশু পায় পথের দিশা, পায় সঠিক মান,

অপরাধে নয়, সে এগোয় সেবার অভিযানে।

শিক্ষালয় হয় জ্ঞানের দীপ, নীতির আঙিনা,

শিক্ষক হন চরিত্রবান, হৃদয়হীনা না।

বন্ধু হয় উন্নতির সাথী, নয় অবক্ষয়,

তখন সমাজে জন্ম নেয় আলোকিত সময়।

রাষ্ট্র যদি ন্যায় দাঁড়ায় সকলের পাশে,

শিক্ষা-স্বাস্থ্যে সমান সুযোগ দেয় বিশ্বাসে,

আইনের শাসন থাকে যদি সবার উপরে,

তবে নাগরিক গড়ে ওঠে দায়িত্বের ঘরে।

দুর্নীতি নয়, বৈষম্য নয়, স্বচ্ছ হয় পথ,

পরিশ্রমে মর্যাদা পায় শ্রমিকের রথ।

এই রাষ্ট্রে শিশু তখন স্বপ্ন দেখে বড়,

দেশের তরে জীবন দিতে হয় সে প্রস্তুততর।

ব্যক্তি গড়ে পরিবারে—এই সত্য জানো,

পরিবারে সমাজ গড়ে, রাষ্ট্র তার মানো।

মূল যদি হয় মজবুত, বৃক্ষ উঠে চির,

জাতি তখন পৌঁছে যায় উন্নতির শিখর।

আজকের শিশুই আগামীর নেতা, জ্ঞানী, বীর,

আজকের যত্নেই গড়া আগামী দিনের নীর।

তাই বলি—শিশু গড়ায় দাও সর্বোচ্চ স্থান,

এখানেই নিহিত জাতির সম্মান ও প্রাণ।

চলো আমরা শপথ নিই বিবেকের তরে,

শিশুর সঠিক টেক কেয়ার দিই ঘরে ও ঘরে।

পিতা-মাতা, সমাজ, রাষ্ট্র—এক হয়ে দাঁড়াই,

মানবতার মহাশিখরে জাতি তুলে ধরি তাই।

ইনশাআল্লাহ, এই পথেই আসবে সাফল্য,

আলোর পৃথিবী গড়বে মানবতার বল্য।

ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র হবে সমুজ্জ্বল,

শিশু গড়লেই গড়ে ওঠে ভবিষ্যৎ নির্মল।

**শিশু থেকে শিখর**

শিশু নয় ক্ষুদ্র কণা, সে ইতিহাসের বীজ,

তার মাঝে নিহিত থাকে সভ্যতার তাজ রীজ।

আজ যে কচি হৃদয় গড়ে মমতার আলয়,

আগামীতে সেই হৃদয় গড়বে জাতির জয়।

যত্নে যদি বীজ বোনা হয় নীতির উর্বর ঘরে,

অবহেলায় অঙ্কুর মরে অন্ধকারের তরে।

এই সত্য জানে যুগ যুগ, জানে কালের ধারা,

শিশু গড়াই ভবিষ্যতের প্রথম ইশতেহারা।

পিতা যদি ন্যায়পথে থাকে অবিচল প্রাণ,

মাতা যদি স্নেহে গড়ে চরিত্রের মহান,

তবে সেই ঘর হয় শিক্ষা, হয় প্রথম পাঠ,

সেখানে শিশু শিখে নেয় জীবনের সঠিক গাথা।

কথায় কাজে মিল থাকিলে আদর্শ হয় দৃঢ়,

শাসনে থাকে মমতা, স্নেহে থাকে শুদ্ধ নীর।

ভদ্র সভ্য পরিবারে আদব হয় রক্ত,

সেই সন্তান হয় আগামীর ন্যায়-নীতির শক্ত।

পরিবার যদি হয় শান্ত, শৃঙ্খলার ঘর,

ভালবাসা হয় নিয়ম, ন্যায় হয় অন্তর।

কলহ নয়, কটু বাক্য নয়, নয় অবমান,

সম্মানে গড়া সম্পর্ক রাখে দৃঢ় প্রাণ।

এই ঘর থেকেই উঠে আসে সাহসী মানব,

যে অন্যায়ে মাথা নত না, থাকে দৃঢ় অবলম্ব।

পরিবারই প্রথম দুর্গ, প্রথম প্রতিরোধ,

এখানেই গড়ে ওঠে নৈতিক বোধ।

সমাজ যদি দেয় সহযোগ, দেয় সৎ পরিবেশ,

ভাল কাজে প্রতিযোগিতা হয় বিশেষ,

শিশু তখন পায় দিশা, পায় উন্নতির পথ,

অপরাধে নয়—সে এগোয় সেবার রথ।

শিক্ষালয় হয় জ্ঞানের দীপ, নীতির আশ্রয়,

শিক্ষক হন চরিত্রবান, বিবেকের সহায়।

বন্ধু হয় শুভপথের সাথী নির্ভরযোগ্য,

সমাজ তখন গড়ে তোলে প্রজন্ম আলোকযোগ্য।

রাষ্ট্র যদি ন্যায় দাঁড়ায় সকলের পাশে,

আইনের শাসন থাকে সত্যের বিশ্বাসে,

শিক্ষা-স্বাস্থ্যে সমতা, মর্যাদা শ্রমে,

তবে নাগরিক গড়ে ওঠে দায়িত্বের ভ্রমে।

দুর্নীতি নয়, বৈষম্য নয়, স্বচ্ছ হয় পথ,

সত্যের উপরে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র হয় বলিষ্ঠ রথ।

এই রাষ্ট্রে শিশু তখন স্বপ্ন দেখে বড়,

দেশের তরে জীবন দিতে হয় সে প্রস্তুততর।

ব্যক্তি গড়ে পরিবারে—এই সত্য অটল,

পরিবারে সমাজ গড়ে, রাষ্ট্র তার ফল।

মূল যদি হয় মজবুত, বৃক্ষ ওঠে চির,

জাতি তখন পৌঁছে যায় উন্নতির শিখর।

একটি শিশুর সঠিক যত্ন বদলায় কালের গতি,

একটি ভ্রান্ত লালন ডাকে প্রজন্মের ক্ষতি।

তাই অবহেলা নয়, নয় দায়িত্বহীনতা,

শিশু গড়াই জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ-নীতি কথা।

চলো আমরা শপথ নিই বিবেকের তরে,

শিশুর সঠিক টেক কেয়ার দিই ঘরে ও ঘরে।

পিতা-মাতা, সমাজ, রাষ্ট্র—এক কণ্ঠে বলি,

মানবতার শিখরে তুলব আগামী প্রজন্ম চলি।

আজকের এই অঙ্গীকার ইতিহাস লিখবে কাল,

নৈতিকতায় গড়া জাতি হবে অটুট, অমল।

আলোর পথে চলবে দেশ দৃঢ় বিশ্বাসে ভর,

শিশু গড়লেই গড়ে ওঠে উন্নত মানবঘর।

ইনশাআল্লাহ—এই পথেই আসবে মুক্তি,

শিশু যত্নে গড়বে জাতির প্রকৃত শক্তি।

ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র হবে সমুজ্জ্বল,

আদর্শে গড়া ভবিষ্যৎ হবে চির নির্মল।

 

 

 

**শিশু থেকে শিখর**

শিশু ক্ষুদ্র দেহে বহে ইতিহাসের মান,

তার মাঝে লুকায় ভবিষ্যতের জ্ঞান।

কচি চোখে জ্বলে ওঠে সম্ভাবনার দীপ,

সঠিক পথে চালালে সে হবে আলোর সীপ।

বীজ যেমন যত্ন পেলে মহীরুহ হয়,

অযত্নে শুকিয়ে গিয়ে হারায় আপন লয়।

শিশুর যত্ন জাতির মূল বিনিয়োগ জ্ঞান,

এখানেই নির্ধারিত হয় আগামীর মান।

মায়ের কোলে প্রথম শিক্ষা নম্রতার পাঠ,

স্নেহ-শাসনে গড়ে ওঠে জীবনের গাথা।

তার মুখের উচ্চারণে আদবের বাণী,

তার আচরণে ফুটে ওঠে করুণার পানি।

মাতা যদি ধৈর্যে গড়ে নৈতিকতার দেয়াল,

শিশু তখন সত্যে থাকে অটল অবিচল।

তার হাসিতে শেখে সে দয়া ও মায়া,

তার চোখে দেখে ত্যাগের ছায়া।

পিতা যদি ন্যায়পথে অবিচল থাকে,

অন্যায়ের সামনে কখনো মাথা নত না রাখে,

শিশু শেখে সাহস, শেখে দায়িত্ববোধ,

শিখে কেমন করে রাখতে হয় শপথ।

কর্মে সততা, কথায় সত্য ভাষণ,

এই শিক্ষাই গড়ে দেয় জীবনের শাসন।

পিতার আদর্শ হয় শক্তির স্তম্ভ,

সেই স্তম্ভে দাঁড়িয়ে থাকে ভবিষ্যৎ অদম্য।

পরিবার প্রথম দুর্গ, প্রথম বিদ্যালয়,

এখানেই মানবতা পায় প্রথম জয়।

ভালবাসা যদি হয় ঘরের নিয়ম,

শান্তি থাকে তবে হৃদয়ে স্থির ধ্বনিময়।

কলহহীন সম্পর্ক, সম্মানের সেতু,

ভ্রাতৃত্বে গড়া হোক প্রতিটি ক্ষেত্র।

এই ঘর থেকেই উঠে আসে বীর,

যে জাতির তরে হতে পারে ধীর।

পঞ্চম খণ্ড : সমাজের মানচিত্র

সমাজ যদি দেয় সৎ পরিবেশ,

সৎ কাজে করে সম্মান বিশেষ,

অসৎ পথে বাধা দেয় দৃঢ় হাতে,

শিশু এগোয় আলোর প্রভাতে।

শিক্ষালয় হোক জ্ঞানের মন্দির,

শিক্ষক হোন চরিত্রে স্থির।

বন্ধুত্ব হোক নৈতিকতায় দৃঢ়,

তবেই সমাজ হবে শক্ত ও সুদৃঢ়।

রাষ্ট্র যদি ন্যায় রাখে সবার উপরে,

আইন সমান থাকে সকলের তরে,

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পায় সুষম দান,

তবে নাগরিক গড়ে মহৎ প্রাণ।

দুর্নীতিহীন হোক প্রশাসন,

স্বচ্ছতায় থাকুক শাসন।

এই পরিবেশে শিশু বড় হলে,

দেশপ্রেম জাগে তার অন্তরে দলে।

ব্যক্তি গড়ে পরিবার, পরিবার গড়ে সমাজ,

সমাজের ভিত্তিতে দাঁড়ায় রাষ্ট্ররাজ।

একটি শিশুর সঠিক গঠন,

জাতির ভবিষ্যৎ করে উজ্জ্বল মন।

অবহেলা ডাকে অন্ধকার,

সঠিক যত্নে ভাঙে সব ভার।

শিশু গড়াই সর্বোচ্চ সাধনা,

এই পথেই জাতির প্রার্থনা।

অষ্টম খণ্ড : জাগরণের আহ্বান

চলো করি শপথ আজ,

শিশুর তরে খুলব লাজ।

সঠিক টেক কেয়ার দিই ঘরে,

শিক্ষা দিই নীতির ভরে।

পিতা-মাতা সমাজ রাষ্ট্র,

এক সুরে হোক উন্নতির যাত্রা।

মানবতার শিখরে উঠুক প্রাণ,

এই হোক আমাদের অঙ্গীকার মহান।

আজকের শিশু আগামীর নেতা,

আজকের যত্নই জাতির কথা।

নৈতিকতায় গড়া হোক মন,

শিক্ষায় উজ্জ্বল হোক জীবন।

ইনশাআল্লাহ এই সাধনায়,

জাতি উঠবে উচ্চ শিখরপ্রায়।

ব্যক্তি সমাজ রাষ্ট্র সমুজ্জ্বল,

শিশু গড়লেই ভবিষ্যৎ নির্মল।

শিশু থেকে শুরু উন্নতির ধারা,

এই সত্য যুগে যুগে সবার সারা।

যত্নে গড়া প্রতিটি প্রাণ,

হবে জাতির গৌরবগান।

ইনশাআল্লাহ—এই প্রতিজ্ঞায়,

আলোকিত ভবিষ্যৎ আসুক মহিমায়।

শিশু গড়াই সর্বশ্রেষ্ঠ কাজ,

এতেই উন্নতির উন্মুক্ত সাজ।

***

শিশু ক্ষুদ্র নয় কভু, সে ইতিহাসের বীজ,

তার মাঝে ভবিষ্যতের নির্মাণরথের রীজ।

আজকের লালন-শাসন লিখে আগামীর গান,

শিশুর গঠনে নির্ধারিত জাতির সম্মান।

কচি প্রাণে জ্বলে থাকে সম্ভাবনার দীপ,

যত্নে দিলে অঙ্কুরিত হয় আলোর নীপ।

অযত্নে শুকায় আশা, ভাঙে স্বপ্নঘর,

সঠিক সেবায় সে ওঠে শিখর-অপর।

বীজ যদি রোপিত হয় উর্বর নীতিক্ষেতে,

ফল দেয় মহীরুহ এক সুশোভিত গীতে।

শিশুর গঠনে লুকায় কালের ইশারা,

এই সত্য জানে যুগধারা।

মায়ের কোলে প্রথম শিক্ষা নম্রতার বাণী,

স্নেহে মেশা শাসন গড়ে মানবের পানি।

তার চোখে দয়া, কণ্ঠে মধুর ডাক,

সেই সুরে জাগে শিশুর নৈতিক হাক।

মাতা যদি সততায় স্থির অটল,

শিশু শেখে সত্যপথ অবিচল।

তার আচরণ হয় আদর্শের ছায়া,

সন্তান পায় জীবনের মায়া।

পিতা যদি দৃঢ় থাকে ন্যায়ের পথে,

অন্যায়ের কাছে মাথা নত না রথে,

শিশু শেখে সাহস, দায়িত্বের মান,

শিখে কেমন করে রাখতে হয় শপথ জ্ঞান।

কর্মে সততা, কথায় সত্য উচ্চারণ,

এই শিক্ষাই ভবিষ্যতের রণ।

পিতার আদর্শ স্তম্ভসম দৃঢ়,

সেই ভিত্তিতে জাতি হয় সুদৃঢ়।

পরিবার প্রথম বিদ্যালয়, প্রথম দুর্গপ্রাচীর,

এখানেই মানুষ শেখে ভালোবাসার নীর।

কলহহীন ঘরে থাকে শান্তির গান,

সম্মানে গড়া সম্পর্ক অটুট প্রাণ।

ভ্রাতৃত্বে বাঁধা থাকুক প্রতিটি প্রাণ,

স্নেহে থাকুক সহমর্মিতার জ্ঞান।

এই ঘর থেকেই উঠে বীর মানব,

যে পারে জাতির তরে হতে অবলম্ব।

সমাজ যদি দেয় সৎ পরিবেশ,

সৎ কাজে করে সম্মান বিশেষ,

অসৎপথে বাধা দেয় দৃঢ় হাতে,

শিশু এগোয় আলোর প্রভাতে।

সহযোগিতা হোক উন্নতির চাল,

ঈর্ষা নয়—হোক সহমর্মিতার জাল।

সমাজ গড়লে নীতির আলোয়,

জাতি এগোয় শিখর-ছোঁয়ায়।

শিক্ষালয় হোক জ্ঞানের দীপ,

নীতির সাথে থাকুক সীপ।

শিক্ষক হোন চরিত্রবান স্থির,

তাদের হাতে প্রজন্ম ধীর।

শিক্ষা শুধু তথ্য নয়,

মানবিকতায় সত্যময়।

জ্ঞান ও নীতি মিললে যখন,

উন্নতির সোপান গড়ে তখন।

রাষ্ট্র যদি ন্যায় রাখে সবার তরে,

আইন সমান থাকে ঘরে ঘরে,

শিক্ষা স্বাস্থ্য সুষম দান,

তবে গড়ে মহৎ নাগরিক প্রাণ।

দুর্নীতি হোক শূন্য পথ,

স্বচ্ছতায় জাগুক রথ।

এই পরিবেশে শিশু বড় হলে,

দেশপ্রেম জাগে অন্তর দলে।

ব্যক্তি গড়ে পরিবার, পরিবার গড়ে সমাজ,

সমাজের ভিত্তিতে রাষ্ট্ররাজ।

একটি শিশুর সঠিক গঠন,

জাতির ভবিষ্যৎ করে উজ্জ্বল মন।

অবহেলা ডাকে অন্ধকার,

যত্নে ভাঙে বিভীষিকার ভার।

শিশু গড়াই শ্রেষ্ঠ সাধন,

এই পথে জাতির উত্তরণ।

চলো আজ করি অঙ্গীকার,

শিশুর তরে খুলব দ্বার।

সঠিক টেক কেয়ার দিই ঘরে,

নীতির আলো জ্বালি অন্তরে।

পিতা-মাতা সমাজ রাষ্ট্র এক,

উন্নতির পথে হোক দৃঢ় রেখ।

ইনশাআল্লাহ এই সাধনায়,

জাতি উঠবে শিখরপ্রায়।

শিশু গড়াই জাতির মূল দর্শন,

এখানেই উন্নতির সর্বোচ্চ ঘোষণা।

নৈতিকতায় গড়া প্রজন্ম যখন,

সভ্যতা পায় নতুন জীবন।

জাতির শক্তি অস্ত্রে নয়,

মানুষ গঠনে তার জয়।

শিশুর সঠিক লালন-যত্ন,

রাষ্ট্রগঠনের চূড়ান্ত তত্ত্ব।

হে প্রভু দাও নৈতিক বল,

শিশু গড়ার শক্তি অটল।

ঘরে ঘরে জ্বালো আলোর দীপ,

মানবতায় ভরুক প্রতিটি সীপ।

ইনশাআল্লাহ এই প্রতিজ্ঞায়,

জাতি উঠুক মহিমায়।

শিশু গড়লেই শিখর ধরা—

এই হোক আমাদের সবার ধারা।

মন্তব্য করুন

ব্লগ