Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১০:১১ অপরাহ্ণ

সফলতার ক্ষেত্রে টিমওয়ার্কের গুরুত্ব

অপেক্ষাকৃত কম লোকবল নিয়েও কেবল টিমওয়ার্কের জোরে কোনো প্রতিষ্ঠান ছাড়িয়ে যেতে পারে নামিদামি প্রতিষ্ঠানকে। ক্রিকেট ম্যাচের কথাই ধরা যাক! অধিনায়ক ততটাই তেলেসমাতি দেখাতে পারেন, ঠিক যতটা জ্বলে উঠতে পারে তার টিম। অধিনায়ক নিজেও কিন্তু টিমের সদস্য। টিম মানে ১১জন একে অপরের সঙ্গে লেগে থাকা, নিজের সেরাটা তুলে ধরার পাশাপাশি একে অন্যের অসামর্থ্যরে জায়গাটুকু পূরণ করার চেষ্টা করা। আর একটি টিমের সবাই কিন্তু অলরাউন্ডার হয় না। কেউ জোরে চালাতে পারেন ব্যাট। কারো বলে আছে গতি, কেউ উইকেট উপড়ে ফেলতে ওস্তাদ। কেউ আবার কিপিংটাই পারেন ভালো। যে যেটিতে ভালো, তাকে সে জায়গাটি করে দেওয়াই হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্ট। আর সবার ভালো-মন্দ মিলিয়েই কিন্তু টিমের পারফরম্যান্স। কেউ হয়তো ছাড়িয়ে যেতে পারেন সবাইকেই, তবে সেখানেও দলের অন্য সদস্যদের অনুপ্রেরণা কিংবা সহযোগিতার দরকার আছে।

একটি অফিসে টিমওয়ার্ক স্থাপন করা কিন্তু চাট্টিখানি কথা নয়। তবে একটি প্রতিষ্ঠানের অর্গানোগ্রাম ছোট হলে এ কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায়। সবার মধ্যে সমন্বয়ও জরুরি। একটা টিমের সবাই সব কাজ পারে না। এ ক্ষেত্রে যে যে কাজটা পারে, তাকে সেটা করতে দিলেই তো হয়। দেখবেন যাকে আপনি হয়তো গুরুত্বই দিচ্ছেন না, সেই কর্মীই একটি বিষয়ে দারুণ সমঝদার। এটাও ঠিক, এমন দু-চারজন থাকে, যারা কোনো কিছুই তেমন ভালো পারে না। কিন্তু তাদের বাদ দিলে কি চলবে! যে কাজটা তারা একটু ভালো পারে, সেটাই তারা করুক না!

ভালো টিমওয়ার্কার হওয়ার জন্য বুঝতে চেষ্টা করতে হবে, আপনার কোনো ঘাটতি আছে কি না। কোনো বিষয়ে দুর্বলতা থাকতেই পারে। টিমওয়ার্কের সুবিধা হলো, দলের অন্য সদস্যের কাছ থেকে শিখে নেওয়ার একটি ভালো সুযোগ থাকে। সদস্যদের মধ্যে তৈরি হয় আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ক, যেটি অফিসে কাজের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে দেয়। নিজের দায়িত্ব সম্বন্ধে দলের সবারই খুব স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। যেটা আপনার কাজ, সেটা করার জন্য যেন মনে করিয়ে দিতে না হয়। কোনো সমস্যায় পড়লে দলের সদস্যদের কাছে পরামর্শ চাইতে পারেন। তেমনি অন্যকে সহযোগিতা করার মানসিকতাও থাকতে হবে। সাফল্য পেলে সেই কৃতিত্ব অন্য সদস্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিন। মন খুলে অন্যদের ভালো কাজের প্রশংসা করুন। সবার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটাও কিন্তু টিমওয়ার্কের অন্যতম শর্ত।

"

মন্তব্য করুন

ব্লগ