Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১০:২৭ অপরাহ্ণ

সর্দি কাশি কীভাবে ছড়ায়?

সাধারণ সর্দি-কাশি মূলত ভাইরাসজনিত (যেমন- Rhinovirus) ছোঁয়াচে রোগ, যা আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা কথা বলার সময় নির্গত জলকণা (droplets) থেকে বাতাসে ছড়ায় [৩, ৫]। এছাড়া সংক্রামিত ব্যক্তির সাথে সরাসরি হাত মেলালে বা তাদের ব্যবহৃত বস্তু (যেমন- দরজার হাতল, ফোন, তোয়ালে) স্পর্শ করার পর মুখ, নাক বা চোখ স্পর্শ করলে এই ভাইরাস দ্রুত ছড়ায় [৩, ৪, ৬]। 

সাধারণ সর্দি-কাশি ছড়ানোর প্রধান মাধ্যমগুলো নিচে দেওয়া হলো:

বায়ুবাহিত কণা (Airborne Droplets): আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি বা কাশি দিলে ভাইরাসযুক্ত ছোট ছোট কণা বাতাসে ছড়ায়। এই বাতাস শ্বাস নেওয়ার সময় সুস্থ মানুষের দেহে প্রবেশ করে [৩, ৪, ৬]।

সরাসরি শারীরিক যোগাযোগ: আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে হাত মেলালে বা ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে (যেমন- কোলাকুলি) আসলে ভাইরাস ছড়াতে পারে [৪, ৬]।

দূষিত পৃষ্ঠ স্পর্শ করা: আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি-কাশির সময় মুখে হাত দিলে সেই হাতে ভাইরাস লেগে থাকে। সেই হাত দিয়ে টেবিল, দরজা বা খেলনা ধরলে ভাইরাস সেখানে কয়েক ঘণ্টা বেঁচে থাকতে পারে [২, ৪, ৬]।

দূষিত হাত নাকে-মুখে দেওয়া: ভাইরাসযুক্ত হাত দিয়ে নিজের চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করলে ভাইরাস সরাসরি শরীরে প্রবেশ করে [৩, ৪, ৫]। 

প্রতিরোধের উপায়:

নিয়মিত সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়া [২]।

হাঁচি-কাশির সময় নাক-মুখ ঢেকে রাখা [২]।

সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরত্ব বজায় রাখা [৬]। 

দ্রষ্টব্য: ঠান্ডা আবহাওয়ার চেয়েও এই ভাইরাসগুলোর মানুষের মাধ্যমে ছড়ানোই বেশি দায়ী। 

মন্তব্য করুন