Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৬:১২ পূর্বাহ্ণ

রহমতের প্রথম দিন - রমজান মাসের প্রথম ১০ দিনকে ইসলামে 'রহমতের দশক' বা প্রথম আশরা বলা হয়

রমজান মাসের প্রথম ১০ দিনকে ইসলামে 'রহমতের দশক' বা প্রথম আশরা বলা হয়। এই সময়ে মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের ওপর অশেষ রহমত ও দয়া বর্ষণ করেন। 
রহমতের প্রথম দিন এবং এই দশকের বিস্তারিত বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:
রহমতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য 
আল্লাহর বিশেষ দয়া: এই দিনগুলোতে মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি অত্যন্ত দয়ালু থাকেন এবং নেক আমল করলে রহমতের বারিধারা বর্ষণ করেন।
দোয়ার কবুলিয়ত: রমজানের প্রথম রাত থেকেই রহমতের দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়, যাতে বান্দা সহজেই আল্লাহর রহমত লাভ করতে পারে।
আধ্যাত্মিক ভিত্তি: এই প্রথম ১০ দিন মূলত পুরো মাসের ইবাদতের মানসিক প্রস্তুতি ও আধ্যাত্মিক ভিত্তি তৈরি করে দেয়। 
প্রথম দশকের বিশেষ দোয়া
রহমতের এই দিনগুলোতে বেশি বেশি এই দোয়াটি পড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়: 
উচ্চারণ: রাব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আনতা খায়রুর রাহিমীন।
অর্থ: হে আমার প্রতিপালক! আপনি ক্ষমা করুন এবং দয়া করুন, আর আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।
করণীয় আমলসমূহ
রহমতের পূর্ণ সুফল পেতে নিচের আমলগুলো করা গুরুত্বপূর্ণ:
একনিষ্ঠ রোজা: সঠিক নিয়তে এবং হালাল উপার্জিত খাবার দিয়ে সাহরি ও ইফতার করে রোজা রাখা।
কোরআন তিলাওয়াত: নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত ও এর অর্থ বোঝার চেষ্টা করা।
সালাত ও তারাবিহ: জামাতের সঙ্গে ফরজ নামাজ আদায় এবং রাতে তারাবিহ ও তাহাজ্জুদ পড়া।
সৎ আচরণ: গীবত, গালিগালাজ বা অন্যের হক নষ্ট করা থেকে বিরত থেকে ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শন করা।
আল্লাহর নাম স্মরণ: আল্লাহর দয়া ও রহমতসূচক নামগুলো (যেমন: আর-রাহমান, আর-রাহিম) বেশি বেশি স্মরণ করা। 
যদিও কোনো কোনো আলেম রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের এই বিভাজন সম্পর্কিত হাদিসটিকে বর্ণনাসূত্রের দিক থেকে দুর্বল মনে করেন, তবুও রমজান মাস শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যে আল্লাহর বিশেষ রহমত শুরু হয়, সে ব্যাপারে সব আলেম একমত। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ