সহকারী অধ্যাপক
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৭:৩৭ অপরাহ্ণ
হুদূদের আহ্বান - মোঃ মুজিবুর রহমান
হুদূদের আহ্বান
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক,
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
আল্লাহর হুকুম নেমে এলো ন্যায়ের দীপ্ত শিখায়,
সম্পদের বণ্টন হোক বিধানেরই দিশায়।
মানব-মনে আবেগ যত, সব রাখো পাশে,
রবের দেওয়া সীমানাতে চল ন্যায়ের ভাষে।
এক পুত্র পাবে দ্বিগুণ ভাগ কন্যার তুলনায়,
দুই কন্যা পেলে দুই-তৃতীয়, হুকুমে নির্ভয়তায়।
একটি মাত্র কন্যা হলে অর্ধেক তার অধিকার,
এ বিধানেই জ্বলজ্বল করে প্রজ্ঞার অম্লান হার।
মাতা-পিতা সন্তানে সাথে পাবে ষষ্ঠাংশ নির্দিষ্ট,
সন্তান না থাকলে মায়ের তৃতীয়াংশ সুস্পষ্ট।
ভাই-বোন থাকিলে তবে কমে তার সেই ভাগ,
রবের জ্ঞানে নির্ধারিত — নেই তাতে অনুরাগ-বিরাগ।
স্বামীর জন্য অর্ধেক, যদি সন্তান না রয়,
সন্তান এলে চতুর্থাংশ — বিধানে নেই ক্ষয়।
স্ত্রীর জন্য চতুর্থাংশ, সন্তানহীন হলে,
সন্তান এলে অষ্টমাংশ — ন্যায় থাকে ফলে।
কালালার ক্ষেত্রে ভাই-বোন পায় নির্দিষ্ট অংশ,
একজন হলে ষষ্ঠাংশ, অধিক হলে ত্রৈভাগ সংমিশ্রণ সংশ।
ঋণ শোধ, অসিয়ত আগে — এই তো প্রথম ধাপ,
কারো ক্ষতি নয় কখনো, ন্যায়েরই আলাপ।
কে অধিক উপকারী তোমার, জান না তুমি নিজে,
রব জানেন অন্তরতমে, বিধান দিলেন নিজে।
এ সবই হুদূদুল্লাহ — সীমারেখা পবিত্র,
মানিলে জান্নাত সুধা, অবমানিলে অগ্নিত্র।
নদী বহে যার তলে তলে, চিরস্থায়ী বাস,
আনুগত্যে মিলিবে সে মহাসফলতার আশ।
আর যে লঙ্ঘে সীমারেখা, অবাধ্যতার পথে,
তারই জন্য জাহান্নামের জ্বালা অনন্ত রথে।
হে মানব, রাখো মান্য করে রবের এই আইন,
মীরাসে অন্যায় যেন না হয় কোনোদিন।
আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল, প্রজ্ঞাময় মহান,
তাঁরই হুকুমে স্থির হোক মানবতার প্রাণ।
***
হুদূদুল্লাহর মহাঘোষণা
আল্লাহ দিলেন ন্যায়ের শাশ্বত বিধান
সম্পদ বণ্টনে স্পষ্ট প্রজ্ঞার জ্ঞান।
মানব আবেগ নয় শেষ সিদ্ধান্ত,
রবেরই হুকুম চূড়ান্ত সত্য।
হুদূদ মানি, মানি সে আইন,
রবের বিধান শ্রেষ্ঠ ঋণ।
ন্যায়ের পথে থাকি অটল,
আল্লাহ মহান, প্রজ্ঞাময় বল।
এক পুত্র পায় দ্বিগুণ অধিকার,
দুই কন্যা পায় তৃতীয়াংশ দ্বার।
এক কন্যা হলে অর্ধেক তার,
রবের বিধান অমল ধার।
ন্যায় এখানে অটল দাঁড়ায়,
প্রজ্ঞার আলো বিশ্ব জুড়ায়।
সুবহানাল্লাহ মহান বিচার,
তাঁরই জ্ঞানে ন্যায়ের দ্বার।
মানি আমরা অন্তর দিয়ে,
রবের পথে থাকি বেঁচে।
সন্তান থাকলে পিতা-মাতা,
ষষ্ঠাংশ পায় ন্যায়ের কথা।
সন্তানহীন তৃতীয় ভাগ,
মায়ের প্রাপ্য অটল অনুরাগ।
ভাই-বোন এলে কমে সে ভাগ,
রব নির্ধারিত সুষম অনুরাগ।
ঋণ পরিশোধ আগে চাই,
অসিয়ত পূরণ প্রথম তাই।
কারো ক্ষতি নয় যে কাজ,
হুদূদ মানাই সেরা সাজ।
ন্যায়ের পথে চলি সদা,
আল্লাহ দেন সাফল্য দান।
স্ত্রী গেলে স্বামী অর্ধেক পায়,
সন্তান এলে চতুর্থ চায়।
স্বামী গেলে স্ত্রীর অধিকার,
সন্তান হলে অষ্টম তার।
বিধান এই সুস্পষ্ট রূপে,
অন্যায় নয় কোনো কূপে।
রবের জ্ঞান সর্বজ্ঞ আলো,
তাঁরই পথে শান্তি ভালো।
মানি আমরা দৃঢ় প্রাণে,
ন্যায় থাকুক সংসারখানে।
সন্তানহীন, পিতা নাই,
ভাই-বোন তখন অংশ পায়।
একজন হলে ষষ্ঠাংশ তার,
অধিক হলে ত্রৈভাগ সবার।
সমঅংশে মেটে সব দাবি,
রবের ন্যায়ে নেই কোনো খুঁতখুঁতি।
হুদূদুল্লাহ সীমারেখা,
লঙ্ঘন করলে অগ্নি দেখা।
মানলে মেলে জান্নাত ধাম,
তলে বহে নহরের নাম।
কে অধিক নিকট জান না তুমি,
রব জানেন অন্তর ভূমি।
মানলে মিলবে জান্নাতবাস,
চিরসুখের অমল আভাস।
অমানিলে জ্বলে অগ্নি শিখা,
অপমানের কঠিন দীক্ষা।
হে আল্লাহ রাখো আমাদের,
তোমার হুদূদে দৃঢ় অন্তর।
আনুগত্যে দাও সফলতা,
দাও জান্নাতের চিরনূরতা।
***
আল্লাহ দিলেন ন্যায়ের বিধান
সম্পদ বণ্টন স্পষ্ট জ্ঞান।
হুদূদ মানি, মানি আইন,
রবের হুকুম সবার ঋণ।
এক পুত্র দ্বিগুণ ভাগ পায়,
দুই কন্যা দুই-তৃতীয় চায়।
এক কন্যা অর্ধেক লয়,
প্রজ্ঞার আলো তাতে রয়।
রবের জ্ঞান অমলিন ন্যায়,
মানি আমরা দ্বিধাহীন চায়।
সন্তান থাকলে পিতা-মাতা,
ষষ্ঠাংশ পায় ন্যায়ের কথা।
সন্তানহীন তৃতীয় ভাগ,
মায়ের প্রাপ্য সত্য অনুরাগ।
ভাই-বোন হলে কমে অংশ,
রব নির্ধারিত সুষম অংশ।
ঋণ শোধ আগে, অসিয়ত,
তবেই হবে বণ্টন যথার্থ।
স্ত্রী গেলে স্বামী অর্ধেক পায়,
সন্তান এলে চতুর্থ চায়।
স্বামী গেলে স্ত্রীর অধিকার,
সন্তান হলে অষ্টম তার।
ন্যায়ের পথে স্থির প্রাণ,
এটাই রবের সুমহান দান।
কালালাতে ভাই-বোন পায়,
ষষ্ঠাংশে ন্যায়ের ছায়।
অধিক হলে ত্রৈভাগ ভাগ,
সমঅংশে মেটে অনুরাগ।
কারো ক্ষতি নয় যে কাজ,
হুদূদ মানাই সেরা সাজ।
কে অধিক নিকট জান না তুমি,
রব জানেন অন্তর ভূমি।
মানলে মিলবে জান্নাত ধাম,
নদী বইবে অবিরাম।
অমানিলে অগ্নি বাস,
অপমানের চির নিঃশ্বাস।
🔹 সকলের চূড়ান্ত জবাব
হে আল্লাহ রাখো আমাদের,
তোমার হুদূদে দৃঢ় অন্তর।
আনুগত্যে দাও সফলতা,
দাও জান্নাতের চিরঠিকানা।
৭
৭ মন্তব্য