Loading..

ব্লগ

রিসেট

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ

রোজায় অ্যাসিডিটি সমস্যা দূর করতে যা খেতে পারেন

রোজায় অনেকেই অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগে থাকেন। বিশেষ করে যারা খাবারের বিষয়ে খুব একটা সচেতন না, তাদের ক্ষেত্রেই বড় একটি অংশকেই এ সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। আর এর মূল কারণ হচ্ছে—ইফতারের আয়োজনে ভারি ও মসলাদার খাবার, ডুবো তেলে ভাজা মুখরোচক একাধিক খাবার। তাই রোজায় অ্যাসিডিটিসহ আরও অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে দূরে থাকতে চাইলে আপনাকে সবার আগে ইফতার ও সাহরির খাবারের দিকে মনোযোগী হতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, রমজানে অ্যাসিডিটি সমস্যা দূর করতে যা খাবেন—

দুধ


দুধ হচ্ছে শক্তিশালী উপাদান। আর রোজায় অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে দ্রুত দূর করতে পারে দুধ। সে জন্য এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ একটি কার্যকরী প্রতিকার হতে পারে। আর দুধে রয়েছে পেটের অ্যাসিডকে নিউট্রাল করার ক্ষমতা। এটিই এর কার্যকারিতার মূল চাবিকাঠি। কারণ দুধ ক্যালসিয়াম কার্বনেট, একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড এবং অতিরিক্ত পেটের অ্যাসিডের উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে।

ঠান্ডা দুধ পেটের অতিরিক্ত অ্যাসিড কার্যকরভাবে শোষণ করে এবং জ্বালাপোড়া আস্তরণের ওপর প্রশান্তিদায়ক প্রভাব ফেলে, যা অ্যাসিডিটির বদলে প্রশান্তি এনে দেয়। তবে আপনার যদি ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স থাকে তাহলে দুধ না খাওয়াই ভালো।

কলা


প্রাকৃতিকভাবে ক্ষারীয় ও পাকস্থলীর অ্যাসিডকে নিউট্রাল করতে সাহায্য করতে পারে কলা। কারণ এতে পটাসিয়াম ও প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড রয়েছে, যা পেটের আস্তরণকে আবৃত করতে সাহায্য করে এবং অ্যাসিডিটির জ্বালাপোড়া কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে কলা শ্লেষ্মা উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে এবং পেটের আস্তরণকে অ্যাসিডের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

এ ছাড়া তীব্র গ্যাস ও অ্যাসিডিটির জন্য ঘরোয়া প্রতিকার হিসাবে কলা রাখুন। প্রতিদিন সেহরি কিংবা ইফতারে একটি পাকা কলা খাওয়ার চেষ্টা করুন। এটি আপনি শুধু এমনিতেই খেতে পারেন, আবার কোনো খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। রমজানে আপনার খাদ্যতালিকায় এ সহজ সংযোজনটি প্রাকৃতিকভাবে পাকস্থলীর অ্যাসিডের মাত্রা ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং স্বাস্থ্যকর হজম বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।

ডাবের পানি


রোজায় যদি আপনি অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে ডাবের পানি পান করুন। আর ইফতারে বাইরে থেকে কেনা ইন্সট্যান্ট শরবতের বদলে বেছে নিন প্রাকৃতিক এ পানীয়টি। কারণ  অ্যাসিডিটি নিরাময়ে ডাবের পানি বিশেষভাবে কার্যকরী। ডাবের পানি খেলে পেটে জমে থাকা গ্যাসের সমস্যা দূর হয় সহজেই। এই পানি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। সেই সঙ্গে ডাবের পানিতে থাকে উপকারী মিনারেলসও।


প্রতিদিন ইফতারে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত জুস বা কেমিকেলযুক্ত শরবতের বদলে খেতে পারেন ডাবের পানি। এতে রমজানে আপনাকে সতেজ ও শক্তিশালী রাখতেও কাজ করবে ডাবের পানি। সেই সঙ্গে দূর হবে অ্যাসিডিটির মতো সমস্যাও।


মন্তব্য করুন

ব্লগ