Loading..

ব্লগ

রিসেট

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৯:১০ অপরাহ্ণ

পেয়ারার অর্থনৈতিক গুরুত্ব

পেয়ারা একটি লাভজনক ও পুষ্টিকর ফল, যা 'গরিবের আপেল' হিসেবে পরিচিত এবং এর উচ্চ খাদ্যগুণ ও বাণিজ্যিক চাহিদার কারণে বিশেষ অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে [৫, ১০]। এটি ভিটামিন সি-এর চমৎকার উৎস, যা জেলি, জ্যাম, শরবত ও আইসক্রিম তৈরিতে ব্যবহৃত হয় [১, ২]। এটি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি করে প্রচুর আয় করা সম্ভব [১০]। 

পেয়ারার প্রধান অর্থনৈতিক গুরুত্বগুলো নিচে দেওয়া হলো:

উচ্চ ফলনশীল ও লাভজনক: কম সময়ে এবং কম জায়গায় অধিক ফলন পাওয়া যায়, যা চাষিদের জন্য লাভজনক [৫, ১০]।

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প: পেকটিন সমৃদ্ধ হওয়ায় জেলি, জ্যাম, জুস, এবং পেস্ট তৈরির মতো অ্যাগ্রোবেজড (Agro-based) শিল্পে পেয়ারার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে [১, ২, ৪]।

আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা: বাংলাদেশের বরিশাল ও পিরোজপুরের পেয়ারা বিদেশে জেলি তৈরির কাঁচামাল হিসেবে রফতানি করা হয় [৪]।

ঔষধ ও প্রসাধন শিল্প: পেয়ারা পাতা থেকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, essential oil এবং ডায়রিয়া বা আমাশয়ের ঔষধ তৈরি করা হয়, যার চাহিদা বিশ্বজুড়ে [৬, ১২]।

কর্মসংস্থান ও আয়: বাংলাদেশে স্বরূপকাঠি ও বানারীপাড়ার মতো অঞ্চলে হাজার হাজার কৃষক পেয়ারা চাষের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন [১১]। 

এছাড়াও, পেয়ারা সাশ্রয়ী মূল্যে পুষ্টির চাহিদা মেটায়, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে [১০]। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ