সহকারী শিক্ষক
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩৭ অপরাহ্ণ
ডায়াবেটিস রোগীদের অবশ্যই জানা উচিৎ :-
ডায়াবেটিস রোগীদের অবশ্যই জানা উচিৎ :-
১) ডায়াবেটিস রোগীকে শর্করা জাতীয় খাবার কম খেতে হবে, বিশেষ করে যেগুলো দ্রুত রক্তে গ্লুকোজ বাড়ায় যেমন- মিষ্টি, জিলাপী ইত্যাদি।
ভাত এবং রুটি দুটোই শর্করা, পার্থক্য হলো- ভাত দ্রুত শোষণ হয়, রুটি ধীরে ধীরে হয়।
তাই অল্প পরিমানে ভাত দুই বেলা এমনকি তিন বেলা খেলেও কোন সমস্যা নেই।
২) নিয়মিত হাঁটা এবং খাবার নিয়ন্ত্রন করা ডায়াবেটিস রোগীর প্রধান চিকিৎসা। ডায়াবেটিস বেশি নাই তাই হাঁটার এবং খাবার নিয়ন্ত্রন করার দরকার নাই এটা ঠিক না।
৩) শরীর দুর্বল এর কারন ডায়াবেটিস বেশী, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে আসলে দুর্বলতা কেটে যাবে। তাই দুর্বল লাগলেই বেশি বেশী ফল না খেয়ে অপেক্ষাকৃত কম মিষ্টি ফল যেমন- পেয়ারা, শক্ত কলা, মালটা,আমড়া, জাম্বুরা, আপেল, আঙ্গুর খেতে পারবেন।
৪) তামাক বা তামাক জাতীয় জিনিস খাওয়া সবার জন্যই হারাম বা অনুচিত। ডায়বেটিসের ঔষধ চলছে, সাথে সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুল ইত্যাদি খাওয়া নিষেধ।
৫) টেস্টের দিন অবশ্যই নিয়ম মত সকালে খালি পেটে ঔষধ বা ইনসুলিন নিতে হবে, নাস্তার পর কোন ঔষধ থাকলে সেটা খেতে হবে। টেস্টের দিন অন্যান্য দিনের মত একই নাস্তা খেতে হবে, যেমন- বাড়িতে অন্যদিন সকালে ভাত খেলে, টেস্টের দিনও সকালে ভাত খেতে হবে। ঔষধ বা ইনসুলিন না খেয়ে ডায়াবেটিস টেস্ট করলে ডায়াবেটিস এর রেজাল্ট বেশি আসবে।
৬) ডায়াবেটিস রুগীর সুগার কমে যাবার কারন হলো ভুল করে বেশি ইনসুলিন নেয়া, ঔষধ বেশি করে খাওয়া, ইনসুলিন বা ঔষধ খেয়ে খাবার না খাওয়া বা খাবার খেতে দেরী করা, প্রতিদিনের নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি ব্যায়াম বা কায়িক শ্রম করা। তাই মিষ্টি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার বা চিনি জাতীয় খাবার বা বিস্কুট বা চকলেট শুধুমাত্র ডায়াবেটিস যদি ৪ এর নীচে নেমে যায় তখন খেতে হবে। এমনি এমনি মিষ্টি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যাবে।
৪
৪ মন্তব্য