Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ণ

নবী-গৃহ নূরের সংসার - মোঃ মুজিবুর রহমান

  


নবী-গৃহ নূরের সংসার

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক,

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

 

নবীর ঘর ছিল নূরের বাতি, প্রেমের পবিত্র ধারা,

সেখানে দাম্পত্য মানে ছিল আখেরাতেরই সারা।

তিনি বলিলেন— “তোমাদের মাঝে উত্তম সেই জন,

যে আপন গৃহে উত্তম, স্নেহে ভরে আপনজন।”

সেই ঘর ছিল না প্রাসাদ-মালা, না ছিল রেশম-শয্যা,

খেজুরপাতার চাটাই বিছানায় ছিল ধৈর্যের মহিমা-লজ্জা।

তবু সেখানে শান্তি নেমে আসত রহমতেরই ঢেউ,

কারণ সে ঘরে আল্লাহভীরু হৃদয় ছিল নতশির নেউ।

স্ত্রীদের মাঝে ন্যায়বিচার— সমতার দীপ্ত রীতি,

খাদ্য-বস্ত্র ও ব্যবহারেতে ছিল সমান প্রীতি।

আসর শেষে ঘরে ঘরে খোঁজ নিতেন প্রিয় নবী,

প্রতিটি হৃদয় বুঝে নিতেন, করুণা ছিল সাথী।

সফরে গেলে লটারিতে বেছে নিতেন সাথী এক,

যেন কারো মনে না জাগে অবিচারের ক্ষীণ রেখ।

বলিতেন তিনি— “ন্যায় না করলে কিয়ামতের সে দিন,

বাঁকা দেহে উঠবে মানুষ, হবে লাঞ্ছিত, ক্ষীণ।”

স্ত্রীর সখী, আত্মীয়-স্বজন— সকলেই পেত মান,

উপহার দিয়ে রাখতেন জাগ্রত সৌহার্দ্যের গান।

হুজরাতে ছিল পৃথক কক্ষ, শালীনতার ছায়া,

কুরআনের বাণী সাক্ষী তাদের পবিত্র ঘর-বায়া।

অল্পে তুষ্টি ছিল নীতি, সংযম ছিল ঢাল,

দুনিয়ার মোহ ছুঁতে পারেনি তাদের অন্তর-তাল।

খায়বারের সে গণীমতের ঢেউ এলো বিপুল ধন,

তবু দানে উজাড় করল তাঁরা, রইল না লোভ-মন।

যয়নব ছিলেন “মিসকীনের মা”, দয়ার দীপশিখা,

সদকা-স্রোতে ভাসত ঘর, ছিল না স্বার্থ-দ্বিখা।

খেজুর-যবের বরাদ্দ যত, উষ্ট্রী দুধের দান,

প্রয়োজন মেটাতেন যতটুকু, বাকিটুকু ত্যাগ মহান।

সপত্নীদের হৃদয় মাঝে ছিল সহমর্মী সুর,

ঈর্ষা এলে তওবার জলে ধুয়ে যেত গ্লানির ধূল।

ছাফিয়ার চোখে অশ্রু ঝরলে সান্ত্বনা দিতেন নবী,

“তুমি নবীর কন্যা বংশে, কেন লজ্জা তবে?”

হাফসাকে বলিতেন সতর্ক বাণী— “আল্লাহকে ভয় করো,”

ন্যায়ের তরে রুষ্ট হলেও হৃদয়ে ছিল নূর ভরো।

আয়েশার দিনে উপহার এলে জাগত প্রেম-ঢেউ,

বলিতেন— “আমি যাকে ভালবাসি, তোমরা ভালবাসো সে-ই।”

যুহদের জীবন, দারিদ্র্য বরণ— তবু কী মহিমা!

খেজুর-পানি সঙ্গী ছিল, তৃপ্তির ছিল সীমা।

চাটাইয়ের দাগ পড়ত দেহে, তবু হাসি অটুট,

দুনিয়া যেন পথিক-ছায়া— ক্ষণিক বিশ্রামস্ফুট।

বলিতেন তিনি— “তাদের দুনিয়া, আমাদের আখেরাত,”

এই বিশ্বাসে দৃঢ় ছিল নবী-পরিবারের প্রাতঃ।

ক্ষুধার তাপে পাথর বাঁধা পেটে, তবু ধৈর্য দীপ,

খন্দকের মাটি কেটেছেন তিনি, ছিলেন সাহস-সীপ।

তাহাজ্জুদের দীর্ঘ কিয়াম, অশ্রু-ভেজা রাত,

পা ফুলে গেলে বলতেন হেসে— “কৃতজ্ঞতার প্রভাত।”

সোম-বৃহস্পতি রোজা রাখেন, আইয়ামে বীয সাথ,

আত্মশুদ্ধির দীপ্ত উদাহরণ, তাকওয়ার সরল পথ।

“দেহের হক, স্ত্রীর হক আছে”— ভারসাম্যের বাণী,

সংসারে তাই ইবাদত-সুরে উঠত প্রেমের টানি।

রাগ-অভিমান মানবীয় ঢেউ, তবু ভাঙেনি বাঁধ,

তাখয়ীর আয়াত নেমে এলে দৃঢ় হলো সাধ।

আয়েশা বলিলেন দৃপ্ত কণ্ঠে— “আখেরাতই চাই,”

অন্য স্ত্রীগণ অনুসরণে বললেন— “আমরাও তাই।”

ঈলার কসম, তাহরীম আয়াত— শিক্ষা ন্যায়ের দান,

হালাল-হারামের সীমানাতে জাগে বিধানের জ্ঞান।

এই ঘর ছিল উম্মতের তরে আলোকিত মাদরাসা,

যেখানে নারী শিক্ষিকা রূপে দিলেন জ্ঞানের ভাষা।

তারা কেবল নবীপত্নী নন— নক্ষত্রতুল্য দীপ,

তাদের বয়ানে উম্মত পেল শরী‘আতের সঠিক সীঁপ।

হে মুমিন-দম্পতি! যদি আসে দুঃখের ক্ষণিক ঢেউ,

ভেঙো না ঘর, দৃঢ় করো বন্ধন— নবীর ঘরকে নাও নেউ।

ন্যায়, দয়া, সংযম, ত্যাগ— এই হোক সংসার-মন্ত্র,

তবে তোমার ঘরেও নামবে রহমতেরই কেন্দ্র।

নবী-গৃহের পবিত্র ছায়া হোক আমাদের পথ,

দুনিয়া হবে শান্তির বাগান, আখেরাতে অনন্ত রত্নরথ।

***

নবীর ঘর ছিল না রত্ন-মহল, না সোনার প্রাসাদ-শিখর,

তবু সে ঘর ছিল জান্নাতি সুবাসে ভরা অন্তর।

সেখানে দাম্পত্য মানে ছিল তাকওয়ার দীপ্ত আলো,

ভালোবাসা ইবাদতে মেশা— নির্মল, গভীর, ভালো।

তিনি বলেছিলেন— “উত্তম সেই, আপন গৃহে যে উত্তম,”

পরিবারের সেবায় যার হৃদয় সদা নম্রতম।

নিজ জীবনে সে বাণী করে তুললেন জাগ্রত সত্য,

নবী-গৃহে ফুটে উঠল ন্যায়-দয়ার পবিত্র শক্ত।

আসর শেষে ঘরে ঘরে যেতেন খোঁজ নিতে সবার,

কার কষ্ট কোথায় লুকায়িত— জানতেন অন্তর-অধিকার।

খাদ্য-বস্ত্র ও আচরণে সমতার ছিল দীপ,

ন্যায়ের পাল্লা ছিল সমান— কারো প্রতি নয় ক্ষীণ নীপ।

সফরে গেলে লটারিতে বেছে নিতেন সাথী,

যেন না জাগে কারো মনে অবিচারের ব্যথা-বাঁথি।

বলিতেন— “যার দুই স্ত্রী, তবু করে অবিচার,

কিয়ামতে সে উঠবে লাঞ্ছিত, হবে দেহে ভার।”

স্ত্রীর সখী, আত্মীয়-জন— সকলেই পেত মান,

সদ্ভাবে গড়তেন সম্পর্ক, উপহারে ভরত প্রাণ।

পৃথক কক্ষে শালীনতায় ছিল সংসার-ছন্দ,

পবিত্রতার পর্দা টেনে জ্বলত নূরের বন্ধ।

অল্পে তুষ্টি ছিল তাদের অলঙ্কারের মুকুট,

সংযম ছিল জীবনের ঢাল, ধৈর্য ছিল যুক্ত।

খায়বারের সে বিপুল ধন এলো ঘরে ঢেউ হয়ে,

তবু দানে উজাড় করল তারা, রইল না কিছু সয়ে।

যয়নব ছিলেন দয়ার সাগর— “মিসকীনের মা” খ্যাত,

অসহায়ের অশ্রু মোছায় ছিল তাঁরই প্রভাত।

খেজুর-যবের সামান্য অংশ রাখতেন প্রয়োজন,

অবশিষ্ট সব বিলাতেন তাঁরা— আল্লাহর সন্তোষণ।

যদি কখনো ক্ষণিক রাগে উঠত কথার ঝড়,

তওবার জলে ধুয়ে যেত তা— মিলত প্রেমের ঘর।

ছাফিয়ার চোখে অশ্রু এলে সান্ত্বনা দিলেন নবী,

“তুমি নবীর বংশের কন্যা, মর্যাদা তোমার রবী।”

হাফসাকে বললেন সতর্ক বাণী— “আল্লাহকে ভয় করো,”

ন্যায়ের পথে দৃঢ় থাকো, অহংকার ত্যাগ ধরো।

আয়েশার দিনে হাদিয়া এলে উঠত প্রেমের ঢেউ,

বলিতেন— “যাকে আমি ভালবাসি, ভালবাসো তোমরাও সে-ই।”

চাটাই ছিল শয্যা তাঁর, দেহে পড়ত দাগ,

তবু অন্তর ছিল পর্বতের চেয়ে অটল অনুরাগ।

খেজুর-পানি ছিল আহার, মাস কাটত তেমনই,

দারিদ্র্যে ছিল রাজসিকতা— ধৈর্যে অনুপম ধ্বনি।

বলিতেন— “দুনিয়া ক্ষণিক ছায়া, পথিকের বিশ্রাম,

আখেরাতের চিরস্থায়ী ঘরই আমার আসল ধাম।”

ক্ষুধার তাপে পাথর বেঁধে খন্দকের মাটি কাটেন,

নেতৃত্ব মানে ত্যাগের শপথ— কর্মে তা দেখান।

রাতের শেষে তাহাজ্জুদের অশ্রু-ভেজা সেজদা,

পা ফুলে গেলে বলতেন— “শুকরিয়া হোক প্রভুদা।”

সোম-বৃহস্পতি রোজায় থাকেন, বীযের শুভ দিন,

আত্মসংযমে দীপ্ত ছিল নবী-গৃহের ঋণ।

স্ত্রীর হক ও দেহের হক— ভারসাম্যের বাণী,

সংসার যেন ইবাদতেরই সুশৃঙ্খল টানি।

তাখয়ীর আয়াত নেমে এলে দৃঢ় হলো মন,

“আল্লাহ-রাসূল, আখেরাত চাই”— উচ্চারিলেন পুণ্যজন।

ঈলার কসম, তাহরীম শিক্ষা— বিধানেরই দান,

মানবীয় রাগ-অভিমানেও অটুট রইল প্রাণ।

ভালোবাসা ঝালাই হলো পরীক্ষারই আগুনে,

সংসার গাঁথা দৃঢ় হলো তাকওয়ার সুতো-বুননে।                   

এই ঘর শুধু দাম্পত্য নয়— উম্মতের বিদ্যালয়,

স্ত্রীরা হলেন জ্ঞানের তারা, দীপ্ত পথের আশ্রয়।

তাদের বয়ানে ইসলাম পেল পারিবারিক রীতি,

তাদের জীবন শিক্ষা দিল ন্যায়-সংযম-প্রীতি।             

হে মুমিন হৃদয়! ঘরে যদি ওঠে দুঃখ-ঢেউ,

ভাঙো না ঘর, ধরো ধৈর্য— নবীর আদর্শ নাও নেউ।

ন্যায়, দয়া, ক্ষমা, ত্যাগে গড়ো সংসারের ভিত্তি,

তবে তোমার ঘরেও নামবে রহমতেরই সৃষ্টি।

নবী-গৃহের নূরের কাব্য জাগুক প্রাণের মাঝে,

দুনিয়া হোক শান্তির বাগান, আখেরাতে নূরের সাজে।

 ***

নবীর ঘর ছিল না সোনার প্রাসাদ, না রেশমি শয্যার ঢেউ,

তবু সে ঘরে রহমতের বৃষ্টি ঝরত নীরব নেউ।

মাটির দেওয়াল, খেজুরপাতার সরল বিছানা-পাট,

তাকওয়ার আলো জ্বালিয়ে রাখত আখেরাতের প্রভাত।

তিনি বলিলেন— “উত্তম সেই, আপন ঘরে যে উত্তম,”

পরিবারের হক আদায়ে যার চরিত্র মহত্তম।

নিজ জীবনেই গড়ে তুললেন বাণীর জীবন্ত রূপ,

দাম্পত্য হলো ইবাদতেরই সুশোভিত অনুপ।

আসর শেষে খোঁজ নিতেন প্রত্যেক স্ত্রীর মনে,

কারো বেদনা লুকিয়ে আছে নীরব অশ্রু-কণায় গোপনে।

খাদ্য-বস্ত্র ও বাসস্থানে সমতার দীপ্ত মান,

ন্যায়ের পাল্লা সমান রাখেন— এ ছিল তাঁর প্রাণ।

সফর এলে লটারিতে বেছে নিতেন সাথী,

অবিচারের ক্ষুদ্র ছায়াও যেন না পড়ে কাঁথি।

বলিতেন— “দুই স্ত্রীর মাঝে যে করে অন্যায় ভার,

কিয়ামতে সে উঠবে লাঞ্ছিত, বাঁকা হবে তার।”

স্ত্রীর সখী, আত্মীয়জন— পেতেন সমান স্নেহ,

উপহার-সুধায় বাঁধতেন তিনি সম্পর্কেরই গেহ।

পৃথক কক্ষের শালীনতায় ছিল পবিত্র ছন্দ,

সংযমী সংসার গড়েছিল নূরের সুশীতল বন্ধ।

অল্পে তুষ্টি ছিল তাদের অলংকারের শির,

সংযম ছিল সোনার মুকুট, ধৈর্য ছিল ধীর।

খায়বার হতে এলো ধন, গণীমতের ঢল,

তবু দানে উজাড় করলেন তাঁরা— তৃপ্ত অন্তর-তল।

যয়নব ছিলেন দয়ার নদী— মিসকীনের আশ্রয়,

ক্ষুধার্ত মুখে হাসি ফুটানো ছিল তাঁরই পরিচয়।

খেজুর-যবের সামান্য অংশ রাখতেন যতটুকু চাই,

অবশিষ্ট সব বিলাতেন তাঁরা— সন্তোষ ছিল তাই।

ক্ষণিক যদি উঠত রাগের ঝড়, ভুলের ক্ষুদ্র ঢেউ,

তওবার বৃষ্টি ধুয়ে দিত তা, মিলত প্রেমের নেউ।

ছাফিয়ার চোখে অশ্রু এলে বলতেন স্নিগ্ধ বাণী—

“নবীর বংশে তোমার শিকড়, মর্যাদা তোমার জানি।”

হাফসাকে বলতেন দৃঢ় কণ্ঠে— “আল্লাহকে ভয় করো,”

ন্যায়ের পথে নম্র হও, অহংকার ত্যাগ ধরো।

আয়েশার দিনে উপহার এলে উঠত ভালোবাসা,

বলিতেন— “যাকে আমি ভালবাসি, ভালবাসো তাকে আশা।”

চাটাই ছিল শয্যা তাঁর, তবু হৃদয় সিংহাসন,

দেহে পড়ত দাগের চিহ্ন, অন্তরে ছিল গগন।

মাসের পর মাস চুলা জ্বলেনি, আহার খেজুর-পানি,

দারিদ্র্যে ছিল ঐশ্বর্য, কৃতজ্ঞতায় ভরা প্রাণী।

বলিতেন— “দুনিয়া ক্ষণিক ছায়া, পথিকের বিরাম,

আখেরাতের চিরনিবাসই আমার প্রকৃত ধাম।”

ক্ষুধার জ্বালা বুকে নিয়ে খন্দকের মাটি কাটেন,

নেতৃত্ব মানে আগে ত্যাগ— কর্মে শিক্ষা দেন।

তাহাজ্জুদের নীরব রাতে দীর্ঘ সেজদা-ধ্বনি,

পা ফুলে গেলে বলতেন— “শুকরিয়া হোক ধ্বনি।”

সোম-বৃহস্পতি রোজা রাখেন, বীযের শুভ দিন,

আত্মশুদ্ধির দীপ্ত পথে জ্বলত তাকওয়ার ঋণ।

স্ত্রীর হক, দেহের হক— ভারসাম্যের ডাক,

সংসার মানে ইবাদত-সেতু, নয় কেবল ভোগের পাক।

তাখয়ীর আয়াত নেমে এলে দৃঢ় হলো প্রাণ—

“আল্লাহ-রাসূল, আখেরাত চাই”— উচ্চারিলেন জ্ঞান।

ঈলার কসম, তাহরীম শিক্ষা— বিধানেরই নূর,

মানবীয় অভিমানেও ছিল প্রেমের অম্লান সুর।

পরীক্ষার আগুনে ঝালাই হলো বন্ধন দৃঢ়তর,

তাকওয়ার সুতায় গাঁথা হলো দাম্পত্য অক্ষয় ঘর।

এই ঘর শুধু নবীর নয়— উম্মতের শিক্ষালয়,

স্ত্রীরা হলেন জ্ঞানের তারা, সত্যের দীপ্ত পরিচয়।

তাদের বয়ানে ফুটে উঠল শরী‘আতের বিধান,

তাদের জীবন প্রমাণ করে ন্যায়-সংযম-দান।

হে মুমিন! ঘরে যদি আসে দুঃখের কালো ঢেউ,

ধৈর্যের নোঙর ফেলো তাতে, ভাঙো না ভালো নেউ।

ন্যায়, দয়া, ক্ষমা, ত্যাগে গড়ো সংসারের ভিত্তি,

তবে তোমার ঘরেও নামবে রহমতেরই সৃষ্টি।

নবী-গৃহের নূরের ছায়া থাকুক হৃদয়-তলে,

দুনিয়া হোক শান্তির বাগান, আখেরাত ফুলে ফলে।

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ