Loading..

ব্লগ

রিসেট

১০ মার্চ, ২০২৬ ০১:১৭ অপরাহ্ণ

অগ্রগামীরাই অগ্রগামী— মোঃ মুজিবুর রহমান

  অগ্রগামীরাই অগ্রগামী—

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক,

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

 

ইমানের দীপ্ত পথে যারা চলে অটল ধীরগামী।

তাদেরই জন্য নৈকট্য মেলে রবের অমল সান্নিধ্যে,

রহমতের দীপ জ্বলে চিরদিন জান্নাতের নীরব নিভৃত প্রান্তে।

নিয়ামতের বাগিচা জুড়ে তাদেরই চির নিবাস,

সুখের সুধা ঝরে সেখানে, নেই কোনো দুঃখের আভাস।

পূর্ববর্তীদের মাঝে অনেকেই সেই মর্যাদার অধিকারী,

আর পরবর্তীদের মাঝে অল্প ক’জন—ভাগ্যবান সেই ধারাবাহিক যাত্রী।

স্বর্ণখচিত সিংহাসনে তারা বসে দিব্য আলোয়,

মুক্তা ও দামী পাথরের রঙে জ্বলে অনন্ত সুখের ঢেউ।

হেলান দিয়ে বসে থাকে তারা শান্ত সুধাময় আসনে,

মুখোমুখি হাসি বিনিময়—প্রেমের অমল আকাশে।

চিরকিশোর সেবকেরা ঘোরে তাদের চারিপাশ,

পানপাত্র, জগ ও সুধাপূর্ণ পেয়ালা হাতে উদাস।

ঝর্ণার মতো স্বচ্ছ সে পানীয় প্রবাহিত অনির্বাণ,

পানে নেই মাথাব্যথা, নেই মাতাল হবার অবসান।

তাদের সামনে আনা হয় নানান ফলের সম্ভার,

যা মন চায় তাই মেলে—রঙিন সুখের অবারিত দ্বার।

চিরশান্তির সেই প্রাঙ্গণে সুধার ঝর্ণা বহে,

রবের নৈকট্যে তারা থাকে অনন্ত আলোর গহে।

 ****

জান্নাতের অগ্রগামী

অগ্রগামীরাই অগ্রগামী—ইমানের দীপ্ত বাহক,

তারা-ই পায় সান্নিধ্য মহান, রহমতের অনির্বাণ আলোক।

সৌভাগ্যের সেই সমীপতটে খুলে যায় দয়ার দ্বার,

নিয়ামতে ভরা জান্নাতভূমি—তাদেরই চির অধিকার।

অতীত যুগের বহু সাধক সেই মর্যাদায় ভূষিত,

পরবর্তী কালের অল্প ক’জন—তবু তারা গৌরবে দীপ্ত।

তাদের জন্য সজ্জিত থাকে অপূর্ব স্বর্গীয় আসন,

স্বর্ণখচিত, রত্নমণ্ডিত—অলৌকিক সৌন্দর্য হাসন।

মুক্তা-মানিক খচিত সেই দীপ্ত সিংহাসনের সারি,

প্রশান্ত মনে হেলান দিয়ে বসে তারা সুখধারী।

মুখোমুখি প্রেমের আলোয় জ্বলে তাদের স্নিগ্ধ হাসি,

চিরশান্তির নীরব বাগান জুড়ে আনন্দ ভাসি।

চারদিকে ঘোরে কিশোর সেবক—চিরতরুণ উজ্জ্বল,

হাতে তাদের সুধাপূর্ণ জগ ও পানপাত্র ঝলমল।

ঝর্ণার মতো প্রবাহিত সুধা ভরে রূপালি পেয়ালা,

পান করলে নেই ক্লান্তি কোনো, নেই বিভ্রমের জ্বালা।

না মাথাব্যথা, না মত্ততা—শান্তি ভরা সে পানীয়,

শুধু তাতে মেশে প্রশান্তির অমৃতসুধা নিরন্তর ধ্রুবীয়।

তার সাথে আসে নানান ফল—রঙিন স্বর্গীয় সম্ভার,

হৃদয় যাহা কামনা করে, মেলে তারই উপহার।

সেই বাগানে ছায়া গাঢ়, বাতাসে সুগন্ধ ভাসে,

নদীর ধ্বনি মিশে যায় সুখের সুরের মধুর আশে।

অগ্রগামীদের সে মহিমা—রবের দয়ার মহাদান,

অনন্ত সুখের আবাস তাদের—চিরউজ্জ্বল জান্নাতস্থান।

সেখানে নেই দুঃখের ছায়া, নেই কোনো ভয় বা ক্ষয়,

শুধু শান্তির সুধা ঝরে—রবের কৃপায় অনন্তময়।

 ***

 

**অগ্রগামীদের জান্নাতগাথা**

অগ্রগামী অগ্রগামী, ঈমানের দীপ হাতে,

তারা পায় রবের সান্নিধ্য অনন্ত রহমতরাতে।

তাদের তরে খোলে সদা নিয়ামতের বাগানদ্বার,

জান্নাত ভরা আলোয় জ্বলে শান্তি সুখ অপার।

পূর্বযুগের বহু সাধক সে মর্যাদায় দীপ্যমান,

পরবর্তী কালের অল্পজন—তবু তাদের মহিমান।

স্বর্ণখচিত রত্নাসনে দীপ্ত আলোর শোভা ঢালে,

মুক্তা মানিক জ্বলজ্বল করে স্বর্গীয় রঙের জালে।

হেলান দিয়ে বসে থাকে প্রশান্ত মুখোমুখি,

হাসির আলো ছড়িয়ে পড়ে অনন্ত সুখের সুখী।

বাগানভরা শীতল ছায়া, নদী গায় মধুর গান,

স্বর্গীয় বাতাসে ভেসে আসে রহমতের আহ্বান।

চারপাশে ঘোরে সদা চিরতরুণ কিশোরদল,

হাতে তাদের ঝলমলে সুধাপাত্র দীপ্তিমল।

রূপালি জগ ও পানপাত্রে ঝর্ণাস্রোতের সুধা,

নির্মল রসে ভরে ওঠে আনন্দময় হৃদা।

সে পানেতে নেই বিভ্রম, নেই কোনো মত্ততার ঢেউ,

শান্তির সুধা মিশে তাতে প্রশান্তি জাগায় নৌ।

না মাথাব্যথা, না ক্লান্তি, নেই বিভ্রান্তির ছায়া,

সুধাধারায় ভেসে ওঠে সুখের অপরিমেয় মায়া।

চারিদিকে ফলের ডালি রঙিন সৌরভ ভরা,

যা চায় মন তাই মেলে—অপরূপ দানের ধারা।

আঙুর, ডালিম, খেজুরবনে সুগন্ধী বাতাস বয়,

রঙিন ফলের সুধা পেয়ে হৃদয় আনন্দময়।

চিরপ্রসন্ন সেই বাগানে নেই কোনো দুঃখরেখা,

আলো ঝরে শান্ত আকাশে সুখের নীলাভ দেখা।

মুক্তাধারার নদী বয়ে সুর তোলে নীরব সুরে,

স্বর্গীয় সেই শান্তির গান ভাসে অনন্ত নূরে।

অগ্রগামীদের সে জীবন গৌরবময় সম্মান,

রবের কৃপায় তাদের তরে জান্নাত মহাদান।

সেখানে নেই ভয় বা ক্ষয় নেই কোনো অবসাদ,

শান্তি সুখের চিরউৎসব—রবের অশেষ ইবাদ।

প্রেমের আলো মুখে জ্বলে পরস্পর মুখোমুখি,

হৃদয় ভরে সুধার হাসি স্বর্গবাসী সুখী।

রত্নময় সে সিংহাসনে নূরের রেখা খেলে,

দয়ার সাগর ঢেউ তুলে শান্তির নীড় মেলে।

চিরকিশোর সেবকেরা ঘুরে সেবার আনন্দে,

পেয়ালা ভরে সুধা আনে সুখের অফুরন্তে।

নদীর সুরে বাতাস গায় রহমতের সংগীত,

আলোয় ভরা সে উদ্যান শান্তি-মহিমা দীপ্ত।

বাগিচাজুড়ে ফুলের হাসি সুরভি ছড়ায় ধীরে,

রঙিন সুখের জ্যোতি জাগে স্বর্গীয় নীল নীরে।

অতল শান্তি ভেসে আসে স্নিগ্ধ সুধার ঢেউয়ে,

জান্নাতবাসী হৃদয় তখন তৃপ্তির আলো লয়ে।

রবের নৈকট্য সুধাধারা চিরপ্রশান্তির গান,

সৌভাগ্যের সেই আশ্রয় তাদেরই অধিকার।

অগ্রগামীদের এই গাথা ঈমানের দীপ্তি ভরা,

ধৈর্য ত্যাগের দীপ্ত পথে তাদের জয়ধ্বনি ধরা।

নিয়ামতের ঐশ্বর্যে ভরা জান্নাতের অপার দ্বার,

রহমতের ছায়ায় সেথা সুখের আলো অপরিসীম ধার।

শান্তির নীড়ে বসে তারা সুধার হাসি লয়ে,

অমর সুখের গীত রচে অনন্ত দিনের বয়ে।

স্বর্গীয় আলো দিগন্তজুড়ে দয়ার প্রদীপ জ্বালে,

রবের দান সেই সুখধারা হৃদয়মন্দিরে ঢালে।

বাতাস বয়ে নেয় সুধাসংবাদ রহমতের মৃদু রেশ,

জান্নাতজুড়ে জেগে থাকে শান্তির অনুপম দেশ।

অগ্রগামীদের চিরগাথা ইমানের দীপ্ত পথ,

তাদের তরে জান্নাতখানি অনন্ত সুখের রথ।

রবের কৃপা ছায়াতলে তারা চিরদিন বাস,

সুখের নূরে দীপ্ত হয়ে জান্নাতে অনন্ত উল্লাস।

***

 

অগ্রগামীদের জান্নাতগাথা

অগ্রগামী অগ্রগামী, ঈমান দীপ জ্বলে,

রবের নূরের সান্নিধ্যে তারা শান্তি তোলে।

ধৈর্য ত্যাগের পথে যারা অটল থাকে সদা,

তাদের তরে খুলে যায় রহমতেরই দ্বার।

নিয়ামতে ভরা জান্নাত—অমল সুখের দেশ,

সেখানে দুঃখের ছায়া কখনো আসে না শেষ।

পূর্বযুগের বহুজন সে মর্যাদায় দীপ্ত,

পরবর্তী যুগে অল্পজন তবু গৌরবে নিত্য।

স্বর্ণখচিত আসনসারি রত্নজ্যোতিতে ভরা,

মুক্তা মানিক দীপ্ত আলো চারিদিকে ধরা।

সেই আসনে বসে তারা শান্ত মুখোমুখি,

প্রেমের আলো ছড়িয়ে পড়ে জান্নাতজুড়ে সুখী।

হেলান দিয়ে বসে থাকে প্রশান্ত হৃদয় ভরে,

চিরশান্তির সুধা নামে স্বর্গীয় নীল ঘরে।

চারদিকে ঘোরে সদা চিরকিশোর সেবক,

নূরের মতো উজ্জ্বল তারা আনন্দের রেবক।

হাতে তাদের সুধাপাত্র ঝলমলে রূপালি,

জগে ভরা নির্মল পানীয় প্রশান্তির লীলা খানি।

ঝর্ণার মতো প্রবাহিত সে সুধার অপার ধারা,

স্বর্গীয় রসে ভরে ওঠে সুখের সুধা-পাত্র।

সে পানেতে নেই বিভ্রম নেই কোনো মাতালতা,

শান্তির সুধা মিশে তাতে প্রশান্তির বারতা।

না মাথাব্যথা না ক্লান্তি নেই বিষাদের ছায়া,

সুধার স্রোতে ভেসে ওঠে আনন্দময় মায়া।

তার সাথে আসে ফলের ডালি রঙিন অফুরান,

যা চায় হৃদয় তাই মেলে রবের অশেষ দান।

আঙুর ডালিম খেজুরবনে সুগন্ধী বাতাস বয়,

রঙিন ফলের স্বাদে জাগে হৃদয় আনন্দময়।

বাগানভরা ছায়া নামে শান্ত নদীর তীরে,

নিয়ামতের সে বর্ণালী জাগে নীল নূরের নীড়ে।

স্বচ্ছ নদী বয়ে চলে মুক্তাধারার সুরে,

সুখের সঙ্গীত ধ্বনি তোলে শান্তির মধুর নূরে।

বাতাস বয়ে আনে সুধা ফুলের গন্ধমালা,

স্বর্গীয় সেই বাগিচাতে জাগে সুখের জ্বালা।

অগ্রগামীদের জীবনগাথা গৌরব দীপ্তিমান,

রবের দয়ার ছায়ায় তারা পায় চির সম্মান।

প্রেমের আলো মুখে জ্বলে পরস্পর মুখোমুখি,

হৃদয় জুড়ে আনন্দধারা স্বর্গবাসী সুখী।

রত্নখচিত সিংহাসনে জ্যোতির রেখা খেলে,

দয়ার সাগর ঢেউ তোলে শান্তির নীড় মেলে।

চিরকিশোর সেবকেরা ঘোরে সেবার তরে,

পেয়ালা ভরে সুধা আনে আনন্দের ঘরে।

বাগিচাজুড়ে ফুলের হাসি সুরভি ছড়ায় ধীরে,

রঙিন সুখের আলো জাগে স্বর্গীয় নীল নীরে।

নদীর সুরে বাতাস গায় রহমতের সংগীত,

আলো ভরা সে উদ্যান শান্তি-মহিমা দীপ্ত।

অতল শান্তি ভেসে আসে সুধার ঢেউয়ের তানে,

তৃপ্ত হৃদয় জেগে ওঠে স্বর্গীয় গীত গানে।

রবের নৈকট্য সুধাধারা চিরপ্রশান্তির স্থান,

সৌভাগ্যের সে আশ্রয় পায় অগ্রগামী প্রাণ।

ধৈর্য ত্যাগের দীপ্ত পথে তারা ছিল অবিচল,

তাই তো তাদের ভাগ্যে জাগে সুখের অমল ফল।

নিয়ামতের অফুরান রূপ জান্নাতজুড়ে রয়,

শান্তির দীপ জ্বলে সদা আনন্দধারায় সয়।

বাতাস বয়ে নেয় সুধা রহমতেরই বারতা,

স্বর্গীয় সুখের আলোয় মুছে দুঃখের স্মৃতি।

অগ্রগামীদের মহিমা ঈমানের দীপ্ত পথ,

তাদের তরে জান্নাতখানি অনন্ত সুখের রথ।

নূরের আলো দিগন্তজুড়ে দয়ার প্রদীপ জ্বালে,

রবের কৃপা সুখের সুধা হৃদয়মন্দিরে ঢালে।

শান্তির নীড়ে বসে তারা সুধার হাসি লয়ে,

অমর সুখের গীত রচে অনন্ত দিনের বয়ে।

স্বর্গীয় আলো ঝরে পড়ে রহমতের ছায়াতলে,

সুখের নীলাভ স্বপ্ন তখন হৃদয় জুড়ে দোলে।

বাতাসে ভেসে আসে সুধা ফুলের গন্ধময়,

জান্নাতবাসী হৃদয় তখন চিরতৃপ্তিময়।

অগ্রগামীদের সে গাথা ঈমানের দীপ্ত গান,

ধৈর্য ত্যাগের জ্যোতি নিয়ে তারা মহিমান।

নিয়ামতের অপার সাগর জান্নাতজুড়ে ঢেউ,

সুখের আলো ঝলমল করে দয়ার নীল ঢেউ।

শান্তির সুরে নদী গায় চিরস্বর্গীয় গান,

রবের কৃপা সুধাধারায় ভরে প্রতিক্ষণ প্রাণ।

বাগানজুড়ে আলো হাসে মুক্তাধারার নূর,

স্বর্গীয় সুখের সুধাস্রোত বহে অপার দূর।

অগ্রগামীদের এ মহিমা চিরগৌরব দীপ্ত,

রবের নৈকট্য লাভে তারা আনন্দে অনুপম।

জান্নাতভরা শান্তির সুর রহমতেরই দান,

চিরদিন সে সুখের মাঝে জাগে পুণ্য প্রাণ।

রবের কৃপা ছায়াতলে তাদের চিরবাস,

নূরের সুখে দীপ্ত হয়ে জান্নাতে উল্লাস।

মন্তব্য করুন

ব্লগ