সহকারী অধ্যাপক
১৯ মার্চ, ২০২৬ ০৪:১৮ অপরাহ্ণ
কুরাইশের পথ ও প্রভুর দান - মোঃ মুজিবুর রহমান
কুরাইশের পথ ও প্রভুর দান
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক,
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
কুরাইশের পথচলা চির-অভ্যস্ত ধারা,
শীতের সফর, গ্রীষ্মে বাণিজ্যের কারা।
মরুর বুক চিরে চলে তাদের কাফেলা,
রিজিকের আশায় জাগে প্রাণে আলোর মেলা।
শীতের হিমেল হাওয়ায় যাত্রা দূর দেশে,
গ্রীষ্মের দাহে তারা অটল বিশ্বাসে।
দিনরাত পাড়ি দেয় অনিশ্চিত পথ,
তবু অন্তরে থাকে আশার দীপ জ্বত।
তাই তো বলা হয়—হে কুরাইশের দল!
স্মরণ করো রব, যিনি অশেষ কৃপাবল।
এই পবিত্র গৃহের মহান অধিপতি,
তাঁরই ইবাদাতে থাকুক প্রাণের গতি।
যিনি ক্ষুধার মাঝে দেন আহারের দান,
শূন্য থালা ভরে করেন পূর্ণ ভোজনস্থান।
অনাহারের বুকে তিনি রিজিকের নূর,
অভাবের আঁধারে জ্বালান স্বস্তির সুর।
আর ভয়ঙ্কর ভীতিতে কাঁপে যখন প্রাণ,
চারপাশে ঘিরে ধরে অনিশ্চিত জ্ঞান—
তখন তিনি দেন নিরাপত্তার ছায়া,
নির্ভয়ের নিশ্বাসে ভরে ওঠে মায়া।
হে মানুষ! কেন তবে ভ্রান্ত পথে চল?
যার দানে বাঁচো তুমি, ভুলে যাও সে বল?
ইবাদাতে ফিরো তুমি সেই মহান রবের,
যার কৃপায় বেঁচে আছো দিনরাত অবিরত ভরে।
শীত-গ্রীষ্মের এই চক্র, জীবনের গান,
সবই তাঁর ইচ্ছায়, তাঁরই দান।
তাই মাথা নত করে বলো অন্তরে—
“হে রব! তুমি এক, তুমি সর্বোচ্চ ঘরে।”
***
রবের ডাকে কুরাইশ
অভ্যাসে গড়া পথ—কুরাইশের যাত্রা,
শীতের সফর, গ্রীষ্মে বাণিজ্যের মাত্রা।
দিগন্তে দিগন্তে কাফেলার ধারা,
রিজিকের সন্ধানে পথ চলে সারা।
শীতের প্রভাতে কুয়াশা ভেজা ডানা,
তবু তাদের চিত্তে আশা অটল সানা।
গ্রীষ্মের প্রখর রৌদ্র দগ্ধ করে দেহ,
তবু রিজিকের টানে থামে না সে গেহ।
এই যে চলার শক্তি, এই যে পথের দিশা,
কার দানে জাগে বল, কার দয়া ভিশা?
হে কুরাইশ! শুনো তবে অন্তরের ডাক—
ভুলে যেও না তোমার স্রষ্টার হাক।
এই গৃহের রব—মহান, অনুপম, এক,
তাঁরই ইবাদাতে হোক হৃদয়ের একেক।
যিনি দান করেন ক্ষুধার মাঝে আহার,
শূন্যতা ভরিয়ে দেন রহমতের অপার।
অনাহারের কান্না থামে তাঁর ইশারায়,
শুষ্ক ঠোঁটে হাসি ফোটে তাঁরই আশ্রয়ায়।
রিজিকের ঝর্ণা বয় অদৃশ্য করুণায়,
জীবন ভরে ওঠে তাঁরই মায়াময় ছায়ায়।
আর যখন ভয়ের আঁধার নামে চারিধার,
অজানা আশঙ্কায় কাঁপে অন্তর ভার—
তিনি দেন নিরাপত্তা, প্রশান্তির বাণী,
ভয়ের রাত পেরিয়ে আসে শান্তির পানি।
তাই কেন ভ্রান্তি, কেন অবহেলা তবে?
যার দানে বাঁচো তুমি, ভুলে যাও কবে?
ফিরে এসো তাঁর পথে, করো ইবাদাত,
তাঁরই নামে জাগুক জীবনের সব প্রভাত।
শীত-গ্রীষ্ম ঘুরে আসে সময়ের নিয়মে,
সবই তাঁর হুকুমে, তাঁরই বিধানের ভূমে।
তাই মাথা নত করো, হৃদয় ভরে বল—
“হে রব! তুমি এক, তুমি সর্বশক্তিময় বল।৩
***
কুরাইশ ও রবের দান
কুরাইশের চলা পথে, অভ্যাসে গড়া রীতি,
শীতে সফর দূর দেশে, গ্রীষ্মে বাণিজ্য গীতি।
মরুর বুকে কাফেলা, ধূলির সাথে খেলা,
রিজিক খোঁজে দিগন্তে, স্বপ্ন জাগে বেলা।
শীতের কাঁপা প্রভাতে, যাত্রা শুরু হয়,
গ্রীষ্মের দগ্ধ রোদে, তবু থামে না ভয়।
দিনের পরে রাত আসে, পথ ফুরোয় না তবু,
আশার দীপ জ্বালিয়ে রাখে অন্তর সবু।
হে কুরাইশ! শুনে নাও, সত্যের এ আহ্বান,
রবের দয়া ভেবে দেখো, করো তাঁরই জ্ঞান।
এই ঘরের যে রব আছেন, মহান তিনি এক,
তাঁরই ইবাদাতে থাকো, ভাঙো মনের ফাঁক।
যিনি ক্ষুধার অন্তরে দেন আহারের দান,
শূন্য হাতে ভরিয়ে দেন প্রাচুর্যের প্রাণ।
অনাহারের কান্না মুছে দেন রহমতের ছায়া,
শুকনো মুখে হাসি ফোটে তাঁরই মহিমায়।
ভয়ের আঁধার নেমে এলে কাঁপে যখন প্রাণ,
তিনি দেন নিরাপত্তা, শান্তিরই দান।
চারদিকে বিপদ ঘিরে, অজানা ভয় ঢাকে,
তাঁর কৃপায় নিরাপদে হৃদয় ফিরে থাকে।
তাই কেন অবহেলা, কেন ভ্রান্তি পথ?
যার দানে বেঁচে আছো, ভুলে যাও সে সত্ত্ব?
ইবাদাতে ফিরে এসো, সেই মহান রবের,
যার করুণা ছায়া দেয় প্রতিটি ক্ষণ ভরে।
শীত-গ্রীষ্ম সময় ঘোরে তাঁরই হুকুমে,
জীবন নদী বয়ে চলে তাঁরই বিধানে।
তাই নত হও হৃদয়ে, বিনম্র প্রার্থনায়—
“হে রব! তুমি এক, থাকো চির অন্তরায়।”
***
কুরাইশ ও রবের অনন্ত দান
***
অভ্যাসে গড়া পথ, কুরাইশের যাত্রাধারা,
শীত-গ্রীষ্মে বাণিজ্যে জাগে জীবনের সাড়া।
মরুর বুক চিরে চলে কাফেলার গান,
রিজিকের আশায় ভরে প্রতিটি প্রাণ।
শীতের কুয়াশায় ঢাকা প্রভাতের আকাশ,
তবু পথচলা থামে না, অটল তাদের বিশ্বাস।
গ্রীষ্মের অগ্নি রোদে দগ্ধ হয় দেহ,
তবু রিজিকের ডাকে হার মানে না সে।
দিগন্তে দিগন্তে তাদের পদচিহ্ন পড়ে,
অজানার পথে চলে নির্ভীক অন্তরে।
দিনের ক্লান্তি শেষে রাত নামে নীরব,
তবু অন্তরে জাগে আশার অনির্বচনীয় রব।
এই যে চলার শক্তি, এই যে পথের বল,
কার দানে মেলে এ শক্তি, ভেবে দেখো চল।
হে কুরাইশ! শুনো তবে সত্যের আহ্বান,
ভুলে যেও না কখনো তোমার পরম দান।
এই পবিত্র গৃহের যিনি মহান রব,
তাঁরই ইবাদাতে হোক হৃদয়ের সব।
তিনি এক, অদ্বিতীয়, মহিমায় অপরূপ,
তাঁরই দয়ার ছায়ায় জীবন পায় রূপ।
যিনি ক্ষুধার তাপে ক্লান্ত প্রাণ ভরে,
রিজিকের দানে হাসি ফুটান অন্তরে।
শূন্য হাত ভরিয়ে দেন প্রাচুর্যের ঢেউ,
অভাবের আঁধারে জ্বালান আলো নেউ।
অনাহারের কান্না থামে তাঁর ইশারায়,
দুঃখের কালো মেঘ সরে যায় তাঁর ছায়ায়।
শুকনো ঠোঁটে তিনি হাসির ফুল ফোটান,
দারিদ্র্যের মাঝে সুখের বীজ বপন করেন।
আর যখন ভয় এসে হৃদয় ঘিরে ধরে,
অন্ধকার আশঙ্কা চতুর্দিকে ঘোরে—
তখন তিনি দেন নিরাপত্তার বাণী,
ভয়ের মাঝে শান্তি, প্রশান্তির পানি।
বিপদের ঝড় থামে তাঁর কৃপা ছোঁয়ায়,
অস্থির প্রাণ ফিরে পায় স্থিরতার ছায়ায়।
চারদিকে যদি নামে অজানা আতঙ্ক,
তাঁরই আশ্রয়ে মুছে যায় সকল শঙ্কা।
তাই বলি—হে মানব! কেন এ ভ্রান্তি?
যার দানে বাঁচো তুমি, তবু কেন ক্লান্তি?
যার দয়া ছাড়া নেই বাঁচার কোনো পথ,
তাকে ভুলে কেন যাও, কেন এ অবনত?
ইবাদাতে ফিরো তবে, সেই মহান প্রভুর,
যার কৃপায় আলোকিত প্রতিটি সুর।
হৃদয়ের গভীরে জাগাও তাঁর স্মরণ,
তাঁরই নামে হোক জীবনের আয়োজন।
শীত-গ্রীষ্মের এই চক্র তাঁরই বিধান,
সময় নদী বয়ে চলে তাঁরই ইশারায় জ্ঞান।
সূর্য ওঠে ডোবে তাঁরই হুকুমে সদা,
চন্দ্র-তারায় লেখা তাঁর মহিমার কথা।
মরুর বালুকায়ও তাঁর রহমতের ছোঁয়া,
শুষ্ক ধুলোর মাঝে জীবনের রোয়া।
বাতাসে ভেসে আসে তাঁরই করুণা,
প্রকৃতির প্রতিটি সুরে তাঁরই গুণগাঁথা।
কাফেলার ক্লান্তিতে তিনি দেন শক্তি,
অন্ধকার পথে জ্বালান আলোর ভক্তি।
হে কুরাইশ! স্মরণ করো এ মহান দান,
তাঁরই কৃপায় ভরা তোমাদের প্রাণ।
অহংকার ত্যাগ করে নত হও আজ,
ইবাদাতে খুঁজে নাও মুক্তির সাজ।
ধন-সম্পদ, বাণিজ্য—সব তাঁরই দান,
তাঁর অনুমতি ছাড়া কিছুই নয় প্রাণ।
তাই কৃতজ্ঞতায় ভরাও অন্তর,
শুকরিয়ার সুরে জাগুক জীবন ঘর।
যে রব দেন আহার ক্ষুধার তীব্র কালে,
তিনি-ই রাখেন নিরাপদ ভয়ঙ্কর জ্বালে।
তাঁরই কৃপায় হাসে জীবনের গান,
তাঁরই দানে বাঁচে প্রতিটি প্রাণ।
তাই বলো অন্তরে গভীর বিশ্বাসে—
“হে রব! তুমি এক, তুমি সর্বাশ্রয়ে।”
তোমারই ইবাদাতে থাকুক মন প্রাণ,
তোমারই পথে হোক জীবনের গান।
ভুলে যেও না কখনো তাঁর মহিমা,
তাঁরই দয়ায় মুছে যায় সব সীমা।
রিজিকের প্রতিটি দান তাঁরই রহমত,
নিরাপত্তার ছায়া তাঁরই নিয়ামত।
তাই তাঁর পথে থাকো দৃঢ় অবিচল,
সত্যের আলোয় ভরাও জীবন সম্বল।
অন্ধকার ভেদ করে জ্বালো ঈমানের দীপ,
তাঁরই স্মরণে জাগুক হৃদয়ের নীড়।
হে মানুষ! ফিরে এসো প্রভুর দ্বারে,
তাঁরই করুণায় মুক্তি সব আঁধারে।
শীতের সফর, গ্রীষ্মের পথচলা যত,
সবই তাঁর কৃপায় সহজ অগণিত।
তাঁরই নামে শুরু হোক প্রতিটি কাজ,
তাঁরই ভয়ে দূরে থাকুক সকল লাজ।
জীবনের প্রতিটি ধ্বনি বলুক এক বাণী—
“আল্লাহই মহান, তিনিই দয়াময় প্রাণী।”
তাঁরই ইবাদাতে থাকুক সকল পথ,
তাঁরই স্মরণে দূর হোক সব ক্ষত।
অতএব হে কুরাইশ! করো তাঁরই ইবাদাত,
যিনি দেন আহার ও নিরাপত্তার নিয়ামত।
***
কুরাইশ পথ চলে সদা, অভ্যাসে গড়া ধারা,
শীত-গ্রীষ্ম সফর পথে, বাণিজ্যে দিন সারা।
মরুর বুকে কাফেলা, ধুলোর সাথে গান,
রিজিক খোঁজে দূর পথে, জাগে প্রাণে টান।
শীতের ভোর কাঁপে হিমে, তবু চলে দল,
গ্রীষ্ম রোদ দগ্ধ করে, থামে না সে চল।
দিন শেষে রাত নামে, তবু আশা জাগে,
অন্তরের প্রদীপ জ্বলে, আঁধার দূরে ভাগে।
হে কুরাইশ শুনো তবে, সত্যের এ ডাক,
রবের দয়া স্মরণে রাখ, ভাঙো মনের ফাঁক।
এই গৃহের রব তিনি, মহান একমাত্র,
তাঁরই ইবাদাতে থাক, হও সত্যপথ মাত্র।
যিনি ক্ষুধার কালে দেন, আহারেরই দান,
শূন্য হাতে ভরিয়ে দেন, সুখে ভরা প্রাণ।
অনাহারের দুঃখ মুছে, দেন শান্তির ছায়া,
শুকনো মুখে হাসি ফোটে, তাঁর দয়ার মায়া।
ভয়ের রাতে কাঁপে প্রাণ, চারি দিকে শঙ্কা,
তিনি দেন নিরাপদ পথ, মুছে সব আশঙ্কা।
বিপদের ঢেউ থামে যায়, তাঁর কৃপা ছুঁয়ে,
অস্থির মন শান্ত হয়, তাঁর ছায়া বেয়ে।
তাই কেন ভ্রান্তি পথে, ভুলে যাও সে রব,
যার দানে বাঁচো তুমি, দিনরাত নিরব।
ফিরে এসো ইবাদাতে, সেই মহান প্রভু,
তাঁরই নামে জাগুক প্রাণ, মুছে যাক সব দুঃখ।
শীত-গ্রীষ্ম ঘুরে চলে, তাঁর হুকুম মতে,
জীবন নদী বহে সদা, তাঁরই বিধি পথে।
তাই নত হও হৃদয়ে, বলো একি সুর—
“হে রব তুমি একমাত্র, দয়ার সাগর ভর।”
***
অভ্যাসে গড়া পথ, কুরাইশের যাত্রার গান,
শীত-গ্রীষ্মে বাণিজ্যে জাগে জীবনের প্রাণ।
মরুর বুকে কাফেলা, ধুলোর সাথে নৃত্য,
রিজিকের সন্ধানে চলে অবিরত গতি।
শীতের কুয়াশা ভোরে নেমে আসে নীরব,
তবু তাদের পদচারণা থাকে অদম্য তরব।
গ্রীষ্মের অগ্নি তাপে জ্বলে ওঠে দেহ,
তবু রিজিকের টানে থামে না সে গেহ।
দিগন্তে ছড়িয়ে পড়ে কাফেলার দীর্ঘ রেখা,
অজানার পথে চলে বিশ্বাস রেখে দেখা।
দিনের শেষে ক্লান্তি নামে, রাত ঢাকে ধরা,
তবু অন্তরে জাগে আশার দীপ্তি ভরা।
এই যে চলার শক্তি, এই যে অটল মন,
কার দানে জাগে বল—ভেবে দেখো ক্ষণ।
হে কুরাইশ! শুনো তবে সত্যের আহ্বান,
ভুলে যেও না কখনো পরম দয়াময় দান।
এই পবিত্র গৃহের যিনি মহান রব,
তাঁরই ইবাদাতে হোক হৃদয়ের সব।
তিনি এক, অদ্বিতীয়, মহিমায় অপরূপ,
তাঁরই কৃপায় জীবন পায় চিরসুন্দর রূপ।
যিনি ক্ষুধার তাপে ক্লান্ত প্রাণ ভরে,
রিজিকের দানে হাসি ফুটান অন্তরে।
শূন্য হাত ভরিয়ে দেন প্রাচুর্যের ঢেউ,
অভাবের আঁধারে জ্বালান আশার নেউ।
অনাহারের কান্না থামে তাঁর ইশারায়,
দুঃখের কালো মেঘ সরে যায় তাঁর ছায়ায়।
শুকনো ঠোঁটে হাসি ফোটে তাঁর করুণায়,
দারিদ্র্যের মাঝে সুখের বীজ বোনায়।
যখন ভয় এসে হৃদয় ঘিরে ধরে,
অজানা আশঙ্কা চারিদিকে ঘোরে—
তখন তিনি দেন নিরাপত্তার ছায়া,
শান্তির বারিধারা নামে অন্তরমায়া।
বিপদের ঝড় থেমে যায় তাঁর কৃপা ছোঁয়ায়,
অস্থির প্রাণ স্থির হয় তাঁরই ছায়ায়।
চারদিকে আতঙ্ক এলেও থাকে না ক্ষণ,
তাঁর আশ্রয়ে মুছে যায় সব শঙ্কা-গণ।
হে মানব! কেন তবে ভ্রান্তির পথ ধরা?
যার দানে বাঁচো তুমি, ভুলে যাও তাঁরা?
যার দয়া ছাড়া নেই জীবনের পথ,
তাকে ভুলে কেন যাও—কেন এ অবনত?
ইবাদাতে ফিরো তবে সেই মহান প্রভুর,
যার কৃপায় আলোকিত প্রতিটি সুর।
হৃদয়ের গভীরে জাগাও তাঁর স্মরণ,
তাঁরই নামে হোক জীবনের আয়োজন।
শীত-গ্রীষ্মের চক্র তাঁরই বিধান,
সময় নদী বয়ে চলে তাঁরই জ্ঞান।
সূর্য ওঠে ডোবে তাঁরই হুকুমে সদা,
চন্দ্র-তারায় লেখা তাঁর মহিমার কথা।
মরুর বালুকায়ও তাঁর রহমতের ছোঁয়া,
শুষ্কতার মাঝেও জীবনের বোনা।
বাতাসে ভেসে আসে করুণার ধ্বনি,
প্রকৃতির প্রতিটি সুরে তাঁরই বাণী।
কাফেলার ক্লান্তিতে তিনি দেন শক্তি,
অন্ধকার পথে জ্বালান আলোর ভক্তি।
হে কুরাইশ! স্মরণ করো এ মহান দান,
তাঁরই কৃপায় ভরা তোমাদের প্রাণ।
অহংকার ত্যাগ করে নত হও আজ,
ইবাদাতে খুঁজে নাও মুক্তির সাজ।
ধন-সম্পদ, বাণিজ্য—সব তাঁরই দান,
তাঁর অনুমতি ছাড়া কিছুই নয় প্রাণ।
তাই কৃতজ্ঞতায় ভরাও অন্তর,
শুকরিয়ার সুরে জাগুক জীবন ঘর।
যে রব দেন আহার ক্ষুধার কঠিন কালে,
তিনি-ই রাখেন নিরাপদ ভয়ঙ্কর জ্বালে।
তাঁরই কৃপায় হাসে জীবনের গান,
তাঁরই দানে বাঁচে প্রতিটি প্রাণ।
বল অন্তরে—“তুমি এক, হে মহান রব,”
তোমারই ইবাদাতে থাকুক জীবন সব।
তোমারই পথে চলি, তোমারই তরে,
তোমারই আলো জ্বলে অন্তর ভরে।
ভুলে যেও না তাঁর দয়া অশেষ,
তাঁরই করুণায় মেটে জীবনের ক্লেশ।
রিজিকের প্রতিটি দান তাঁরই রহমত,
নিরাপত্তার ছায়া তাঁরই নিয়ামত।
তাই তাঁর পথে থাকো দৃঢ় অবিচল,
সত্যের আলোয় ভরাও জীবন সম্বল।
অন্ধকার ভেদ করে জ্বালো ঈমানের দীপ,
তাঁর স্মরণে জাগুক হৃদয়ের নীড়।
হে মানুষ! ফিরে এসো প্রভুর দ্বারে,
তাঁরই করুণায় মুক্তি সব আঁধারে।
শীতের সফর, গ্রীষ্মের পথচলা যত,
সবই তাঁর কৃপায় সহজ অগণিত।
তাঁরই নামে শুরু হোক প্রতিটি কাজ,
তাঁরই ভয়ে দূরে থাকুক পাপের লাজ।
জীবনের প্রতিটি ধ্বনি বলুক এক বাণী,
“আল্লাহই মহান, তিনিই দয়াময় প্রাণী।”
তাঁরই ইবাদাতে থাকুক সকল পথ,
তাঁরই স্মরণে দূর হোক সকল ক্ষত।
অতএব হে কুরাইশ! করো তাঁরই ইবাদাত,
যিনি দেন আহার ও নিরাপত্তার নিয়ামত।
তাঁরই দানে জাগে প্রাণে আশার আলো,
তাঁরই নামে দূরে যায় অন্ধকার কালো।
প্রতিটি নিশ্বাসে তাঁরই দয়া বয়,
তাঁরই স্মরণে হৃদয় শান্তি কয়।
যে রব দেন নিরাপত্তা ভয়ের মাঝারে,
তাঁরই পথে চল মুক্তির আশায় রে।
তিনি ছাড়া আর কে আছে আশ্রয়?
তাঁরই করুণায় মেটে সকল ভয়।
হে মানব! তাঁর পথে রাখো দৃঢ় পা,
তাঁরই কৃপায় মিলবে মুক্তির ছোঁয়া।
কুরাইশের যাত্রা হোক শিক্ষা সকলের,
রবের দানে ভরে ওঠে জীবন ঘরের।
অভ্যাসের আড়ালে লুকায় যে সত্য,
রবের কৃপাই জীবনের মূল শক্ত।
তাই স্মরণ করো তাঁকে প্রতিটি ক্ষণ,
তাঁরই নামে জাগুক অন্তরের মন।
শীতের শিহরণ, গ্রীষ্মের দাহ,
সবই তাঁর রহমতে পায় জীবন চাহ।
কাফেলার প্রতিটি ধূলিকণা বলে,
রবের দয়া ছাড়া কিছুই না চলে।
আকাশ-জমিন সাক্ষী তাঁর মহিমার,
সব কিছু নত তাঁরই ক্ষমার।
তাঁরই ইবাদাতে শান্তি খুঁজে নাও,
তাঁরই পথে জীবন গড়ে যাও।
ভয়হীন প্রাণে এগিয়ে চলো সদা,
তাঁরই কৃপায় জাগে জীবনের রোদা।
তাঁর দয়া ছাড়া সবই শূন্য,
তাঁরই প্রেমে জীবন ধন্য।
হে কুরাইশ! শুনো শেষ আহ্বান—
রবের ইবাদাতে পূর্ণ করো প্রাণ।
যিনি ক্ষুধা মিটান, দেন আহার,
তিনি-ই রক্ষা করেন ভয়ঙ্কর ভার।
তাঁরই নামে জাগে মুক্তির গান,
তাঁরই পথে চলে সত্যের প্রাণ।
অতএব নত হও হৃদয়ের গভীরে,
তাঁরই করুণায় থাকো ধীরে ধীরে।
ইবাদাতে পূর্ণ হোক প্রতিটি নিশ্বাস,
তাঁরই নামে মিলুক শান্তির আভাস।
শেষ বাণী এই—হে মানব সকল,
রবের ইবাদাতে জীবন কর সফল।
৪
৬ মন্তব্য