সহকারী অধ্যাপক
২৬ মার্চ, ২০২৬ ০৫:২৭ অপরাহ্ণ
অন্ধকার থেকে আলোর পথে - মোঃ মুজিবুর রহমান
|
|
অন্ধকার থেকে আলোর পথে
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক,
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
আলিফ লাম রা—নবীর বুকে নেমে এলো বাণী,
আলোকধারা জ্বালল যেন দয়ার অম্লান খানি।
অন্ধকারে ঘেরা মানুষ পথ খুঁজে ফেরে যে,
কিতাব নেমে দিশা দিল সত্যের আলো সে।
রবের ইজাজতে খুলল জ্ঞানের দীপ্ত দর,
জুলুম ঘেরা রাত ভেঙে উঠল আলোর ঘর।
পরাক্রমশালী প্রভুর পথে ডাকে সেই বাণী,
সর্বপ্রশংসিতের মহিমা গায় আসমান-পানি।
যারই মালিক আসমান ও ধরণীর প্রতিটি প্রাণ,
তারই পথে আহ্বান করে সত্যের অবিরাম গান।
কিন্তু যারা দুনিয়ার মোহে চোখ করেছে বুজ,
তাদের পথে জমে থাকে বিভ্রান্তিরই ধূজ।
আখিরাতের আলো ছেড়ে দুনিয়ার প্রেমে ডুবে,
সত্যের পথে দেয় তারা বাঁধা কপট রূপে রূঢ়ে।
আল্লাহর সোজা পথে খোঁজে বক্রতার চিহ্ন,
ভ্রষ্টতারই গহ্বরেতে ডুবে তাদের দিন।
প্রতিটি নবী এসেছেন কওমের ভাষার বাণী নিয়ে,
বোঝাতে সত্য স্পষ্ট করে হৃদয়ের দুয়ার দিয়ে।
যেন তারা শুনে বুঝে জাগে অন্তর আলোয়,
হেদায়েতের মশাল জ্বলে মানবতার ঢেউয়ে।
আল্লাহ যাকে চান পথ দেখান করুণার আলো,
যাকে চান ভ্রষ্ট রাখেন—তাঁরই প্রজ্ঞা ভালো।
তিনি মহাশক্তিমান, জ্ঞানে অনুপম,
তারই বিধান জগতজুড়ে চির সত্য সম্ম।
মূসাকে পাঠালেন তিনি নিদর্শনের দীপ হাতে,
বললেন—“তোমার কওমকে বের কর আঁধার রাতে।
অন্ধকার হতে আলোয় নাও আমার বান্দাদের,
স্মরণ করাও দিবসগুলো রহমতের অগাধ ঘের।”
ধৈর্যশীল আর কৃতজ্ঞ যারা অন্তরে নত প্রাণ,
তাদের তরে নিদর্শনে ভরা প্রতিটি জ্ঞান।
যুগে যুগে সেই গল্প জাগায় ইমানের আলো,
সত্যপথে ডাকে মানুষে মুক্তির ভালো।
মূসা বলল—“স্মরণ কর প্রভুর অনুগ্রহ দান,
যেদিন তোমরা রক্ষা পেলে জুলুমের বন্ধন।”
ফির‘আউনের ঘর হতে উঠত নিষ্ঠুর ধ্বনি,
আহাজারিতে কাঁদত তখন নিরীহ মানবগণই।
তোমাদের পুত্রদের করত তারা নির্মম বলি,
কন্যাদের রাখত বাঁচিয়ে জুলুমেরই দলি।
সেই ছিল কঠিন পরীক্ষা প্রভুর পক্ষ হতে,
বিশ্বাসীরা ধৈর্যে রইল আলোর প্রত্যাশাতে।
তাই ইতিহাস বলে যায় অমর সেই বাণী,
অন্ধকার যত গভীর হোক আলোর জয়ে টানি।
আল্লাহর পথে চললে খুলে মুক্তির দ্বার,
নূরের পথে জাগে তখন জীবনেরই হার।
আপনি চাইলে আমি এই কবিতাটিকে—
কঠোর মাত্রাবদ্ধ গীতিযোগ্য নাশীদ ছন্দে,
***
অন্ধকার থেকে আলোর মহাকাব্য
আলিফ লাম রা—নবীর হৃদয় জুড়ে নূরের প্রথম ডাক,
আকাশ হতে নেমে এল সত্যের পবিত্র পাক।
রাতের ঘোর অন্ধকারে মানুষ হারায় পথ,
কিতাব এল আলো হয়ে মুছতে ভয়ের রথ।
প্রভুর ইজাজতে জ্বলে উঠল জ্ঞানের দীপশিখা,
অন্ধকার ভেঙে উঠল মুক্তির পথরেখা।
পরাক্রমশালী প্রভুর পথে ডাকল নূরের বানী,
যার প্রশংসায় ভরে থাকে ধরণী আর পানি।
যারই হাতে আসমান ও পৃথিবীর সব ধন,
তাঁরই পথে মানুষ ডাকে মুক্তির আহ্বান।
কিন্তু কত হৃদয় আছে দুনিয়ার মোহে বন্দী,
আখিরাতের আলো ছেড়ে সুখের স্বপ্নে অন্ধই।
তারা চায় না সত্যপথ, দেয় তাতে বাধা কঠিন,
বক্রতারই ছায়া খোঁজে তাদের মনের ঋণ।
ভ্রষ্টতারই গভীর স্রোতে ডুবে তাদের প্রাণ,
সত্যের আলো দূরে সরে হারায় জ্ঞানের জ্ঞান।
তবু প্রভু পাঠান নবী কওমের ভাষা ধরে,
যেন সত্যের আলো জাগে মানুষের অন্তরে।
নিজ ভাষাতে বুঝে নেয় তারা রহমতের বারতা,
হৃদয় খুলে শুনে তখন দয়ার অমৃত গাথা।
আল্লাহ যাকে চান দেন নূরের সোজা পথ,
যাকে চান ভ্রষ্ট রাখেন—তাঁরই গোপন রথ।
তিনি শক্তির অধিপতি জ্ঞানের মহাসাগর,
তাঁর বিধানে চলমান এই মহাবিশ্ব ঘর।
তারপর এলো ইতিহাসে এক মহিমান্বিত দিন,
মূসার হাতে নেমে এল নিদর্শনের ঋণ।
প্রভু বললেন—“যাও তুমি তোমার কওমের মাঝে,
অন্ধকারের শৃঙ্খল ভেঙে আনো নূরের সাজে।”
“স্মরণ করাও আমার দিন, রহমতের ইতিহাস,
যাতে জাগে কৃতজ্ঞ হৃদয় ধৈর্যের বিশ্বাস।”
যুগে যুগে যারা ধৈর্য ধরে কৃতজ্ঞতার গান,
তাদের জন্য নিদর্শনে ভরা প্রতিটি জ্ঞান।
মূসা বলল কওমের তরে স্মরণ কর নিয়ামত,
রবের দয়া তোমাদের দিল মুক্তিরই দামত।
যেদিন ফির‘আউনের ঘর ছিল জুলুমেরই ঘের,
নির্দয়তায় কাঁদত তখন অসহায়ের ফের।
দুঃসহ যন্ত্রণায় ভরা ছিল দিনের প্রতিক্ষণ,
অত্যাচারের আগুনে জ্বলত মানব জীবন।
তোমাদের পুত্রদের তারা করত নির্মম ক্ষয়,
রক্তরাঙা আকাশ ভরে উঠত ক্রন্দনময়।
কন্যাদের রাখত তারা লাঞ্ছনারই মাঝে,
নিষ্ঠুরতার ছায়া ঘিরে থাকত সমাজ সাজে।
এ ছিল প্রভুর পক্ষ হতে কঠিন এক পরীক্ষা,
বিশ্বাসীদের হৃদয় তখন ধৈর্যে রইল লেখা।
আল্লাহ দেখেন বান্দাদের অন্তরেরই আলো,
কে কৃতজ্ঞ আর কে হারায় অহংকারের পালো।
তাই ইতিহাস শেখায় সব প্রজন্মেরই তরে,
অত্যাচার টেকে না কখন সত্যের দীপ্ত ঘরে।
অন্ধকার যতই হোক গভীর রাতের মতো,
নূরের আলো জেগে উঠে ভাঙে সবই ক্ষত।
আল্লাহর পথে চললে খুলে মুক্তির দ্বার,
ইমানের দীপ জ্বলে ওঠে হৃদয়েরই পার।
যারা দুনিয়ার সুখে মগ্ন ভুলে চিরদিন,
তাদের চোখে ঢেকে যায় সত্যের রঙিন দিন।
কিন্তু যারা কুরআনের আলো ধরে প্রাণে,
তারা পায় মুক্তির স্বাদ শান্তিরই টানে।
আসমান গায় তার গুণ, ধরণী দেয় সাড়া,
সর্বপ্রশংসিত প্রভুরই মহিমা সবার ধারা।
তারই কিতাব পথ দেখায় যুগে যুগে প্রাণে,
অন্ধকার হতে আলোয় ডাকে অবিরাম গানে।
নবীদের কাহিনি তাই শুধু গল্প নয়,
মানবতার দিশারী সে সত্যের মহাময়।
মূসার কণ্ঠে ধ্বনিত হলো মুক্তিরই আহ্বান,
ভয়ের রাত ভেঙে উঠল আলোর জয়গান।
ফির‘আউনের সিংহাসন কাঁপল সেই দিন,
সত্যের শক্তি সামনে হলে মিথ্যা হয় ক্ষীণ।
অত্যাচারের দুর্গ যতই শক্ত হোক গড়া,
রবের ইচ্ছায় মুহূর্তে হয় ধুলির ধরা।
ইতিহাস তাই বলে যায় যুগের পর যুগ,
সত্যের পথে চলাই মানুষের সেরা সুখ।
অন্ধকারের শেকল ভাঙে ঈমানেরই বল,
নূরের আলো পথ দেখায় দয়ার অনল।
কুরআনের বাণী তাই মানবতার দীপ,
জীবনের মরু পথে সে শান্তিরই স্রোতসী স্নিগ্ধ নীপ।
যে হৃদয় তা ধারণ করে বিনম্র বিশ্বাসে,
তারই জীবন ভরে ওঠে শান্তির সুবাসে।
যে হৃদয় তা প্রত্যাখ্যান করে অহংকারে,
সে হারিয়ে যায় বিভ্রান্তির অন্ধকারে।
তাই কিতাবের আহ্বান আজও ধ্বনিত হয়,
সত্যের পথে এসো মানুষ মুক্তির জয়।
রবের দয়া সীমাহীন আকাশের মতো,
তারই নূর আলোকিত করে অন্তরের ক্ষত।
যুগে যুগে নবীর ডাক একই কথা কয়,
আল্লাহর পথে চলাই মানুষের সত্য জয়।
যে শুনে সে পায় আলো হৃদয়ের গভীরে,
যে ফিরিয়ে নেয় মুখ সে থাকে আঁধার ঘিরে।
অন্ধকারের রাত শেষে যেমন ভোরের গান,
তেমনি সত্য জেগে ওঠে আলোর অবিরাম।
ইতিহাসের প্রতিটি পাতা সে গল্পই কয়,
সত্যের পথে ধৈর্যই শেষ বিজয়।
ধৈর্য আর কৃতজ্ঞতা ইমানেরই রতন,
তাতে জাগে প্রভুর দয়া সীমাহীন জীবন।
যে স্মরণ করে রবকে কৃতজ্ঞ হৃদয় ভরে,
তার জীবন আলোয় ভাসে নূরেরই ঘরে।
যে ভুলে যায় নিয়ামত অহংকারের টানে,
তার হৃদয় ডুবে যায় অন্ধকারের গানে।
তাই মানুষ শোন কিতাবের নূরেরই ডাক,
অন্ধকার ভেঙে চল আলোর পথে আজক।
রবের পথে যে চলে তার মুক্তিরই জয়,
অন্ধকার হতে আলোয় উঠুক মানবময়।
***
আলিফ লাম রা—নবীর বুকে জ্বলে নূরের প্রথম গান,
আকাশ ভেদে নেমে এলো সত্যের মহাদান।
অজ্ঞতার রাতের বুকে কাঁপে মানুষের প্রাণ,
কিতাব এল আলো হয়ে দিল মুক্তির জ্ঞান।
রবের ইজাজতে খুলল হেদায়েতের দ্বার,
অন্ধকার ভেঙে উঠল নূরের অবারিত পার।
পরাক্রমশালী প্রভুর পথে ডাকল সেই বাণী,
সর্বপ্রশংসিত রবের গৌরব গায় ধরণী-পানি।
আসমান ও যমীনের সব যারই মালিকানা,
তারই পথে মুক্তির ডাকে জাগে জীবনের গানা।
তবু কত হৃদয় আছে দুনিয়ার মোহে ঘেরা,
আখিরাতের আলো ছেড়ে সুখের স্বপ্নে মরা।
তারা সত্যের পথে দেয় কঠিন অন্ধ বাধা,
বক্রতারই ছায়া খোঁজে তাদের চিত্ত সাধা।
ভ্রষ্টতারই ঘন অন্ধকার ঢেকে ফেলে প্রাণ,
সত্যের আলো হারিয়ে যায় বিভ্রান্তির গান।
তবু প্রভু পাঠান নবী কওমের ভাষা ধরে,
যেন সত্যের আলো জাগে মানুষের অন্তরে।
নিজ ভাষাতে বুঝে নেয় তারা রহমতের ডাক,
হৃদয় ভরে জেগে ওঠে ঈমানেরই পাক।
আল্লাহ যাকে চান দেন সোজা পথের নূর,
যাকে চান রাখেন দূরে অন্ধকারের সুর।
তিনি শক্তির অধিপতি জ্ঞানের মহাসাগর,
তাঁর বিধানে ঘুরে চলে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ঘর।
ইতিহাসের পটে তখন জাগল এক মহান ক্ষণ,
মূসার হাতে উঠল প্রভুর নিদর্শনের রণ।
প্রভু বললেন—“যাও তুমি কওমের অন্তরে,
অন্ধকার হতে আলোয় আনো তাদের ঘরে।”
“স্মরণ করাও আমার দিন—রহমতের ইতিহাস,
যাতে জাগে কৃতজ্ঞ হৃদয় ধৈর্যের বিশ্বাস।”
যারা ধৈর্য ধারণ করে কৃতজ্ঞতার প্রাণে,
তাদের তরে নিদর্শন ভরা প্রতিটি কালে।
মূসা বলল—“হে আমার কওম স্মরণ কর নিয়ামত,
রবের দয়া তোমাদের দিল মুক্তিরই দামত।”
যেদিন ফির‘আউনের ঘর ছিল জুলুমেরই ছায়া,
নির্দয়তার আগুন জ্বলে কাঁদত মানব মায়া।
দুঃসহ যন্ত্রণায় কাঁদত দিনরাতের ক্ষণ,
অত্যাচারের ঝড়ে ভাঙত নিরীহ জীবনের মন।
তোমাদের পুত্রদের তারা করত নির্মম ক্ষয়,
রক্তরাঙা আকাশ জুড়ে উঠত ক্রন্দনময়।
কন্যাদের রাখত তারা লাঞ্ছনারই মাঝে,
নিষ্ঠুরতার ছায়া ঘিরে থাকত সমাজ সাজে।
এ ছিল প্রভুর পক্ষ হতে কঠিন এক পরীক্ষা,
বিশ্বাসীরা ধৈর্যে তখন অন্তরে রাখে লেখা।
আল্লাহ দেখেন কার হৃদয়ে কৃতজ্ঞতার দীপ,
কার অন্তরে অহংকারের অন্ধকারের নীপ।
ইতিহাস তাই শিক্ষা দেয় প্রজন্ম হতে প্রজন্মে,
অত্যাচার টেকে না কখন সত্যের দীপ্ত সম্মে।
অন্ধকার যত গভীর হোক রাতের কালো ঢেউ,
নূরের আলো ভেঙে দেয় ভয়াল সবই ঢেউ।
আল্লাহর পথে চললে খুলে মুক্তির দ্বার,
ইমানের দীপ জ্বলে উঠে হৃদয়েরই পার।
যারা দুনিয়ার সুখে মগ্ন ভুলে চিরদিন,
তাদের চোখে ঢেকে যায় সত্যের রঙিন দিন।
কিন্তু যারা কিতাবের নূর ধারণ করে প্রাণে,
তারা পায় মুক্তির স্বাদ শান্তিরই টানে।
আসমান গায় তার গুণ ধরণী দেয় সাড়া,
সর্বপ্রশংসিত রবেরই মহিমা সবার ধারা।
তারই কিতাব পথ দেখায় যুগে যুগে প্রাণে,
অন্ধকার হতে আলোয় ডাকে অবিরাম গানে।
নবীদের কাহিনি তাই শুধু গল্প নয়,
মানবতার পথপ্রদর্শক সত্যের মহাময়।
মূসার কণ্ঠে ধ্বনিত হলো মুক্তির আহ্বান,
ভয়ের রাত ভেঙে উঠল আলোর জয়গান।
ফির‘আউনের সিংহাসন কাঁপল সেই দিন,
সত্যের শক্তি সামনে হলে মিথ্যা হয় ক্ষীণ।
অত্যাচারের দুর্গ যতই শক্ত হোক গড়া,
রবের ইচ্ছায় মুহূর্তে হয় ধুলির ধরা।
ইতিহাস তাই বলে যায় যুগের পর যুগ,
সত্যের পথে চলাই মানুষের সেরা সুখ।
অন্ধকারের শেকল ভাঙে ঈমানেরই বল,
নূরের আলো পথ দেখায় দয়ার অনল।
কুরআনের বাণী তাই মানবতার দীপ,
জীবনের মরু পথে শান্তির স্নিগ্ধ নীপ।
যে হৃদয় তা ধারণ করে বিনম্র বিশ্বাসে,
তার জীবন ভরে ওঠে শান্তির সুবাসে।
যে হৃদয় তা প্রত্যাখ্যান করে অহংকারে,
সে হারিয়ে যায় বিভ্রান্তির অন্ধকারে।
তাই কিতাবের আহ্বান আজও ধ্বনিত হয়,
সত্যের পথে এসো মানুষ মুক্তির জয়।
রবের দয়া সীমাহীন আকাশের মতো,
তারই নূর আলোকিত করে অন্তরের ক্ষত।
যুগে যুগে নবীর ডাক একই কথা কয়,
আল্লাহর পথে চলাই মানুষের সত্য জয়।
যে শুনে সে পায় আলো হৃদয়ের গভীরে,
যে ফিরিয়ে নেয় মুখ সে থাকে আঁধার ঘিরে।
অন্ধকারের রাত শেষে যেমন ভোরের গান,
তেমনি সত্য জেগে ওঠে আলোর অবিরাম।
ইতিহাসের প্রতিটি পাতা সে গল্পই কয়,
সত্যের পথে ধৈর্যই শেষ বিজয়।
ধৈর্য আর কৃতজ্ঞতা ইমানেরই রতন,
তাতে জাগে প্রভুর দয়া সীমাহীন জীবন।
যে স্মরণ করে রবকে কৃতজ্ঞ হৃদয় ভরে,
তার জীবন আলোয় ভাসে নূরেরই ঘরে।
যে ভুলে যায় নিয়ামত অহংকারের টানে,
তার হৃদয় ডুবে যায় অন্ধকারের গানে।
তাই মানুষ শোন কিতাবের নূরেরই ডাক,
অন্ধকার ভেঙে চল আলোর পথে আজক।
রবের পথে যে চলে তার মুক্তিরই জয়,
অন্ধকার হতে আলোয় উঠুক মানবময়।
সত্যের আলো নিভে না কালের ঝড়-বাতাসে,
রবের বাণী চিরজাগ্রত বিশ্বমানব পাশে।
যে হৃদয়ে জাগে ঈমান দীপ্ত আলোকধারা,
তার জীবন ভরে ওঠে শান্তির অমল তারা।
ধৈর্যের পথে চলে যারা কৃতজ্ঞতার গান,
তাদের জন্য খোলে যায় রহমতের দিগন্তপ্রাণ।
অত্যাচারের রাত যতই দীর্ঘ হোক শেষে,
সত্যের সূর্য ওঠে নব আলোর রেশে।
ইতিহাসের প্রতিটি ধ্বনি সেই সত্যই কয়,
রবের পথে ধৈর্য ধরা মানবতার জয়।
অন্ধকার হতে আলোয় ডাকে কুরআনের বাণী,
মুক্তির পথে চলার তরে চিরদিনের টানি।
ধরণীর বুক জুড়ে বাজে সেই পবিত্র ডাক,
সত্যের পথে ফিরো মানুষ ভেঙে মিথ্যার ফাঁক।
আসমান গায় তার গুণ, ফেরেশতা দেয় সুর,
পরাক্রমশালী প্রভুরই মহিমা ভরপুর।
যে স্মরণ করে তাঁর দিন ইতিহাসের আলোয়,
তার জীবন ভরে ওঠে নূরের শুভ ঢালোয়।
তাই মানুষ চল সত্যপথে দৃঢ় বিশ্বাস লয়ে,
অন্ধকার হতে আলোয় উঠুক মানব জয়।
রবের কিতাব পথপ্রদর্শক যুগে যুগে প্রাণে,
মানবতার মুক্তির গান বাজে তারই টানে।
যে গ্রহণ করে সে পায় শান্তিরই ঠিকানা,
যে ফিরিয়ে নেয় মুখ তার হারায় জীবনের গানা।
আল্লাহর নূর জাগে যার অন্তরের গভীরে,
সে কখনও হারায় না পথ অন্ধকার ঘিরে।
তাই জাগো মানব, শোনো কিতাবের ডাক,
সত্যের পথে জ্বালো প্রাণে ঈমানেরই পাক।
অন্ধকারের যুগ পেরিয়ে উঠুক নূরের ভোর,
রবের পথে চলাই জীবনের সেরা ঘোর।
যুগে যুগে নবীর বাণী একই আলো কয়,
আল্লাহর পথে চলাই মানবতার জয়।
যে পথ ধরে চলে ধৈর্য কৃতজ্ঞতার প্রাণে,
তার জীবন ভাসে শান্তির অনন্ত গানে।
রবের কিতাব চিরদিন আলোর দীপ জ্বালে,
মানবতার মরু পথে মুক্তিরই কালে।
অন্ধকার হতে আলোয় জাগে জীবনের গান,
সত্যের পথে এগিয়ে চলুক মানবসম্ভান।
রবের পথে যে চলে তারই চূড়ান্ত জয়,
নূরের আলোয় জেগে উঠুক বিশ্বমানবময়।
***
আলিফ লাম রা—নবীর বুকে নূরের প্রথম ধ্বনি,
আকাশ হতে নেমে এল সত্যের পবিত্র বাণী।
রাত্রির ঘন অজ্ঞতায় ঢেকে ছিল প্রাণ,
কিতাব এল আলো হয়ে দিল মুক্তির জ্ঞান।
রবের ইজাজতে খুলল হেদায়েতের দ্বার,
অন্ধকার ভেঙে উঠল নূরের অপর পার।
পরাক্রমশালী প্রভুর পথে ডাকে এই বাণী,
সর্বপ্রশংসিত রবের গুণ গায় ধরণী-পানি।
আসমান আর যমীনের সব যারই মালিকানা,
তারই পথে মুক্তির ডাক জাগায় জীবনের গানা।
তবু কত হৃদয় আছে দুনিয়ার মোহে ঘেরা,
আখিরাতের আলো ছেড়ে সুখের স্বপ্নে মরা।
তারা সত্যপথে দেয় কঠিন অন্ধ বাধা,
বক্রতারই পথ খোঁজে তাদের চিত্ত সাধা।
ভ্রষ্টতারই অন্ধকার ঢেকে ফেলে প্রাণ,
সত্যের আলো হারিয়ে যায় বিভ্রান্তির গান।
তবু প্রভু পাঠান নবী কওমের ভাষা ধরে,
যেন সত্যের আলো জাগে মানুষের অন্তরে।
নিজ ভাষাতে বুঝে নেয় তারা রহমতের ডাক,
হৃদয় জুড়ে জ্বলে ওঠে ঈমানেরই পাক।
আল্লাহ যাকে চান দেন সোজা পথের নূর,
যাকে চান রাখেন দূরে অন্ধকারের সুর।
তিনি শক্তির অধিপতি জ্ঞানের মহাসাগর,
তাঁর বিধানে ঘুরে চলে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ঘর।
ইতিহাসের পাতায় তখন উঠল এক দীপ,
মূসার হাতে জ্বলে উঠল নিদর্শনের নীপ।
রব বললেন—“যাও তুমি কওমের মাঝারে,
অন্ধকার হতে আলোয় আনো তাদের ঘরে।”
“স্মরণ করাও আমার দিন—রহমতের ইতিহাস,
যাতে জাগে কৃতজ্ঞ প্রাণ ধৈর্যের বিশ্বাস।”
ধৈর্যশীল আর কৃতজ্ঞ যারা অন্তরে প্রাণে,
তাদের তরে নিদর্শন ভরা প্রতিটি কালে।
মূসা বলল—“হে আমার কওম স্মরণ কর নিয়ামত,
রবের দয়া তোমাদের দিল মুক্তিরই দামত।”
যেদিন ফির‘আউনের ঘর ছিল জুলুমের ছায়া,
নির্দয়তার আগুন জ্বলে কাঁদত মানব মায়া।
দুঃসহ যন্ত্রণায় কাঁদত প্রতিটি দিনরাত,
অত্যাচারের ঝড়ে ভাঙত জীবনেরই ঘাট।
তোমাদের পুত্রদের তারা করত নির্মম ক্ষয়,
রক্তরাঙা আকাশ ভরে উঠত ক্রন্দনময়।
কন্যাদের রাখত তারা লাঞ্ছনারই মাঝে,
নিষ্ঠুরতার ছায়া ঘিরে থাকত সমাজ সাজে।
এ ছিল প্রভুর পক্ষ হতে কঠিন এক পরীক্ষা,
বিশ্বাসীরা ধৈর্যে তখন অন্তরে রাখে লেখা।
আল্লাহ দেখেন কার হৃদয়ে কৃতজ্ঞতার দীপ,
কার অন্তরে অহংকারের অন্ধকারের নীপ।
ইতিহাস তাই শিক্ষা দেয় যুগ হতে যুগে,
অত্যাচার টেকে না কখন সত্যের দীপ্ত রঙ্গে।
অন্ধকার যত গভীর হোক রাতের কালো ঢেউ,
নূরের আলো ভেঙে দেয় ভয়াল সবই ঢেউ।
আল্লাহর পথে চললে খুলে মুক্তির দ্বার,
ইমানের দীপ জ্বলে উঠে হৃদয়েরই পার।
যারা দুনিয়ার সুখে মগ্ন ভুলে চিরদিন,
তাদের চোখে ঢেকে যায় সত্যের রঙিন দিন।
যারা কিতাবের নূর ধারণ করে প্রাণে,
তারা পায় মুক্তির স্বাদ শান্তিরই টানে।
আসমান গায় তার গুণ ধরণী দেয় সাড়া,
সর্বপ্রশংসিত রবেরই মহিমা সবার ধারা।
তারই কিতাব পথ দেখায় যুগে যুগে প্রাণে,
অন্ধকার হতে আলোয় ডাকে অবিরাম গানে।
নবীদের কাহিনি তাই শুধু গল্প নয়,
মানবতার পথপ্রদর্শক সত্যের মহাময়।
মূসার কণ্ঠে ধ্বনিত হলো মুক্তির আহ্বান,
ভয়ের রাত ভেঙে উঠল আলোর জয়গান।
ফির‘আউনের সিংহাসন কাঁপল সেই দিন,
সত্যের শক্তি সামনে হলে মিথ্যা হয় ক্ষীণ।
অত্যাচারের দুর্গ যতই শক্ত হোক গড়া,
রবের ইচ্ছায় মুহূর্তে হয় ধুলির ধরা।
ইতিহাস তাই বলে যায় যুগের পর যুগ,
সত্যের পথে চলাই মানুষের সেরা সুখ।
অন্ধকারের শেকল ভাঙে ঈমানেরই বল,
নূরের আলো পথ দেখায় দয়ার অনল।
কুরআনের বাণী তাই মানবতার দীপ,
জীবনের মরু পথে শান্তির স্নিগ্ধ নীপ।
যে হৃদয় তা ধারণ করে বিনম্র বিশ্বাসে,
তার জীবন ভরে ওঠে শান্তির সুবাসে।
যে হৃদয় তা প্রত্যাখ্যান করে অহংকারে,
সে হারিয়ে যায় বিভ্রান্তির অন্ধকারে।
তাই কিতাবের আহ্বান আজও ধ্বনিত হয়,
সত্যের পথে এসো মানুষ মুক্তির জয়।
রবের দয়া সীমাহীন আকাশের মতো,
তারই নূর আলোকিত করে অন্তরের ক্ষত।
যুগে যুগে নবীর ডাক একই কথা কয়,
আল্লাহর পথে চলাই মানুষের সত্য জয়।
যে শুনে সে পায় আলো হৃদয়ের গভীরে,
যে ফিরিয়ে নেয় মুখ সে থাকে আঁধার ঘিরে।
অন্ধকারের রাত শেষে যেমন ভোরের গান,
তেমনি সত্য জেগে ওঠে আলোর অবিরাম।
ইতিহাসের প্রতিটি পাতা সে গল্পই কয়,
সত্যের পথে ধৈর্যই শেষ বিজয়।
ধৈর্য আর কৃতজ্ঞতা ইমানেরই রতন,
তাতে জাগে প্রভুর দয়া সীমাহীন জীবন।
যে স্মরণ করে রবকে কৃতজ্ঞ হৃদয় ভরে,
তার জীবন আলোয় ভাসে নূরেরই ঘরে।
যে ভুলে যায় নিয়ামত অহংকারের টানে,
তার হৃদয় ডুবে যায় অন্ধকারের গানে।
তাই মানুষ শোন কিতাবের নূরেরই ডাক,
অন্ধকার ভেঙে চল আলোর পথে আজক।
রবের পথে যে চলে তার মুক্তিরই জয়,
অন্ধকার হতে আলোয় উঠুক মানবময়।
***
আলিফ লাম রা—নবীর বুকে নূরের প্রথম ধ্বনি,
আকাশ হতে নেমে এলো সত্যের পবিত্র বাণী।
অজ্ঞতার ঘন আঁধারে ঢেকে ছিল প্রাণ,
কিতাব এল আলো হয়ে দিল মুক্তির জ্ঞান।
রবের ইজাজতে খুলল হেদায়েতের দ্বার,
অন্ধকার ভেঙে উঠল নূরের অপর পার।
পরাক্রমশালী প্রভুর পথে ডাকে এই বাণী,
সর্বপ্রশংসিত রবের গুণ গায় ধরণী-পানি।
আসমান ও যমীনের সব যারই মালিকানা,
তারই পথে মুক্তির ডাক জাগায় জীবনের গানা।
তবু কত হৃদয় আছে দুনিয়ার মোহে ঘেরা,
আখিরাতের আলো ছেড়ে সুখের স্বপ্নে মরা।
তারা সত্যপথে দেয় কঠিন অন্ধ বাধা,
বক্রতারই পথ খোঁজে তাদের চিত্ত সাধা।
ভ্রষ্টতার অন্ধকার ঢেকে ফেলে প্রাণ,
সত্যের আলো হারিয়ে যায় বিভ্রান্তির গান।
তবু প্রভু পাঠান নবী কওমের ভাষা ধরে,
যেন সত্যের আলো জাগে মানুষের অন্তরে।
নিজ ভাষাতে বুঝে নেয় তারা রহমতের ডাক,
হৃদয় জুড়ে জ্বলে ওঠে ঈমানেরই পাক।
আল্লাহ যাকে চান দেন সোজা পথের নূর,
যাকে চান রাখেন দূরে অন্ধকারের সুর।
তিনি শক্তির অধিপতি জ্ঞানের মহাসাগর,
তাঁর বিধানে ঘুরে চলে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ঘর।
ইতিহাসের পাতায় তখন জাগল নতুন দিন,
নিদর্শনের আলো নিয়ে এলেন মূসা বিন।
রব বললেন—“যাও তুমি কওমের মাঝারে,
অন্ধকার হতে আলোয় আনো তাদের ঘরে।”
“স্মরণ করাও আমার দিন রহমতের ইতিহাস,
যাতে জাগে কৃতজ্ঞ হৃদয় ধৈর্যের বিশ্বাস।”
ধৈর্যশীল আর কৃতজ্ঞ যারা অন্তরে প্রাণে,
তাদের তরে নিদর্শন ভরা প্রতিটি কালে।
মূসা বলল—“হে আমার কওম স্মরণ কর নিয়ামত,
রবের দয়া তোমাদের দিল মুক্তিরই দামত।”
যেদিন ফির‘আউনের ঘর ছিল জুলুমের ছায়া,
নির্দয়তার আগুন জ্বলে কাঁদত মানব মায়া।
দুঃসহ যন্ত্রণায় ভরা প্রতিটি দিনরাত,
অত্যাচারের ঝড়ে কাঁপত জীবনেরই ঘাট।
তোমাদের পুত্রদের তারা করত নির্মম ক্ষয়,
রক্তরাঙা আকাশ জুড়ে উঠত ক্রন্দনময়।
কন্যাদের রাখত তারা লাঞ্ছনারই মাঝে,
নিষ্ঠুরতার ছায়া ঘিরে থাকত সমাজ সাজে।
এ ছিল প্রভুর পক্ষ হতে কঠিন এক পরীক্ষা,
বিশ্বাসীরা ধৈর্যে তখন অন্তরে রাখে লেখা।
আল্লাহ দেখেন কার হৃদয়ে কৃতজ্ঞতার দীপ,
কার অন্তরে অহংকারের অন্ধকারের নীপ।
ইতিহাস তাই শিক্ষা দেয় যুগ হতে যুগে,
অত্যাচার টেকে না কখন সত্যের দীপ্ত রঙ্গে।
অন্ধকার যত গভীর হোক রাতের কালো ঢেউ,
নূরের আলো ভেঙে দেয় ভয়াল সবই ঢেউ।
আল্লাহর পথে চললে খুলে মুক্তির দ্বার,
ইমানের দীপ জ্বলে উঠে হৃদয়েরই পার।
যারা দুনিয়ার সুখে মগ্ন ভুলে চিরদিন,
তাদের চোখে ঢেকে যায় সত্যের রঙিন দিন।
যারা কিতাবের নূর ধারণ করে প্রাণে,
তারা পায় মুক্তির স্বাদ শান্তিরই টানে।
আসমান গায় তার গুণ ধরণী দেয় সাড়া,
সর্বপ্রশংসিত রবেরই মহিমা সবার ধারা।
তারই কিতাব পথ দেখায় যুগে যুগে প্রাণে,
অন্ধকার হতে আলোয় ডাকে অবিরাম গানে।
নবীদের কাহিনি তাই শুধু গল্প নয়,
মানবতার পথপ্রদর্শক সত্যের মহাময়।
মূসার কণ্ঠে ধ্বনিত হলো মুক্তির আহ্বান,
ভয়ের রাত ভেঙে উঠল আলোর জয়গান।
ফির‘আউনের সিংহাসন কাঁপল সেই দিন,
সত্যের শক্তি সামনে হলে মিথ্যা হয় ক্ষীণ।
অত্যাচারের দুর্গ যতই শক্ত হোক গড়া,
রবের ইচ্ছায় মুহূর্তে হয় ধুলির ধরা।
ইতিহাস তাই বলে যায় যুগের পর যুগ,
সত্যের পথে চলাই মানুষের সেরা সুখ।
অন্ধকারের শেকল ভাঙে ঈমানেরই বল,
নূরের আলো পথ দেখায় দয়ার অনল।
কুরআনের বাণী তাই মানবতার দীপ,
জীবনের মরু পথে শান্তির স্নিগ্ধ নীপ।
যে হৃদয় তা ধারণ করে বিনম্র বিশ্বাসে,
তার জীবন ভরে ওঠে শান্তির সুবাসে।
যে হৃদয় তা প্রত্যাখ্যান করে অহংকারে,
সে হারিয়ে যায় বিভ্রান্তির অন্ধকারে।
তাই কিতাবের আহ্বান আজও ধ্বনিত হয়,
সত্যের পথে এসো মানুষ মুক্তির জয়।
রবের দয়া সীমাহীন আকাশের মতো,
তারই নূর আলোকিত করে অন্তরের ক্ষত।
যুগে যুগে নবীর ডাক একই কথা কয়,
আল্লাহর পথে চলাই মানুষের সত্য জয়।
যে শুনে সে পায় আলো হৃদয়ের গভীরে,
যে ফিরিয়ে নেয় মুখ সে থাকে আঁধার ঘিরে।
অন্ধকারের রাত শেষে যেমন ভোরের গান,
তেমনি সত্য জেগে ওঠে আলোর অবিরাম।
ইতিহাসের প্রতিটি পাতা সে গল্পই কয়,
সত্যের পথে ধৈর্যই শেষ বিজয়।
ধৈর্য আর কৃতজ্ঞতা ইমানেরই রতন,
তাতে জাগে প্রভুর দয়া সীমাহীন জীবন।
যে স্মরণ করে রবকে কৃতজ্ঞ হৃদয় ভরে,
তার জীবন আলোয় ভাসে নূরেরই ঘরে।
যে ভুলে যায় নিয়ামত অহংকারের টানে,
তার হৃদয় ডুবে যায় অন্ধকারের গানে।
তাই মানুষ শোন কিতাবের নূরেরই ডাক,
অন্ধকার ভেঙে চল আলোর পথে আজক।
রবের পথে যে চলে তার মুক্তি হয়,
অন্ধকার হতে আলোয় উঠুক মানবময়।
১
১ মন্তব্য