Loading..

ব্লগ

রিসেট

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০৬ অপরাহ্ণ

হামের চিকিৎসায় করণীয় ও লক্ষণ
হামের চিকিৎসায় করণীয় ও লক্ষণ ব্যবস্থাপনা:
  • বিশ্রাম ও তরল: রোগীকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে এবং পানিশূন্যতা রোধ করতে প্রচুর পানি, ফলের রস বা ডাবের পানি পান করাতে হবে ।
  • জ্বর ও ব্যথা কমানো: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন দেওয়া যেতে পারে। মনে রাখবেন, ১৬ বছরের কম বয়সীদের অ্যাসপিরিন (Aspirin) দেওয়া যাবে না ।
  • ভিটামিন-এ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাম আক্রান্ত শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ালে জটিলতা কমে ।
  • চোখের যত্ন: চোখ লাল হলে বা পানি পড়লে কুসুম গরম পানি ও তুলা দিয়ে নিয়মিত চোখ পরিষ্কার করতে হবে ।
  • আলাদা রাখা (Isolation): হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে, তাই আক্রান্ত ব্যক্তিকে ফুসকুড়ি ওঠার ৪ দিন পর পর্যন্ত অন্যদের থেকে আলাদা রাখতে হবে। 
  • পুষ্টিকর খাবার: রোগীকে নরম ও পুষ্টিকর খাবার যেমন—খিচুড়ি, স্যুপ, ফলমূল খাওয়াতে হবে । 
কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন:
  • শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথা হলে।
  • তীব্র জ্বর (১০৩-১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট) বা জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হলে।
  • প্রচণ্ড মাথাব্যথা, গলা ব্যথা বা ঘাড় শক্ত হয়ে গেলে। 
  • শিশুর পানিশূন্যতা দেখা দিলে (যেমন- প্রস্রাব কমে যাওয়া, মুখ শুকিয়ে যাওয়া)। 
প্রতিরোধ:
সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে MMR টিকা (হাম, মাম্পস, রুবেলা) দেওয়া।
মন্তব্য করুন

ব্লগ