হামের চিকিৎসায় করণীয় ও লক্ষণ ব্যবস্থাপনা:
- বিশ্রাম ও তরল: রোগীকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে এবং পানিশূন্যতা রোধ করতে প্রচুর পানি, ফলের রস বা ডাবের পানি পান করাতে হবে ।
- জ্বর ও ব্যথা কমানো: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন দেওয়া যেতে পারে। মনে রাখবেন, ১৬ বছরের কম বয়সীদের অ্যাসপিরিন (Aspirin) দেওয়া যাবে না ।
- ভিটামিন-এ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাম আক্রান্ত শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ালে জটিলতা কমে ।
- চোখের যত্ন: চোখ লাল হলে বা পানি পড়লে কুসুম গরম পানি ও তুলা দিয়ে নিয়মিত চোখ পরিষ্কার করতে হবে ।
- আলাদা রাখা (Isolation): হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে, তাই আক্রান্ত ব্যক্তিকে ফুসকুড়ি ওঠার ৪ দিন পর পর্যন্ত অন্যদের থেকে আলাদা রাখতে হবে।
- পুষ্টিকর খাবার: রোগীকে নরম ও পুষ্টিকর খাবার যেমন—খিচুড়ি, স্যুপ, ফলমূল খাওয়াতে হবে ।
কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন:
- শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথা হলে।
- তীব্র জ্বর (১০৩-১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট) বা জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হলে।
- প্রচণ্ড মাথাব্যথা, গলা ব্যথা বা ঘাড় শক্ত হয়ে গেলে।
- শিশুর পানিশূন্যতা দেখা দিলে (যেমন- প্রস্রাব কমে যাওয়া, মুখ শুকিয়ে যাওয়া)।
প্রতিরোধ:
সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে MMR টিকা (হাম, মাম্পস, রুবেলা) দেওয়া।
৪
৪ মন্তব্য