প্রভাষক
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
জ্বালানি সাশ্রয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাসের পক্ষে ৫৫ শতাংশ
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশেও দ্রুত পরিকল্পিত ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু না করলে সংকট আরও গভীর হতে পারে। এক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সময় কিছুটা পরিবর্তন করা, অনলাইন-অফলাইন সমন্বিত পদ্ধতিতে পাঠদানের মতো বিষয়গুলো বিবেচনা করা যেতে পারে। এমতাবস্থায় দেশের ৫৫ শতাংশ মানুষও জ্বালানি সাশ্রয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় অনলাইনে ক্লাসের পক্ষে।
দেশের শিক্ষাবিষয়ক পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল পত্রিকা দৈনিক শিক্ষাডটকমের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে জরিপে অংশ নেয়া ৪৩ শতাংশ অনলাইন ক্লাসের পক্ষে নয়। আর অবশিষ্ট ২ শতাংশ মানুষ এর পক্ষে বিপক্ষে কোনো মতামত দেননি।
গতকাল রোববার সকাল থেকে শুরু হয়ে আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত দৈনিক শিক্ষাডটকমের ওয়েবসাইটে এই জরিপ চালানো হয়।
দৈনিক শিক্ষাডটকম পরিচালিত এই জরিপে অংশ নিয়েছেন মোট চার হাজার ৭২০ জন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন দুই হাজার ৬১৫ জন এবং ‘না’ ভোট দিয়েছেন দুই হাজার ২৭ জন। ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কোনো মন্তব্য করেননি ৭৮ জন।
জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিলো, জ্বালানি সাশ্রয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় অনলাইনে ক্লাস চালুর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের—আপনিও কি একমত? জরিপে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ এর পাশাপাশি ‘মন্তব্য নেই’ নামে আরেকটি ঘর ছিলো।
এ প্রসঙ্গে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হলে জ্বালানি খাতের ওপর চাপ কিছুটা হলেও বাড়বে। যুদ্ধ সমাপ্তির বিষয়টি যেহেতু আমাদের অজানা, তাই সব খাতেই কীভাবে জ্বালানি সাশ্রয় করা যায় সে বিষয়ে পরিকল্পনা প্রয়োজন। শিক্ষার ক্ষেত্রে অনেক দেশই আপৎকালীন পরিস্থিতিতে অনলাইন ক্লাস চালু করে। তবে কোভিডের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখেছি আমাদের দেশে এটি খুব একটা কার্যকর নয় এবং ওই সময়ে শিক্ষার্থীদের একটি বড় শিখন ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। সেক্ষেত্রে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে কী করা যেতে পারে এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের উচিত অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে এখনই একটি পরিকল্পনা তৈরি করা।
১
১ মন্তব্য