Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ

প্রাথমিকে চালু হচ্ছে মিড ডে মিল ৩৪৯ উপজেলায়

বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে এবং ঝরে পড়া রোধে সরকার ৩৪৯টি নতুন উপজেলায় মিড-ডে মিল (স্কুল ফিডিং) কর্মসূচি সম্প্রসারণ করছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, এই প্রকল্প বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন পর্যায়ে রয়েছে। 

নিচে এই কর্মসূচির বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হলো:

কর্মসূচির ব্যাপ্তি ও লক্ষ্য 

নতুন এলাকা: দেশের সকল মহানগরী, জেলা শহর এবং গ্রামীণ এলাকার আরও ৩৪৯টি উপজেলা এই কার্যক্রমের আওতায় আসবে।

শিক্ষার্থী সংখ্যা: এই ধাপের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি (১০ মিলিয়ন) শিক্ষার্থীকে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

মূল উদ্দেশ্য: শিক্ষার্থীদের স্কুলে উপস্থিতি বাড়ানো, মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া (ঝরে পড়া) কমানো এবং তাদের দৈনিক ক্যালোরি চাহিদার অন্তত ৩০ শতাংশ নিশ্চিত করা। 

খাবার ও মেনু পরিকল্পনা

শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে পাঁচ কর্মদিবসে বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করা হবে: 

ফর্টিফাইড বিস্কুট: পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ বিশেষ বিস্কুট।

ফল: কলা বা মৌসুমি ফল।

অন্যান্য খাবার: বনরুটি, ডিম এবং ইউএইচটি (UHT) দুধ।

নতুন সংযোজন: ২০২৫ সালের জুলাই-আগস্ট থেকে ডিম, কলা ও দুধের মতো তাজা খাবারের সরবরাহ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। 

বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

প্রথম পর্যায়: গত বছর নির্বাচিত ১৫০টি উপজেলায় ১৯,৪১৯টি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩১.১৩ লাখ শিক্ষার্থীকে এই সুবিধার আওতায় আনা হয়েছিল।

তদারকি: অতীতে কিছু এলাকায় নিম্নমানের খাবার (যেমন পচা কলা বা মানহীন রুটি) সরবরাহের অভিযোগ ওঠায় বর্তমানে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সার্বজনীন মিড-ডে মিল: সরকার ধাপে ধাপে দেশের সকল উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি চালুর দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। 

সরকারের এই উদ্যোগটি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ