Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩১ অপরাহ্ণ

প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় মিড ডে মিলের গুরুত্ব

প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় মিড-ডে মিল (বা স্কুল ফিডিং) শিক্ষার্থীদের পুষ্টির ঘাটতি দূর করে শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করে, স্কুলে উপস্থিতি বাড়ায় এবং ঝরে পড়ার হার (Drop-out) উল্লেখযোগ্যভাবে কমায় [১, ৫, ৭]। এটি দরিদ্র পরিবারের শিশুদের ক্ষুধা মিটিয়ে নিয়মিত স্কুলে আসতে উৎসাহিত করে এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করে [৭, ৮]। এই কর্মসূচি পুষ্টিকর খাবারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশ ও সুস্থ প্রজন্ম গঠনে সরাসরি অবদান রাখে [২, ১১]। 

প্রাথমিক শিক্ষায় মিড-ডে মিলের প্রধান গুরুত্বগুলো হলো:

উপস্থিতি ও মেধা বৃদ্ধি: নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের ফলে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়ে এবং তারা পড়াশোনায় ভালো ফল করে [৭, ১০]।

ঝরে পড়া রোধ: খাবারের নিশ্চয়তা থাকায় দরিদ্র পরিবারের শিশুরা স্কুলে টিকে থাকে এবং প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করতে উৎসাহিত হয় [১, ৫]।

পুষ্টিহীনতা দূরীকরণ: এটি শিশুদের অপুষ্টিজনিত সমস্যা কমায় এবং স্বাস্থ্যকর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করে [২, ১০]।

সামাজিক সমতা: ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সব শিশু একসাথে বসে খাবার খাওয়ার ফলে তাদের মধ্যে সাম্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে ওঠে [৭]।

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া: সুস্থ, মেধাবী ও শিক্ষিত প্রজন্ম তৈরির মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও 'স্মার্ট বাংলাদেশ' গড়ার লক্ষ্য অর্জনে এটি গুরুত্বপূর্ণ [৪, ৮]। 

এই নিবন্ধে শিক্ষক বাতায়ন থেকে জানা যায় যে, মিড-ডে মিল শিশুর প্রাথমিক শিক্ষায় আসার হার বাড়ায় [১১]। প্রাথমিক শিক্ষায় স্কুল ফিডিং বা মিড ডে মিল এর প্রভাব সম্পর্কে শিক্ষক বাতায়ন আরও জানায়, এর ফলে বিদ্যালয়ের পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে [৫]।

মন্তব্য করুন

ব্লগ