Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৪ জুন, ২০২৬ ০৯:০৬ অপরাহ্ণ

এনএসইউতে টেকসই উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা

এনএসইউতে টেকসই উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা

আলোচনায় অংশ নেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের অধ্যাপক ও স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন প্রফেসর রিজওয়ানুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা একটি জটিল বিষয় এবং শান্তিকে শুধু সহিংসতার অনুপস্থিতি হিসেবে দেখলে চলবে না।

#এনএসইউনর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) ‘ইনস্টিটিউশনালাইজিং পিস ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট: অ্যাডভান্সিং দ্য ডি-পি-সি-ডব্লিউ বেইজড পিস গভর্ন্যান্স থ্রু লোকাল করপোরেশনস’ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম ৮০১-এ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এনএসইউর আইন বিভাগের সেন্টার ফর লিগ্যাল রিসার্চ।

রোববার (১৪ জুন) এনএসইউ কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা হেভেনলি কালচার, ওয়ার্ল্ড পিস, রেস্টোরেশন অব লাইট (এইচডব্লিউপিএল), এনএসইউ ল’ অ্যান্ড মুটিং সোসাইটি এবং বাংলাদেশ ফোরাম ফর লিগ্যাল অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স (বিএফএলএইচএ)। চলমান অংশীদারত্বের অংশ হিসেবে বিএফএলএইচএ এবং এইচডব্লিউপিএল যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে। বাংলাদেশে আইনের শাসন, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক শান্তি প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করাই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর নাসার ইউ. আহমেদ। বক্তব্যে তিনি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে বৈচিত্র্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মানুষ বিভিন্ন গোষ্ঠী, সংস্কৃতি ও ধর্মের অনুসারী হলেও পারস্পরিক সহাবস্থানই শান্তির ভিত্তি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচনায় জাতিসংঘ সনদের মূল্যবোধের প্রতিফলন পাওয়া যায়। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জ্ঞান সৃষ্টি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের শান্তিবিরোধী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মাধ্যমে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

আলোচনায় অংশ নেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের অধ্যাপক ও স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন প্রফেসর রিজওয়ানুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা একটি জটিল বিষয় এবং শান্তিকে শুধু সহিংসতার অনুপস্থিতি হিসেবে দেখলে চলবে না। তিনি উল্লেখ করেন, পশ্চিমা শক্তিগুলো মানবাধিকার ও শান্তির পক্ষে কথা বললেও অনেক সময় এসব নীতির প্রয়োগে দ্বৈত মানদণ্ড দেখা যায়। গাজা ও ইরানের চলমান সংঘাত এবং মানবিক সংকটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এসব পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মানবিক আইনকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছে।

সূচনা বক্তব্য দেন এইচডব্লিউপিএলের ডিপার্টমেন্ট অব পিস এডুকেশনের সমন্বয়ক বেঞ্জামিন কিম। তিনি শিক্ষা, সংলাপ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংগঠনটির চলমান কার্যক্রম তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে ইন্টারন্যাশনাল পিস ইয়ুথ গ্রুপ (IPYG)-এর সমন্বয়ক জ্যাকব বে-ও উপস্থিত ছিলেন।

স্বাগত বক্তব্য দেন সেন্টার ফর লিগ্যাল রিসার্চের সমন্বয়ক লোকমান হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ফোরাম ফর লিগ্যাল অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্সের সভাপতি সায়েরে নাজাবি সায়েম। সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন এনএসইউর আইন বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক নাসমিন জাবিন নূর।

#এনএসইউ

মন্তব্য করুন