সহকারী অধ্যাপক
১৫ জুন, ২০২৬ ০৬:১৯ অপরাহ্ণ
সৎকাজে অগ্রগামী - মোঃ মুজিবুর রহমান
|
|
সৎকাজে অগ্রগামী
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
শুরু করি হৃদয়ছোঁয়া এক প্রেরণার গান,
সৎকাজে অগ্রগামী হোক মানবতার প্রাণ।
কল্যাণের আহ্বানে জাগুক নব উচ্ছ্বাস,
ভালো কাজে গড়ুক মানুষ জীবনের ইতিহাস।
পৃথিবীতে মানুষ আসে অল্প দিনের তরে,
কর্মের মালা গাঁথতে হয় সময়েরই ঘরে।
ধন-সম্পদ, মান-সম্মান থাকে না চিরকাল,
সৎকর্ম শুধু জ্বালিয়ে রাখে অমরতার দীপজ্বাল।
আল্লাহ বলেন, "কল্যাণে হও প্রতিযোগী",
সত্যপথের যাত্রী হও, হও না কভু ভোগী।
যে আগে বাড়ে ন্যায়ের পথে, দয়ার হাত বাড়ায়,
মানবতার সে সৈনিকই শ্রেষ্ঠ মর্যাদা পায়।
সকালবেলা সূর্য যখন সোনার আলো ছড়ায়,
মুমিন তখন কর্মপ্রাণে নতুন শপথ গড়ায়।
আজকের দিনে কী করিব মানুষের কল্যাণ?
কীভাবে হবে উপকৃত এই বিশ্বের প্রাণ?
সৎকাজ মানে শুধু নয় মসজিদেরই দ্বার,
সৎকাজ মানে ক্ষুধার্ত মুখে তুলে দেওয়া আহার।
সৎকাজ মানে দুঃখীর পাশে সান্ত্বনারই বাণী,
সৎকাজ মানে সত্য বলা, রাখা ন্যায়ের মানই।
সৎকাজ মানে পিতামাতার সেবা করা প্রাণে,
তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা রাখা প্রতিটি সম্মানে।
সৎকাজ মানে শিক্ষকেরে দেওয়া যথাযথ মান,
জ্ঞানের আলো ছড়ানোও এক মহৎ অবদান।
সৎকাজ মানে বন্ধুর দুঃখ ভাগ করে নেওয়া,
অসহায়ের ক্লান্ত পথে আশার প্রদীপ হওয়া।
সৎকাজ মানে অন্যায়েরে সাহস নিয়ে রোধ,
সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়ে করা বিবেকেরই শোধ।
সৎকাজ মানে শিশুর মুখে হাসির ফুল ফোটানো,
অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া প্রাণকে পথ দেখানো।
সৎকাজ মানে রোগীর পাশে জাগরণ রাতভর,
করুণার স্পর্শে ভরিয়ে দেওয়া তার অন্তর।
সৎকাজ মানে জ্ঞানের পথে অবিরাম চলা,
অজ্ঞতার কালো মেঘে আলোর শিখা জ্বলা।
সৎকাজ মানে বইয়ের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা,
সত্য ও প্রজ্ঞার মুক্তো মন-মন্দিরে তোলা।
যখন দেখি অন্য কেউ ভালো কাজে রত,
হিংসা নয়, উৎসাহ জাগে হৃদয়ে অবিরত।
কার আগে কে পৌঁছাবে এই নয় প্রতিযোগ,
মানবসেবার অঙ্গনে হোক মহৎ উদ্যোগ।
একজন দেয় একটি বৃক্ষ, আরেকজন দেয় দশ,
দুজনেই তো কল্যাণকামী, দুজনেই অবিনশ্বর রশ্মি।
একজন শেখায় একটি শিশু, অন্যজন শতজন,
কল্যাণস্রোতে যুক্ত হয় উভয়েরই জীবন।
যে মসজিদে আগে আসে নামাজ আদায় করে,
যে গোপনে দান করে যায় মানুষেরই তরে,
যে ক্ষমা করে শত্রুকেও হৃদয় খুলে দিয়ে,
সৎকর্মে সে এগিয়ে থাকে আল্লাহর দিকে গিয়ে।
তাড়াহুড়া নয় পাপের পথে, নয় কোনো অহংকার,
দ্রুততা হোক কল্যাণমুখী, হোক চরিত্র উজ্জ্বল আর।
সুযোগ যখন সামনে আসে নেকির কোনো দ্বার,
অলসতায় তা হারিয়ে ফেলা বড়ই ক্ষতির ভার।
আজ যদি পারি একটি প্রাণে আশার কথা দিতে,
আজ যদি পারি একটি চোখের অশ্রু মুছে নিতে,
আজ যদি পারি একটি মনকে সত্যপথে আনতে,
তবে কেনই বা বিলম্ব হবে কল্যাণের গান গাইতে?
যে যুবক আজ সময়টাকে জ্ঞানে করে ব্যয়,
আগামী দিনের সমাজগঠনে তারই জয়।
যে তরুণী সততা নিয়ে গড়ে নিজের মান,
তার হাত ধরেই উজ্জ্বল হবে জাতির ভবিষ্যৎ প্রাণ।
জাতি গড়ে সৎ মানুষের নিষ্ঠা আর শ্রমে,
সভ্যতা হয় মহিমান্বিত উত্তম কর্মধর্মে।
ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ যারা মানবতার দিশারী,
সৎকাজেই পেয়েছেন তাঁরা সম্মানের অধিকারী।
নদী যেমন সাগর পানে অবিরত ছুটে যায়,
সৎকর্মীও কল্যাণপথে থেমে থাকতে চায় না হায়।
পাহাড় যেমন দাঁড়িয়ে থাকে দৃঢ়তারই চূড়ায়,
মুমিন তেমনি অবিচল থাকে সত্যপথের সুরায়।
বিপদ এলে ধৈর্য ধরি, সুখে করি শুকরিয়া,
এ দুই পথেই সৎকর্ম জাগে হৃদয়ের মহিমায়।
প্রতিকূলতা থামাতে পারে না যারা নেকির রথ,
তারাই লেখে জীবনের শ্রেষ্ঠ সাফল্যের শপথ।
রাত্রির নীরব তাহাজ্জুদে যে কাঁদে রবের তরে,
দিনের বেলায় সেই মানুষ সেবায় নামে ঘরে ঘরে।
ইবাদত আর মানবসেবা দুই নয় পৃথক ধারা,
একই স্রোতে মিশে যায় তা আলোর উজ্জ্বল তারা।
সৎকর্ম যদি হয় এক বীজ ক্ষুদ্র মাটির বুকে,
একদিন তা মহীরুহ হয় আশীর্বাদের সুখে।
একটি হাসি, একটি কথা, একটি মমতার ছোঁয়া,
কত হৃদয়ের অন্ধকারে জ্বালতে পারে আলোয়া।
হে মানুষ, সময় অল্প, জীবন ক্ষণিক অতিথি,
কল্যাণের পথেই খুঁজে নাও সাফল্যের গীতি।
যা কিছু ভালো, যা কিছু সত্য, যা কিছু মহীয়ান,
সেসব কাজে এগিয়ে যাক প্রতিটি মানবপ্রাণ।
হোক না আমাদের প্রতিযোগিতা দান ও দয়ায়,
হোক না আমাদের অগ্রযাত্রা সত্যের মহিমায়।
হোক না আমাদের শ্রেষ্ঠত্ব বিনয় আর ত্যাগে,
মানবকল্যাণের দীপশিখা জ্বলুক অনুরাগে।
কেউ ক্ষুধার্ত থাকবে না আর, এ হোক সবার ব্রত,
কেউ অবহেলায় কাঁদবে না আর, এ হোক প্রাণের শপথ।
জ্ঞান, ন্যায়, প্রেম ও সেবায় গড়ি সুন্দর ভুবন,
সৎকর্ম হোক মানবজাতির চিরন্তন ভূষণ।
শেষ করি আশাভরা এক আলোকিত আহ্বান,
সৎকাজে অগ্রগামী হোক বিশ্বের প্রতিটি প্রাণ।
দুনিয়ার পথে কল্যাণ বুনি, প্রেমের বীজ ছড়াই,
রবের সন্তুষ্টি লাভের তরে নেকির পথে ধাই।
যারা কল্যাণের ডাকে সাড়া দেয় অবিরাম,
তাদের জীবন সুবাস ছড়ায় যুগে যুগে অবিরাম।
সৎকর্মেই মহত্ত্ব জাগে, সৎকর্মেই জয়,
কল্যাণের প্রতিযোগিতায় হোক মানবতার পরিচয়।
সৎকাজে অগ্রগামী
(فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرَاتِ — সৎকাজে প্রতিযোগিতা করো)
শুরু করি হৃদয়ছোঁয়া এক প্রেরণার গান,
সৎকাজে অগ্রগামী হোক মানবতার প্রাণ।
রবের বাণী ডাকে আজ কল্যাণেরই পথে,
আলোর মশাল জ্বালতে হবে জীবনের প্রতিরথে।
পৃথিবী এক কর্মক্ষেত্র, ক্ষণিক থাকার স্থান,
এখানেই লিখতে হবে জীবনের সম্মান।
ধন-সম্পদ, যশের মুকুট থাকবে না চিরদিন,
সৎকর্ম শুধু জ্বালিয়ে রাখে অমর আলোকরশ্মি বিন্দু বিন্দু ঋণ।
কেউ আসে রাজপ্রাসাদে, কেউ কুঁড়েঘরের কোণে,
সবাই একদিন মিলিয়ে যাবে সময়েরই স্রোতে।
থেকে যাবে শুধু কর্মগাথা, থেকে যাবে দান,
মানুষ হয়ে মানুষের তরে কতটুকু দিল প্রাণ।
তাই তো কুরআনের বাণী যুগে যুগে কয়,
কল্যাণকর্মে অগ্রগামী হও, সেখানেই সত্য জয়।
অহংকারে নয় শ্রেষ্ঠত্ব, নয় প্রভুত্বের মান,
সেবার মাঝে লুকিয়ে থাকে মানুষের সম্মান।
প্রতিযোগিতা বললেই নয় হিংসার আয়োজন,
নয় কারো পতন দেখে নিজের উল্লাসগান।
এ প্রতিযোগিতা ন্যায়ের পথে, দয়ার পথে ধাবন,
এ প্রতিযোগিতা মানুষ গড়ার, আলোকিত জীবন।
কে আগে মসজিদে আসে, কে আগে করে দান,
কে আগে ছুটে যায় শুনে বিপদগ্রস্তের আহ্বান।
কে আগে ক্ষমা করে দেয় হৃদয়ের সব ক্ষোভ,
কে আগে সত্যের পক্ষে দাঁড়ায় নির্ভয় রব।
অন্যের ভালো দেখে যদি জাগে নতুন উদ্যম,
তবেই তো সে প্রতিযোগিতা কল্যাণময় সুমধুর।
যেখানে জয় সবার জন্য, নেই কোনো পরাজয়,
সৎকর্মের এই প্রতিদ্বন্দ্বে সকলেরই জয়।
ফজরের স্নিগ্ধ আলো ফোটে আকাশের প্রান্তে,
মুমিন তখন দাঁড়িয়ে যায় রবেরই দরবারেতে।
সিজদার মাঝে খুঁজে পায় সে হৃদয়ের প্রশান্তি,
নামাজ তার জীবনজুড়ে জাগায় শুভকান্তি।
রমজানের রোজা শেখায় আত্মসংযম-ধারা,
ক্ষুধার মাঝে অনুভব হয় অভাবীর হাহাকারা।
জাকাত শেখায় সম্পদেরও রয়েছে অন্য হক,
দানেই বাড়ে সম্পদের মর্যাদা, মেটে হৃদয়ের শোক।
তাহাজ্জুদের নীরব রাতে যে কাঁদে একাকী,
রবের রহমতের বৃষ্টিধারা নামে তারই বুকে ঝাঁপি।
ইবাদতের এই সৌন্দর্য মানুষকে করে মহান,
নম্রতায় ভরে ওঠে তার প্রতিটি প্রাণপ্রাণ।
সৎকাজ মানে কেবল নয় উপাসনার দ্বার,
সৎকাজ মানে ক্ষুধার্ত মুখে তুলে দেওয়া আহার।
সৎকাজ মানে বিধবার চোখে মুছে দেওয়া জল,
এতিম শিশুর মাথায় রাখা স্নেহমাখা হাততল।
অসহায়ের পাশে গিয়ে বলা সাহসের বাণী,
দুঃখের দিনে বন্ধু হয়ে থাকা অনন্তকাল জানি।
রোগীর শয্যার পাশে বসে জাগা নির্ঘুম রাত,
সান্ত্বনার একটি বাক্যও সৎকর্মেরই প্রভাত।
যে মানুষ অন্যের সুখে নিজের সুখ খুঁজে পায়,
মানবতার ইতিহাসে সে অমর হয়ে যায়।
সেবাই যদি হয় জীবনের শ্রেষ্ঠ অলংকার,
তবে সে জীবন ধন্য হয় বারবার, অপার।
সৎকাজ মানে জ্ঞানের পথে অবিরাম চলা,
অজ্ঞতার অন্ধকারে আলোর প্রদীপ জ্বলা।
একটি বই খুলে দেয় শত শত দুয়ার,
জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত হয় ভবিষ্যতের পার।
যে শিক্ষক গড়েন মানুষ নিষ্ঠা ও মমতায়,
জাতির শ্রেষ্ঠ স্থপতি তিনি মানবকল্যাণে।
যে ছাত্র শেখে সত্যকে, শেখে নৈতিকতা,
তার হাতেই গড়ে ওঠে আগামী দিনের সভ্যতা।
কলম যখন সত্য লিখে, মুছে মিথ্যার ছায়া,
জ্ঞান তখন সমাজজুড়ে আশার আলো ছড়ায়।
তাই জ্ঞানের সাধনাও এক মহান ইবাদত,
যা মানুষকে পৌঁছে দেয় প্রজ্ঞার মহাসমুদ্রে।
সৎকাজ শুধু বাহিরে নয়, অন্তরেও তার স্থান,
চরিত্র গঠনে লুকিয়ে থাকে মহত্ত্বের সম্মান।
সত্যবাদী, আমানতদার, বিনয়ী যার মন,
সেই তো প্রকৃত মানুষ, সেই সফল জীবন।
ক্ষমার শক্তি প্রতিশোধের চেয়ে অনেক বড়,
ভালোবাসা পারে গলিয়ে দিতে কঠিন হৃদয়ঘর।
রাগকে জয় করে যে হাসিমুখে দেয় উত্তর,
তার চেয়ে বড় বিজয়ী আর কোথায়, বলো পর?
সততা যার পথের সাথী, ন্যায় যার অবলম্বন,
তার জীবন হয় সুবাসিত ফুলের মতো অনুক্ষণ।
চরিত্রবান মানুষেরা সমাজের দীপশিখা,
তাদের আলোর ছোঁয়ায় মুছে যায় অন্ধকার রেখা।
সময় নদীর স্রোতের মতো থামে না কোনো দিন,
একবার গেলে ফিরে আসে না হারানো ক্ষণবিন।
তাই যে মানুষ ভালো কাজে বিলম্ব করে না,
সুযোগ পেলে নেকির পথে পা বাড়াতে ভোলে না।
আজকের কাজ কালকে নয়, এখনই তার সময়,
অলসতার অন্ধকারে হারিয়ে ফেলো না জয়।
একটি ভালো কাজও যদি আজ করা যায়,
তা-ই হয়তো আখিরাতে মুক্তির কারণ হয়।
যৌবনের শক্তি, সুস্থতা, অবসর সময়খানি,
এসবই একেকটি নিয়ামত, একেকটি মহাদানই।
যে এগুলো কাজে লাগায় সৃষ্টির কল্যাণে,
তার নাম লেখা থাকে যুগের সম্মানপত্রখানে।
দুনিয়ার এ জীবন শুধু যাত্রাপথের ধারা,
চিরস্থায়ী আবাস নয় এ ক্ষণিক বসতভিটা সারা।
একদিন সবাই ফিরবে রবের দরবারে,
উন্মোচিত হবে কর্মফল ন্যায়বিচারের ভারে।
যারা সৎকাজে অগ্রগামী ছিল পৃথিবীর বুকে,
আল্লাহ তাদের রাখবেন রহমতেরই সুখে।
ক্ষমা, করুণা, জান্নাতের অবারিত সম্ভার,
অপেক্ষা করবে তাদের জন্য অনন্তকাল পার।
সেদিন ধন-সম্পদ কিছুই হবে না সহায়,
সৎকর্মই হবে একমাত্র আলো, একমাত্র পরিচয়।
তাই তো মুমিন ছুটে চলে কল্যাণেরই পানে,
রবের সন্তুষ্টি খোঁজে জীবনের প্রতিক্ষণে।
একজন মানুষ ভালো হলে বদলায় একটি ঘর,
একটি ঘর ভালো হলে বদলায় সমাজ-নগর।
সমাজ ভালো হলে গড়ে ওঠে মহান জাতি,
কল্যাণময় কর্মেই জ্বলে উন্নতির বাতি।
শিক্ষা, সেবা, ন্যায় ও প্রেম— এই চার স্তম্ভ ধরে,
সভ্যতা উঠে দাঁড়ায় দৃঢ়তারই ঘরে।
ঘৃণা নয়, বিভেদ নয়, নয় কোনো হানাহানি,
মানবতার বন্ধনে হোক পৃথিবীখানি।
ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ভিন্ন— মানুষ সবার আগে,
কল্যাণকর্মে মিলুক সবাই সৌহার্দ্যের অনুরাগে।
সত্য, ন্যায় আর মমতায় গড়ি নতুন ভুবন,
সৎকাজ হোক মানবজাতির শ্রেষ্ঠ পরিচয়চিহ্ন।
এসো তবে শপথ করি অন্তরেরই টানে,
সৎকাজে অগ্রগামী হব জীবনের প্রতিক্ষণে।
দান, দয়া, জ্ঞান ও সেবায় ভরাব ধরণী,
মানবতার বাগিচাতে ফুটাব প্রেমের রজনী।
যেখানে কাঁদে কোনো প্রাণ, ছুটে যাব সেখানে,
যেখানে অন্ধকার, আলো জ্বালব আপন প্রাণে।
যেখানে অন্যায় মাথা তোলে, সত্য হব ঢাল,
ন্যায়ের পথে অবিচল থাকব চিরকাল।
রবের বাণী হৃদয়ে রেখে এগিয়ে যাব সদা,
কল্যাণের প্রতিযোগিতায় হবে না কোনো বাধা।
সৎকর্মেই মহত্ত্ব জাগে, সৎকর্মেই জয়,
সৎকর্মেই ফুটে ওঠে জীবনের পরিচয়।
শেষ করি আশাভরা এক আলোকিত গান,
সৎকাজে অগ্রগামী হোক বিশ্বের প্রতিটি প্রাণ।
মানবকল্যাণ, ইবাদত আর সত্যের অভিযানে,
রবের সন্তুষ্টি লাভ হোক আমাদের জীবনে।
***
অগ্রগামীদের মহিমা
যারা আগে সাড়া দেয় রবের পবিত্র ডাকে,
যারা সত্য আঁকড়ে ধরে ঝড়-তুফানের ফাঁকে।
যারা দেখে দুঃখীর কান্না, ছুটে আসে ত্বরায়,
মানবতার ইতিহাসে তারাই স্মরণীয় হয়।
তাদের চোখে জ্বলে সদা দায়িত্বেরই দীপ,
তাদের বুকে জাগে না কভু অলসতার নীড়।
ভালো কাজে কালক্ষেপণ তাদের স্বভাবে নাই,
সুযোগ পেলেই নেকির পথে দ্রুত পা বাড়ায়।
তারা দেখে প্রতিটি ক্ষণ অমূল্য রবের দান,
তাই তো তারা গড়ে তোলে কর্মময় জীবন।
আজ নয়, কাল নয়, এখনই হবে কাজ,
এই মন্ত্রে জাগ্রত থাকে তাদের সকল সাজ।
ক্ষমা চাইতে আগে আসে, আগে করে দান,
আগে গিয়ে সালাম দেয়, বাড়ায় মৈত্রীর টান।
আগে গিয়ে বিপদগ্রস্ত মানুষেরে দেয় হাত,
তাদের জীবন আলোকময়, তাদের পথ প্রভাত।
যারা আগে সত্য বলে, যদিও কঠিন হয়,
তারাই যুগে যুগে মানবতার শ্রেষ্ঠ পরিচয়।
মিথ্যার সাথে আপস করে না সাহসী প্রাণ,
ন্যায়ের জন্য ত্যাগ করাও তাদের গৌরবগান।
আদম হতে শেষ নবী পর্যন্ত যতজন,
সৎকাজে অগ্রগামী ছিলেন সকল মহান।
নূহের ধৈর্য, ইবরাহিমের আত্মত্যাগের দীপ,
মূসার দৃঢ় নেতৃত্বে সত্যের বিজয়লিপি।
ঈসার প্রেম ও করুণার মহিমান্বিত ডাক,
অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিল অবিচল তাঁর হাক।
সবার শেষে এলেন যিনি রহমতেরই নূর,
মানবতার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, সত্যপথের সুর।
তিনি ছিলেন সবার আগে দুঃখীর পাশে গিয়ে,
এতিম, বিধবা, মিসকিনদের হৃদয় কাছে নিয়ে।
ক্ষমা, দয়া, বিনয়, প্রেমে পূর্ণ ছিল প্রাণ,
তাঁর জীবনেই ফুটে ওঠে কল্যাণের কুরআন।
তাঁর সাহাবিরাও ছিলেন নেকির অগ্রদূত,
মানবতার কল্যাণে ছিল তাদের প্রাণস্ফূর্ত।
তারা ছড়িয়েছে সত্যের আলো দেশ থেকে দেশান্তর,
তাদের ত্যাগে আলোকিত হয়েছে বিশ্বভুবন ঘর।
যেখানে মানুষ প্রতিযোগী হয় কল্যাণকর্মে,
সেই সমাজ সমৃদ্ধ হয় জ্ঞান ও ন্যায়ধর্মে।
সেখানে নেই দুর্নীতি আর স্বার্থপরতার জাল,
সেখানে জ্বলে সততার দীপ অবিচল অবিরল।
যেখানে সবাই ভাবতে শেখে অপরের কল্যাণ,
সেখানে গড়ে সুখের নগর, সুন্দর মানবপ্রাণ।
শিক্ষক শেখায় নিষ্ঠাভরে, চিকিৎসক দেয় সেবা,
কৃষক ফলায় সোনার ফসল, শ্রমিক গড়ে ভুবনভরা।
বিজ্ঞানী খোঁজে নতুন জ্ঞান মানবকল্যাণ তরে,
বিচারক ন্যায় প্রতিষ্ঠা করে সত্যেরই ঘরে।
নেতা যদি সেবক হয়, জাতি পায় সম্মান,
কল্যাণময় কর্মেই জাগে উন্নয়নের গান।
হে আমার মন, বলো তো আজ কী করিলে তুমি?
কতটুকু সুখ দিয়েছ অন্যের জীবনে ভূমি?
কতজনের অশ্রু মুছেছ, কতজনের ক্ষুধা?
কতবার সত্যের জন্য করেছ নিজের যুদ্ধ?
কতবার ক্ষমা করেছ হৃদয়ের সব ক্ষোভ?
কতবার বিনয় নিয়ে নত করেছ লোভ?
কতবার কুরআনের বাণী জীবনে করেছ স্থান?
কতবার মানবসেবায় জাগিয়েছ প্রাণের টান?
প্রতিদিনের এই হিসাব যদি করি আমরা,
শুদ্ধ হবে অন্তর আমাদের, জাগবে নতুন ভোর।
আত্মসমালোচনার আয়নায় দেখে নিজের রূপ,
মানুষ তখন সংশোধনের খুঁজে পায় পথসূত্র।
শেষ বিচারের সেই দিনে যখন উঠবে সবাই,
রাজা-প্রজা, ধনী-গরিব, কেউ রেহাই নাই।
খুলে যাবে কর্মপত্র জীবনেরই সব,
প্রকাশ পাবে কোন পথে ছিল মানুষের রব।
সেদিন যারা অগ্রগামী ছিল নেকির পথে,
তারা পাবে সম্মান মহা আল্লাহর রহমতে।
আনন্দে উজ্জ্বল হবে তাদের মুখখানি,
জান্নাত হবে তাদের চিরশান্তির বাণী।
ফেরেশতারা বলবে এসে— "শান্তি তোমাদের তরে,
সৎকর্মের ফল পেয়েছ আজ অনন্ত সুখঘরে।"
দুঃখ, ভয়, অশ্রু, কষ্ট থাকবে না আর কভু,
রহমতের ছায়ায় কাটবে অনন্তকালের প্রভুপ্রদত্ত রুহু।
তখন তারা স্মরণ করবে দুনিয়ার সেই দিন,
যখন ক্ষুদ্র নেকির জন্য করেছিল সাধন-চিন।
এক ফোঁটা দান, একটুখানি মমতা, একটি হাসি,
কী অপরিসীম প্রতিদান আজ এনে দিল ভাসি!
এসো তবে মানবজাতি, জাগো নব প্রভাতে,
কল্যাণের প্রতিযোগিতায় নামো একসাথে।
দান, জ্ঞান, প্রেম ও সেবায় গড়ি নতুন ভুবন,
ন্যায়, সততা, করুণায় হোক জীবনের গঠন।
হিংসা নয়, বিদ্বেষ নয়, নয় বিভেদের দেয়াল,
মানবতার বন্ধনে গড়ি শান্তির মহাকাল।
কুরআনের এই আহ্বান ছড়িয়ে যাক ধরণীজুড়ে,
সৎকাজের সুবাস ভাসুক নগরে ও দূরে।
যতদিন সূর্য উঠবে, যতদিন চাঁদ হাসে,
কল্যাণের এই মহাগান ধ্বনিত হোক আকাশে।
"ফাস্তাবিকুল খাইরাত"— হোক জীবনের বাণী,
সৎকাজে অগ্রগামী হোক বিশ্বের প্রাণী।
সৎকর্মেই শ্রেষ্ঠত্ব জাগে, সৎকর্মেই জয়,
রবের সন্তুষ্টি লাভই মুমিনের পরিচয়।
সৎকাজে অগ্রগামী
(فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرَاتِ — “সৎকাজে প্রতিযোগিতা করো”)
শুরু করি হৃদয়ছোঁয়া এক জাগরণের গান,
রবের বাণী জাগিয়ে তুলুক নিদ্রিত মানবপ্রাণ।
যুগে যুগে আসমান হতে নেমেছে যে আলো,
সেই আলোই শেখায় মানুষ— সৎকাজই সর্বভালো।
পৃথিবী ক্ষণিক বিশ্রামশালা, নয় চিরস্থায়ী ঘর,
আজ যে হাসে, কাল সে মিলায় সময়েরই পর।
ধন-সম্পদ, মান-মর্যাদা, ক্ষমতার অহংকার,
সবই একদিন থেমে যাবে মৃত্যুর দুয়ার পার।
রবে শুধু কর্মগাথা, রবে দানের স্মৃতি,
রবে মানবকল্যাণে গড়া মহৎ জীবনের গীতি।
তাই তো কুরআন ডেকে বলে মানবসমাজে আজ,
“সৎকাজে প্রতিযোগিতা করো”— এ-ই জীবনের সাজ।
এ প্রতিযোগিতা নয় কারো পতনের কারণ,
এ প্রতিযোগিতা নয় হিংসা-বিদ্বেষের আয়োজন।
এ প্রতিযোগিতা সত্যে, ন্যায়ে, প্রেমের অভিযানে,
এ প্রতিযোগিতা মানুষ গড়ার পবিত্র আহ্বানে।
কে আগে ক্ষুধার্ত মুখে তুলে দেয় আহার,
কে আগে মুছে দেয় অসহায়ের অশ্রুধার।
কে আগে ছুটে আসে শুনে বিপদেরই ডাক,
কে আগে ক্ষমা করে দেয় হৃদয়ের সকল ফাঁক।
যে দেখে অন্যের ভালো, তবু হিংসা করে না,
বরং অনুপ্রেরণা পেয়ে ভালো কাজে থামে না।
সেই তো সত্য প্রতিযোগী, সেই তো মহীয়ান,
তার জীবনেই ফুটে ওঠে ঈমানের সম্মান।
ফজরের স্নিগ্ধ আলো যখন আকাশ ভরে যায়,
মুমিন তখন সিজদাহ্ দিয়ে রবের নৈকট্য পায়।
নামাজ তার আত্মাকে দেয় প্রশান্তিরই ছোঁয়া,
রবের স্মরণে হৃদয় তখন আলোকধারায় ধোয়া।
রমজানের রোজা শেখায় ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ,
অভাবীর কষ্ট অনুভবে জাগে মানবতার রাগ।
জাকাত শেখায় সম্পদেরও রয়েছে অন্য হক,
দানেই মুছে সমাজজুড়ে বৈষম্যের শোক।
তাহাজ্জুদের নীরব রাতে অশ্রু ঝরে যার,
রহমতের দরিয়ায় ভাসে তারই অন্তরপার।
ইবাদত শুধু আনুষ্ঠানিক কিছু নিয়ম নয়,
ইবাদতেই চরিত্র গড়ে, ইবাদতেই জয়।
একটি রুটি ক্ষুধার্তেরে দিলে যদি কেউ,
সেই দান পৌঁছে যায় আরশেরও ঢেউ।
একটি কাপড় শীতার্তেরে দিলে মমতায়,
রবের রহমত নেমে আসে অশেষ মহিমায়।
দান মানে কেবল ধন নয়, দান মানে সময়,
দান মানে জ্ঞানের আলো, দান মানে পরিচয়।
একটি হাসি, একটি কথা, একটি সান্ত্বনা,
কখনো কখনো হয়ে ওঠে শ্রেষ্ঠ উপহারখানা।
গোপন দান যে করে যায় শুধু রবের তরে,
তার প্রতিদান জমা থাকে আখিরাতের ঘরে।
দানশীল হৃদয় পৃথিবীতে সুবাস ছড়িয়ে যায়,
মানবতার ইতিহাসে তার নাম লেখা রয়।
সৎকাজ মানে জ্ঞানার্জনে অবিরাম চলা,
অজ্ঞতার অন্ধকারে আলোর শিখা জ্বলা।
কলম যখন সত্য লেখে, খুলে দেয় দুয়ার,
সভ্যতা তখন এগিয়ে চলে শত আলোর পার।
একজন শিক্ষক গড়ে তোলেন শত মানুষের প্রাণ,
একটি সৎ শিক্ষা হয়ে ওঠে যুগের অবদান।
বইয়ের পাতায় লুকিয়ে থাকে ভবিষ্যতের ভোর,
জ্ঞানীর হাতে জেগে ওঠে উন্নয়নের ঘোর।
বিজ্ঞান, সাহিত্য, দর্শন কিংবা নৈতিকতার পাঠ,
সত্যের সাথে যুক্ত হলে খুলে যায় সব ঘাট।
জ্ঞান যখন মানবসেবায় নিবেদিত হয় প্রাণে,
তখন তা-ও সৎকর্ম হয়ে ওঠে রবের টানে।
মায়ের কোলে প্রথম শিখি পৃথিবীর পরিচয়,
বাবার ঘামে গড়ে ওঠে জীবনের ভিত্তিময়।
তাঁদের ত্যাগের পরিমাপ করা কারও সাধ্য নয়,
তাঁদের সন্তুষ্টির মাঝেই সন্তানের সত্য জয়।
বার্ধক্যে যখন কাঁপে হাত, ঝাপসা হয় দৃষ্টি,
সন্তানের সেবায় তখন ফুটে কৃতজ্ঞতার সৃষ্টি।
একটি মধুর বাক্যও হয়ে ওঠে দান,
পিতা-মাতার সেবাতেই লুকায় জান্নাতের সম্মান।
অসহায়ের পাশে গিয়ে যে বাড়িয়ে দেয় হাত,
সে-ই তো গড়ে আলোকময় মানবতার প্রভাত।
এতিমের মুখে হাসি ফোটায়, রোগীর পাশে রয়,
মানুষ হয়ে মানুষের তরে বেঁচে থাকাতেই জয়।
যেখানে কাঁদে কোনো প্রাণ, সেথায় ছুটে যাওয়া,
ভগ্ন হৃদয়ে আশার আলো নতুন করে জ্বালানো।
দুঃখের দিনে বন্ধুত্বের হাত যে বাড়ায় প্রাণে,
তার নাম লেখা থাকে মানুষের সম্মানে।
যারা নেকির পথে সদা থাকে অগ্রগামী,
তাদের জীবন সুবাস ছড়ায় ভোরের শিশির নামি।
তারা দেরি করে না কভু ভালো কাজের তরে,
সুযোগ পেলেই এগিয়ে আসে মানবকল্যাণ ঘিরে।
ক্ষমায় আগে, দানে আগে, আগে সত্যবাণী,
আগে গিয়ে মিলন ঘটায় ভাঙা হৃদয়খানি।
তাদের চোখে জ্বলে সদা দায়িত্বের দীপ,
তাদের কর্ম আলোকিত করে যুগের বিজয়লিপি।
নূহের ধৈর্য, ইবরাহিমের ত্যাগের মহিমা,
মূসার সাহস, ঈসার প্রেম, সত্যের মহাকাব্যসীমা।
সব নবীই শিখিয়েছেন কল্যাণেরই পথ,
মানবতার মুক্তির তরে করেছেন মহাশপথ।
শেষ নবী এলেন নিয়ে রহমতেরই আলো,
তাঁর জীবন মানবজাতির শ্রেষ্ঠ আদর্শ ভালো।
তিনি ছিলেন সবার আগে দুঃখীর পাশে গিয়ে,
সত্য, দয়া, বিনয়, প্রেমে বিশ্বকে দিলেন নিয়ে।
যেখানে মানুষ সৎকর্মে প্রতিযোগী হয়,
সেই সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত রয়।
সেখানে জ্ঞান ফুলের মতো সুবাস ছড়ায় ধীরে,
সেখানে শান্তি বাসা বাঁধে মানুষের অন্তরে।
নেতা যদি সেবক হয়, বিচারক হয় ন্যায়,
শিক্ষক যদি আদর্শ হন, জাতির উন্নতি তায়।
কৃষক, শ্রমিক, চিকিৎসক, গবেষক, কারিগর,
সৎকর্ম দিয়ে গড়ে তোলে সভ্যতারই ঘর।
হে আমার মন! বলো তো আজ কী করিলে তুমি?
কতজনের উপকারে ফুটিয়েছ সুখভূমি?
কতবার সত্য বলেছ, কতবার করেছ দান?
কতবার মুছিয়েছ কারো বেদনার অশ্রুপ্রাণ?
প্রতিদিনের এই হিসাব নাও নিজ অন্তরে,
জীবনটাকে শুদ্ধ করো রবের স্মরণঘরে।
যে নিজেকে বিচার করে সত্যের আলোয় দাঁড়ায়,
সে-ই ধীরে ধীরে মহত্ত্বের শিখরে পৌঁছায়।
একদিন আসবে সেই দিন, থামবে জীবনের গান,
খুলে যাবে কর্মের খাতা, হবে সকল বিচারদান।
ধন থাকবে না, ক্ষমতা নয়, নয় কোনো পরিচয়,
সৎকর্মই হবে সেদিন মানুষের সত্য জয়।
যারা ছিল কল্যাণপথে অগ্রগামী সদা,
তাদের জন্য অপেক্ষমাণ রহমতেরই ধারা।
শান্তির বাণী শুনবে তারা জান্নাতের দুয়ারে,
অনন্ত সুখের আলোকধারা ঝরবে তাদের তরে।
এসো তবে মানবজাতি, জাগো নব প্রভাতে,
কল্যাণের প্রতিযোগিতায় নামো একসাথে।
দান, জ্ঞান, প্রেম ও সেবায় গড়ি নতুন ভুবন,
ন্যায়, সততা, করুণায় হোক জীবনের গঠন।
হিংসা নয়, বিভেদ নয়, নয় কোনো অহংকার,
মানবতার বন্ধনে হোক শান্তির সংসার।
কুরআনের এই মহাবাণী ছড়িয়ে যাক ধরণী,
সৎকর্মের সুবাসে ভরে উঠুক ভুবনখানি।
যতদিন সূর্য উদয় হবে, চাঁদ দেবে আলো,
ততদিন ধ্বনিত হোক এই মহাসত্য ভালো—
“ফাস্তাবিকুল খাইরাত”— কল্যাণে হও অগ্রগামী,
সৎকর্মেই শ্রেষ্ঠত্ব জাগে, সৎকর্মেই জীবন দামি।
রবের সন্তুষ্টি লাভই মুমিনের শ্রেষ্ঠ জয়,
সৎকাজে প্রতিযোগিতাই মানবতার পরিচয়।
৫৩
৯২ মন্তব্য