Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৫ জুন, ২০২৬ ০৭:৫৮ অপরাহ্ণ

ফুটবলের জাদুকর নেইমার।
নেইমার দ্য সিলভা সান্তোস জুনিয়র (Neymar Jr.) ১৯৯২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ব্রাজিলের মোজি দাস ক্রুজেস-এ জন্মগ্রহণ করেন। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা এই ফুটবল জাদুকর তার অসাধারণ ড্রিবলিং, গতি এবং গোল করার দক্ষতার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তিনি ১২৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৭৯ গোল করে ব্রাজিলের পুরুষ ফুটবলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
প্রারম্ভিক জীবন
নেইমারের বাবা নেইমার সান্তোস সিনিয়র একজন প্রাক্তন ফুটবলার ছিলেন, যিনি তার ছেলেমেয়েদের অনুপ্রেরণা ও পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করেছেন। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবেশে বেড়ে ওঠা নেইমার শৈশবে রাস্তায় ও ফুটসাল খেলে নিজের ফুটবল প্রতিভার বিকাশ ঘটান। মাত্র ১১ বছর বয়সে তিনি সান্তোস ফুটবল ক্লাবের ইয়ুথ একাডেমিতে যোগ দেন। 
ক্লাব ক্যারিয়ার
  • সান্তোস (২০০৯-২০১৩): সান্তোসের হয়ে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে খুব দ্রুত ভক্তদের মন জয় করেন এবং ২০১১ সালে 'সাউথ আমেরিকান প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার' নির্বাচিত হন 
বার্সেলোনা (২০১৩-২০১৭): ২০১৩ সালে তিনি স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনায় যোগ দেন। লিওনেল মেসি এবং লুইস সুয়ারেজের সাথে মিলে বিখ্যাত 'এমএসএন' (MSN) ত্রয়ী গঠন করেন এবং ট্রেবলসহ অসংখ্য শিরোপা জেতেন।প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) (২০১৭-২০২৩): ২০১৭ সালে ২২২ মিলিয়ন ইউরোর রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে তিনি পিএসজিতে পাড়ি জমান। পিএসজিতে থাকাকালীন তিনি একাধিক লিগ শিরোপা জেতেন এবং দলকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে তুলতে সাহায্য করেন। আল হিলাল (২০২৩-বর্তমান): ২০২৩ সালে তিনি সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল হিলালে যোগ দেন। 
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার
২০০৯ সালে ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৭ দলে অভিষেকের পর খুব দ্রুত জাতীয় দলে জায়গা করে নেন। তিনি ব্রাজিলের হয়ে ২০১৩ সালের ফিফা কনফেডারেশনস কাপ এবং ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে স্বর্ণপদক জয় করেন। ১২৮ ম্যাচে ৭৯ গোল করার মাধ্যমে তিনি স্বদেশী কিংবদন্তি পেলের রেকর্ড ভেঙে ব্রাজিলের পুরুষ ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসেন। 
ব্যক্তিগত জীবন
ব্যক্তিগত জীবনে নেইমার নানা কারণে আলোচনায় এসেছেন। ১৯ বছর বয়সে তিনি পুত্রসন্তান (ডেভিড লুকা)-এর বাবা হন। মাঠের বাইরে তার বিলাসবহুল জীবন, যার মধ্যে ব্যক্তিগত জেট এবং ইয়ট অন্তর্ভুক্ত, সবসময়ই গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়। 


মন্তব্য করুন