Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৬ জুন, ২০২৬ ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ

সর্বসৃষ্টির তাসবীহ (সূরাঃ আল-জুমু'আ আয়াতঃ ০১ - আলোকে) -- মোঃ মুজিবুর রহমান

সর্বসৃষ্টির তাসবীহ

(সূরাঃ আল-জুমু' আয়াতঃ ০১ - আলোকে)

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

শুরু করি শ্রদ্ধাভরে মহিমাময় এক গান,
যে গানে জাগে বিশ্বজুড়ে তাওহীদের আহ্বান।
আসমানের নীল বিস্তারে, ধরার বুকে প্রাণ,
সবাই মিলে গেয়ে চলে রবের জয়গান।

সকল প্রশংসা তাঁরই, সকল মহিমা তাঁর,
তিনি ছাড়া সত্যিকার উপাস্য নেই আর।
সৃষ্টিজগতের প্রতিটি কণা, প্রতিটি প্রাণ,
নীরব ভাষায় গেয়ে চলে পবিত্রতার গান।

সূর্যের সোনালি কিরণ যখন ছড়িয়ে পড়ে,
তখন যেন তাসবীহ ধ্বনি জাগে বিশ্বজুড়ে।
চন্দ্র যখন নরম আলো ঢালে রাত্রির কোলে,
সে- যেন রবের গুণগান গেয়ে চলে।

তারকারা অসংখ্য দীপ আকাশ ভরা রাত,
তাদের মাঝেও লুকিয়ে আছে তাসবীহের প্রভাত।
নক্ষত্রপুঞ্জ ঘুরে চলে নির্ধারিত পথ ধরে,
রবের আদেশ মান্য করে যুগের পরে যুগ ধরে।

মেঘেরা যখন ভেসে যায় আকাশেরই বুকে,
বজ্রধ্বনি উচ্চারিত হয় মহিমারই সুখে।
বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে করুণারই ধারা,
প্রতিটি ফোঁটা বলে যেনপ্রভুই আমাদের ভরসা।

পর্বতগুলো দাঁড়িয়ে থাকে দৃঢ় অবিচল,
তাদের নীরবতা ভরা তাসবীহ অমল।
উঁচু শিখর আকাশ ছুঁয়ে সাক্ষ্য দিয়ে যায়,
মহান রবের কুদরতে বিশ্ব টিকে রয়।

নদী বহে কলকলিয়ে, সাগর গর্জে দূর,
প্রতিটি ঢেউ গেয়ে চলে পবিত্রতার সুর।
অতল জলের প্রাণীকুল, মাছের অগণন দল,
রবের আদেশে বেঁচে থাকে, নয় কোনো বিফল।

সবুজ ঘাসের ক্ষুদ্র ডগা, বনানীর বৃক্ষরাজি,
তাদের জীবনও বলে যায় স্রষ্টার মহাকাজই।
ফুলের হাসি, ফলের রস, সুবাসিত বাতাস,
সবকিছুতেই জ্বলজ্বল করে রবেরই আভাস।

পাখিরা ডানা মেলে যখন উড়ে নীল গগনে,
তাদের কূজন তাসবীহ হয়ে বাজে অনুক্ষণে।
ভোরের বেলায় বুলবুলি আর দোয়েলেরই গান,
রবের গুণকীর্তন ছাড়া কিছুই নয় জান।

মানব তুমি শুনতে পাও কি সেই নীরব সুর?
যা প্রতিধ্বনি তোলে সদা জগৎময় ভরপুর।
প্রতিটি কণা ডাকছে তোমায় সত্যপথের তরে,
ফিরে এসো মহান রবের অশেষ করুণাঘরে।

তিনি বাদশাহ সকল কিছুর, সকল রাজাধিরাজ,
তাঁরই হাতে সৃষ্টিজগত, তাঁরই সকল কাজ।
ক্ষমতার সব উৎ তিনি, শক্তির মহাসাগর,
তাঁর ইচ্ছাতেই ঘোরে সদা বিশ্বচক্র নিরন্তর।

সিংহাসনের অধিপতি তিনি, তিনি সর্বময়,
তাঁরই হুকুম ছাড়া কোথাও কিছু ঘটে না কভু।
রাজ্যসমূহ তাঁরই মালিকানার ক্ষুদ্র প্রকাশ মাত্র,
তাঁর তুলনায় ক্ষুদ্রতম সব শক্তিরই পাত্র।

তিনি মহাপবিত্র, সকল দোষের ঊর্ধ্বে,
মানবমনের কল্পনাতীত মহিমারই স্তরে।
কোনো দুর্বলতা নেই তাঁর, নেই কোনো অভাব,
তিনি পূর্ণ, চিরসমৃদ্ধ, অফুরন্ত সওয়াব।

তিনি নন কারো মুখাপেক্ষী, সবাই তাঁর মুখাপেক্ষী,
তিনি দাতা, তিনি পালনকর্তা, তিনি অশেষ রক্ষী।
তাঁর পবিত্র সত্তার তুলনা কোথাও নেই,
তাঁর মহিমার পরিমাপ করতে পারে কে কই?

তিনি মহাপরাক্রমশালী, শক্তির অফুরান ভাণ্ডার,
তাঁর সম্মুখে নত হয় সব ক্ষমতাবান অহংকার।
ফিরআউনের প্রাসাদ গেছে, নমরূদের গর্ব ক্ষয়,
কালের স্রোতে হারিয়ে গেছে যারা ছিল ভয়ংকরময়।

কিন্তু রবের রাজত্ব চির, কখনো যার ক্ষয় নাই,
তিনি আছেন, থাকবেন সদা, তাঁর সমকক্ষ কেউ নাই।
যুগে যুগে মানুষ আসে, যুগে যুগে মানুষ যায়,
তাঁরই ক্ষমতার নিদর্শন হয়ে পৃথিবীতে রয়।

তিনি প্রজ্ঞাময়, তাঁর জ্ঞানে সীমারেখা নেই,
প্রতিটি সৃষ্টির অন্তরালে জ্ঞানের আলো বই।
পাতা ঝরার শব্দটুকু তাঁর অজানা নয়,
অন্ধকারের গভীর রাতেও তাঁর দৃষ্টি রয়।

তিনি জানেন হৃদয়ের কথা, জানেন মনের ভাষা,
জানেন কার অন্তরে আছে সত্যের পিপাসা।
তিনি জানেন ভবিষ্যতের অনাগত সকল ক্ষণ,
তাঁর জ্ঞানের সামনে লুকায় না কোনো গোপন।

মানুষ যখন জ্ঞানের গর্বে মাথা করে উঁচু,
মহাকাশের বিস্ময় দেখে তবু হয়ে যায় পিছু।
যতই বাড়ে আবিষ্কার আর গবেষণার ডালি,
ততই স্পষ্ট হয় স্রষ্টার মহাশক্তির জ্যোতি খানি।

হে মানবজাতি, শোনো তবে বিশ্বসভার ডাক,
তোমার জীবন অর্থ পাবে রবের পথে থাক।
যে রবকে তাসবীহ করে আসমান জমিন,
তাঁরই পথে চললে হবে জীবন সুখে রঙিন।

যে রবকে স্মরণ করে নদী, পাহাড়, বন,
তাঁর স্মরণে জেগে উঠুক মানুষেরই মন।
যে রবকে মান্য করে সূর্য, চন্দ্র, তারা,
তাঁর বিধানেই সফল হবে জীবনধারার ধারা।

এসো তবে হৃদয় খুলে করি তাঁরই স্মরণ,
তাঁরই নামে শুরু হোক প্রতিটি আয়োজন।
তাঁরই তাসবীহ উচ্চারিত হোক প্রাণে প্রাণে,
তাঁরই মহিমা ছড়িয়ে যাক বিশ্বভুবনখানে।

আসমানে যা কিছু আছে, জমিনে যা রয়,
সবাই বলে—“মহান রবের মহিমার ক্ষয় নয়।
সকল সৃষ্টি একসুরে আজ ঘোষণা করে তাই
মহাপবিত্র আল্লাহ ছাড়া সত্য উপাস্য নাই।

তাঁরই রাজত্ব, তাঁরই শক্তি, তাঁরই প্রজ্ঞার জয়,
তাঁরই করুণা ঘিরে রাখে বিশ্বময় পরিচয়।
সর্বসৃষ্টির তাসবীহধ্বনি যুগে যুগে জানায়
মহান আল্লাহ চিরমহান, তাঁর সমতুল্য কেউ নাই।

***

সর্বসৃষ্টির তাসবীহ

শ্রদ্ধাভরে রচিত হোক মহিমাময় এক মহাগাথা,
যে গাথায় জাগে বিশ্বজুড়ে তাওহীদের আহ্বান-বারতা।
আসমানের সুদূর বিস্তারে, ধরার বুকে প্রাণ,
সকল সৃষ্টি ঘোষণা করে রবের মহিমান।

আকাশমণ্ডল, পৃথিবী আর সাগরের গভীরতা,
সবখানে ধ্বনিত হয় তাঁরই পবিত্রতা।
নক্ষত্রলোক, গ্রহ-উপগ্রহ, দিনের উজ্জ্বল আলো,
সবাই সাক্ষ্য দেয়তাঁরই কুদরতে বিশ্ব ভালো।

সকল প্রশংসা তাঁরই, সকল মহিমা তাঁর,
তিনি ছাড়া সত্য উপাস্য আর কেউ নেই আর।
সৃষ্টিজগতের প্রতিটি কণা, প্রতিটি জীবপ্রাণ,
নীরব ভাষায় উচ্চারণ করে পবিত্রতার বাণ।

আসমানে যা কিছু আছে, জমিনে যা কিছু রয়,
সবাই তাঁরই মহিমা গেয়ে নয়, ঘোষণা করে জয়।
নীরবতারও গভীর ভাষা আছে অন্তরালে,
তাসবীহ হয়ে তা প্রতিধ্বনিত হয় বিশ্বলোকের কূলে।

সূর্যের স্বর্ণালি কিরণ যখন ছড়িয়ে পড়ে ধরা,
তাসবীহের অমৃতধ্বনিতে মুখর হয় বসুন্ধরা।
চন্দ্র যখন স্নিগ্ধ আলো ঢালে নিশির কোলে,
সেও যেন রবের মহিমা ঘোষণা করে চলে।

তারকারা অসংখ্য দীপ আকাশজুড়ে জ্বলে,
তাদের গতির শৃঙ্খলাও রবের বিধান বলে।
নক্ষত্রপুঞ্জ আবর্তিত হয় নির্ধারিত পথ ধরে,
প্রভুর হুকুম মেনে চলে যুগের পরে যুগ ধরে।

প্রভাত আসে পূর্ব আকাশে আলোর রথে চড়ে,
সন্ধ্যা নামে স্নিগ্ধ ছায়া মেখে ধরণীরই তীরে।
দিন রাতের আবর্তনও ঘোষণা করে তাই
মহান স্রষ্টার বিধান ছাড়া কিছুই ঘটতে নাই।

মেঘমালা ভেসে চলে সুবিশাল গগনপানে,
বজ্রধ্বনি প্রশস্তি তোলে মহিমাময় তানে।
বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে অনুগ্রহের ধারা,
প্রতিটি ফোঁটা জানায়প্রভুই সকলের ভরসা।

পর্বতমালা দাঁড়িয়ে থাকে অটল মহীয়ান,
নীরবতায় বহন করে তাসবীহেরই জ্ঞান।
উঁচু শিখর আকাশ ছুঁয়ে সাক্ষ্য দিয়ে কয়,
মহান রবের কুদরতে বিশ্ব টিকে রয়।

নদী বহে কলকলিয়ে, সাগর গর্জে দূর,
প্রতিটি ঢেউ প্রকাশ করে পবিত্রতার সুর।
অতল জলের প্রাণীকুল, বিচিত্র জীবগণ,
সবাই পালন করে প্রভুর নির্ধারিত বিধান।

বনানীর বৃক্ষরাজি, সবুজ ঘাসের সারি,
ফুলের সুবাস ছড়িয়ে দেয় তাঁরই অনুকম্পা ভারী।
ফলের রসে, বীজের প্রাণে, শস্যভরা ক্ষেতে,
রবের দানের নিদর্শন জাগে নিত্য প্রতিক্ষেতে।

পাখিরা ডানা মেলে উড়ে নীলিমার ঠিকানায়,
তাদের কূজনও যেন তাসবীহের বাণী শোনায়।
ভোরের আলো, সন্ধ্যার আভা, শিশিরভেজা বন,
সবকিছুতে প্রতিফলিত মহান রবের মনন।

মৌমাছি ফুলে ফুলে যায় অমৃত আহরণে,
ক্ষুদ্র প্রাণও নিয়োজিত প্রভুর নির্দেশ মাননে।
পিঁপড়ার ক্ষুদ্র পদচারণ, হরিণের দ্রুত গতি,
সবখানেই প্রতিফলিত স্রষ্টার অপার মতি।

হে মানব, তুমি কি শুনো সেই নিঃশব্দ আহ্বান?
যা প্রতিধ্বনিত হয় বিশ্বজুড়ে অবিরাম।
প্রতিটি কণা ডাকছে তোমায় সত্যপথের তরে,
ফিরে এসো মহান রবের অফুরন্ত করুণাঘরে।

তিনি বাদশাহ, সকল রাজ্যের চূড়ান্ত অধিপতি,
তাঁরই হাতে নিয়ন্ত্রিত সৃষ্টি নিয়তি।
রাজা আসে, রাজা যায়, সিংহাসন হয় ক্ষয়,
তাঁরই রাজত্ব অনন্তকাল অটুট হয়ে রয়।

তিনি মহাপবিত্র, সকল ত্রুটির ঊর্ধ্বে,
সকল অপূর্ণতা হতে অসীম দূরত্বে।
মানবমনের কল্পনারও বহুদূরে তাঁর স্থান,
চিরমহিমান্বিত তিনি, চিরউজ্জ্বল তাঁর শান।

তিনি মুখাপেক্ষী নন কারো, সবাই তাঁর মুখাপেক্ষী,
তিনি দাতা, তিনি পালনকর্তা, তিনি মহান রক্ষী।
তাঁর অনুগ্রহে বেঁচে থাকে সৃষ্টির অগণন দল,
তাঁর করুণায় প্রস্ফুটিত হয় জীবনেরই ফল।

তিনি মহাপরাক্রমশালী, শক্তির মহাসমুদ্র,
তাঁর সামনে ক্ষুদ্র হয়ে যায় পৃথিবীর সব মুকুট।
ফিরআউনের গর্ব ভেঙেছে, নমরূদের অহংকার,
কালের বুকে হারিয়ে গেছে ক্ষমতার সব বিস্তার।

কিন্তু রবের রাজত্বে নেই অবসানের ক্ষণ,
চিরকাল বিদ্যমান তাঁর ক্ষমতার শাসন।
যুগে যুগে মানুষ আসে, যুগে যুগে মানুষ যায়,
তাঁরই কুদরতের নিদর্শন হয়ে স্মৃতি রেখে যায়।

তিনি প্রজ্ঞাময়, তাঁর জ্ঞানের নেই কোনো সীমা,
তাঁরই জ্ঞানে স্থির রয়েছে বিশ্বজগতের ভূমা।
পাতা ঝরার ক্ষুদ্র শব্দ, শিশিরবিন্দুর নৃত্য,
সবই তাঁর জ্ঞানের মাঝে, সবই তাঁর দৃষ্টি।

তিনি জানেন হৃদয়ের গোপন আকুলতা,
জানেন মানুষের আশা, ভয় আর ব্যাকুলতা।
অদেখা ভবিষ্যতের যত অনাগত আয়োজন,
সবই তাঁর জ্ঞানের মাঝে উন্মুক্ত প্রতিক্ষণ।

মানুষ যখন জ্ঞানের গর্বে আকাশ ছুঁতে চায়,
মহাবিশ্বের বিস্ময় দেখে নতশির হয়ে যায়।
যতই বাড়ে গবেষণা, যতই বাড়ে জ্ঞান,
ততই স্পষ্ট হয়ে ওঠে স্রষ্টার মহাপ্রমাণ।

সভ্যতার ইতিহাস জুড়ে যত উন্নতির ধারা,
সত্যের দিকে ইঙ্গিত করে প্রতিটি আবিষ্কারা।
বিজ্ঞান যখন উন্মোচন করে নতুন কোনো দ্বার,
প্রজ্ঞাময় রবের কুদরত হয় আরও সুস্পষ্ট আর।

হে মানবজাতি, শোনো তবে বিশ্বসভার ডাক,
জীবনের প্রকৃত সার্থকতা রবের পথে থাক।
যে রবকে তাসবীহ করে আসমান জমিন,
তাঁরই স্মরণে উজ্জ্বল হোক মানবজীবন দিন।

যে রবকে মান্য করে সূর্য, চন্দ্র, তারা,
তাঁর বিধানে নিরাপদ হয় জীবনধারার ধারা।
যে রবকে স্মরণ করে নদী, পাহাড়, বন,
তাঁর স্মরণে আলোকিত হোক মানুষের মন।

অহংকারের অন্ধকারে হারিয়ে যেও না আর,
সত্যের পথে ফিরে এসো, খোলো হৃদয়দ্বার।
যে হৃদয়ে রবের স্মরণ জাগে অনুক্ষণ,
সে হৃদয়েই ফুটে ওঠে শান্তির কুসুমবন।

তাঁরই নামে শুরু হোক প্রতিটি মহৎ কাজ,
তাঁরই ভয়ে সংযত হোক অন্যায়ের সমাজ।
তাঁরই প্রেমে উদ্ভাসিত হোক মানবতার প্রাণ,
তাঁরই আলোয় বিকশিত হোক জ্ঞানের মহাবৃক্ষদান।

আসমানে যা কিছু আছে, জমিনে যা রয়,
সবাই জানায়রবের মহিমার নেই কোনো ক্ষয়।
সকল সৃষ্টি একসুরে আজ ঘোষণা করে তাই
মহাপবিত্র আল্লাহ ছাড়া সত্য উপাস্য নাই।

তাঁরই রাজত্ব, তাঁরই শক্তি, তাঁরই প্রজ্ঞার বিজয়,
তাঁরই করুণা ঘিরে রাখে বিশ্বময় পরিচয়।
সর্বসৃষ্টির তাসবীহধ্বনি যুগে যুগে জানায়
মহান আল্লাহ চিরমহান, তাঁর সমতুল্য কেউ নাই।

চিরদিন ধ্বনিত হোক সেই মহাসত্যের বাণী,
তাওহীদের আলোকধারা ভরুক ধরণিখানি।
আসমান জমিন মিলে যে সাক্ষ্য বহন করে,
মহাপবিত্র সেই রবই সর্বময় বিশ্বজুড়ে।Top of FormBottom of Form

মন্তব্য করুন

ব্লগ