হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ,যা মূলত শিশুদের বেশি আক্রান্ত করে。 এটি বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়。 লক্ষণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে রোগীকে আলাদা (আইসোলেশন) করে রাখতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে
হামের প্রধান লক্ষণ:
- প্রাথমিক লক্ষণ: তীব্র জ্বর (১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে), সর্দি-কাশি, এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়া。
- মুখের ভেতরের দাগ: গালের ভেতরের অংশে ছোট সাদা দাগ (কপলিকস স্পট) দেখা দেওয়া。
- ফুসকুড়ি বা র্যাশ: জ্বর আসার ৩-৪ দিনের মাথায় সাধারণত কান ও মুখের পেছন থেকে লালচে ফুসকুড়ি শুরু হয় এবং পরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে
- টিকাদান: হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সঠিক সময়ে শিশুদের এমএমআর (MMR) টিকা দেওয়া。
- বিচ্ছিন্নতা: যেহেতু এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে, তাই আক্রান্ত শিশুকে অন্য বাচ্চাদের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতে হবে。
- পুষ্টি ও তরল: রোগীকে প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার ও পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে。
- জটিলতা: হামের কারণে নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কে প্রদাহ বা তীব্র পানিশূন্যতা হতে পারে。 তাই লক্ষণ গুরুতর হলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে
৫
৫ মন্তব্য