Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৮ জুন, ২০২৬ ০১:৪৪ অপরাহ্ণ

এই বিশ্বকাপে আমার ভালোলাগা ফুটবলাররা

এই বিশ্বকাপে আমার ভালো লাগা ফুটবলাররা


এ পর্যন্ত এই বিশ্বকাপে অসংখ্য দেশের অসংখ্য খেলোয়াড়ের খেলা দেখেছি। প্রায় সব ম্যাচই দেখার চেষ্টা করেছি । রাত জেগে একমাত্র কারণ ফুটবলের প্রতি আমার ভালোবাসা ঘুমের চেয়েও বেশি।

আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে মাইকেল অলিস। ফ্রান্সের এই তরুণ তারকার খেলায় আমি যেন জিনেদিন জিদান-এর ছায়া দেখতে পাই। বর্তমান ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে গোল্ডেন বলের অন্যতম দাবিদার হতে পারে সে।

দ্বিতীয় স্থানে রাখব পেদ্রিকে। স্পেন হয়তো প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি, কিন্তু পেদ্রির খেলায় কোনো ঘাটতি নেই। মাঠে তার পাস, বল নিয়ন্ত্রণ এবং খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা সত্যিই অসাধারণ। পেদ্রির তুলনা শুধুই পেদ্রি।

তৃতীয় স্থানে আছেন জুড বেলিংহ্যাম। ইংল্যান্ডের এই নতুন নায়ক দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন। গোল করেছেন, সুযোগ তৈরি করেছেন এবং পুরো ম্যাচজুড়ে নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। তার আত্মবিশ্বাস ও পরিপক্বতা মুগ্ধ করার মতো।

চতুর্থ স্থানে আছেন লিওনেল মেসি। প্রতিপক্ষের শক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে, কিন্তু মেসি তো মেসিই। গোল, অ্যাসিস্ট, নেতৃত্ব—সব মিলিয়ে তিনি এখনও বিশেষ কিছু।

এরপর বলব ভিনিসিয়ুস জুনিয়র-এর কথা। তার গতি, ড্রিবলিং এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল আমাকে মুগ্ধ করেছে। পাওয়া গোলটিও ছিল দারুণ মানের।

সবশেষে থাকবেন লামিন ইয়ামাল। অনেকেই বলবেন তিনি এখনও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। কিন্তু আমার মনে হয়, তাকে পর্যাপ্ত সুযোগই দেওয়া হয়নি। যতটুকু দেখেছি, তার মধ্যে আছে অসাধারণ ক্ষিপ্রতা, স্কিল, ড্রিবলিং এবং সৃজনশীলতা। সুযোগ পেলে তিনি এই বিশ্বকাপের অন্যতম বড় তারকায় পরিণত হতে পারেন।

ফুটবলের সৌন্দর্যই হলো, প্রতিটি বিশ্বকাপে নতুন নতুন নায়ক জন্ম নেয়। তবে এ পর্যন্ত আমার চোখে সবচেয়ে বেশি আলো ছড়িয়েছেন মাইকেল অলিস, পেদ্রি, বেলিংহ্যাম, মেসি, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং লামিন ইয়ামাল।

মন্তব্য করুন

ব্লগ