Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ জুন, ২০২৬ ০৯:০৯ অপরাহ্ণ

পরীক্ষায় ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন করলে ৫ বছর জেল


এতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে দেশের পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ তৈরি এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) অ্যাক্ট, 

পরীক্ষায় ডিজিটাল পদ্ধতি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের নকল ঠেকাতে পাবলিক পরীক্ষা আইনে সংশোধন আনা হয়েছে। নতুন করে দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬- এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন বা মেধাতালিকায় হ্যাক করলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানার দিতে হবে দায়ী ব্যক্তিদের।

 বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মন্ত্রিপরিষদের দশম বৈঠকে এ আইনের খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে দেশের পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ তৈরি এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) অ্যাক্ট, ১৯৮০ -প্রণীত হয়। তবে, বর্তমানে প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধ সংঘটনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই আইনের বিভিন্ন ধারা সময়োপযোগী নয়। পাবলিক পরীক্ষাগুলো সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং ডিজিটাল পদ্ধতি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পরীক্ষা সংক্রান্ত অপরাধগুলো এবং এর দণ্ড আইনের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে বর্তমান আইনে সংশোধন করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬ -এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো।

পাবলিক পরীক্ষার ফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং বা অবৈধভাবে পরিবর্তন করাকে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ শিরোনামে নতুন অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন করলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। পাবলিক পরীক্ষায় সংগঠিতভাবে পরীক্ষা জালিয়াতি বা চক্র গঠন করলে কঠোর শাস্তি এবং জরিমানার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, মন্ত্রিসভা কর্তৃক দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬।’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ