Loading..

ব্লগ

রিসেট

২০ জুন, ২০২৬ ০৭:৫২ পূর্বাহ্ণ

মহররম মাসের ১০ তারিখ আশুরার ফজিলত পূর্ণ দিন
মহররম মাসের ১০ তারিখ বা পবিত্র 'আশুরার' দিনটি ইসলামে অত্যন্ত বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ। এদিনের প্রধান আমল হলো রোজা রাখা, যার বিনিময়ে আল্লাহ তায়ালা বিগত এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেন। এছাড়া নফল ইবাদত ও দান-সদকার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের বিশেষ সুযোগ রয়েছে। [1, 2, 3, 4, 5]
আশুরার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত ও করণীয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:
  • রোজার ফজিলত: আশুরার দিনে রোজা রাখার ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে, এর বিনিময়ে তিনি বান্দার পেছনের এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন"। ইহুদিদের বিরোধিতার জন্য ৯ ও ১০ তারিখ অথবা ১০ ও ১১ তারিখ—এভাবে মোট দুটি রোজা রাখা সুন্নত। [1, 2, 3, 4, 5]
  • ঐতিহাসিক তাৎপর্য: এই দিনে আল্লাহ তায়ালা হযরত মুসা (আ.) ও তাঁর অনুসারীদের ফেরাউনের কবল থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। এছাড়া হযরত নূহ (আ.)-এর নৌকা প্লাবন শেষে জুদী পর্বতে স্থির হওয়া এবং হযরত ইউনুস (আ.) মাছের পেট থেকে মুক্তি পাওয়ার মতো বহু ঐতিহাসিক ঘটনা এই দিনে ঘটেছে। [1, 2, 3]
পরিবারে প্রশস্ততা: আশুরার দিন নিজের পরিবার-পরিজনের জন্য স্বাভাবিকের চেয়ে ভালো খাবার বা অতিরিক্ত খরচ করার বিশেষ সওয়াব রয়েছে। হাদিসে এসেছে, কেউ এই দিনে তার পরিবারকে খাওয়া-দাওয়ায় আনন্দ দিলে আল্লাহ সারা বছর তার রিজিকে বরকত দান করেন। [1, 2]অন্যান্য নেক আমল: এ দিনে অধিক পরিমাণে নফল নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা, ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) এবং আত্মীয়-স্বজনের খোঁজখবর নেওয়া অত্যন্ত পুণ্যময় কাজ। [1, 2]
মন্তব্য করুন