Loading..

ব্লগ

রিসেট

২০ জুন, ২০২৬ ১২:১৭ অপরাহ্ণ

প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ শিশুদের প্রতিভা বিকাশে ভূমিকা রাখবে : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বিকাশের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত ফুটবলার তৈরিতে কার্যকর অবদান রাখবে।


আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ আয়োজনের উদ্যোগকে আমি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। এ উপলক্ষে অংশগ্রহণকারী সকল ক্ষুদে ফুটবলার, কোমলমতি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, আয়োজক, প্রশিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’


তিনি আরো বলেন, শিশুদের সঠিক শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশ একটি উন্নত, সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত। জাতি গঠনে খেলাধুলার গুরুত্ব বিবেচনায় রেখে সরকার ক্রীড়াকে পেশা এবং একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভা অন্বেষণে নেয়া হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি। প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের বৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি খেলাধুলার মানোন্নয়নে প্রতিটি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এ সকল উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আমাদের শিশুরা সুনাগরিক হয়ে বেড়ে ওঠার পাশাপাশি দেশে একটি সমৃদ্ধ ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে উঠবে বলে আমি মনে করি।


রাষ্ট্রপতি বলেন, ফুটবল বাংলাদেশের সকল অঞ্চলে প্রধান জনপ্রিয় খেলা। চলমান বিশ্বকাপের প্রভাবে এই জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। কিন্তু আমাদের খেলার মান ও অংশগ্রহণ এখনো কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছাতে পারেনি। ফুটবল খেলার সম্প্রসারণ, মানোন্নয়ন এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে প্রাথমিক স্তর থেকেই খেলাটির নিয়মিত চর্চা ও অনুশীলনের বিকল্প নেই। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট এ লক্ষ্য অর্জনে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ বলে আমি মনে করি। এ টুর্নামেন্ট থেকে উঠে আসা ক্ষুদে ফুটবলাররা ইতোমধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছেন।বাংলাদেশ সংবাদ

রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বিকাশের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত ফুটবলার তৈরিতে কার্যকর অবদান রাখবে।


আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ আয়োজনের উদ্যোগকে আমি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। এ উপলক্ষে অংশগ্রহণকারী সকল ক্ষুদে ফুটবলার, কোমলমতি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, আয়োজক, প্রশিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’


তিনি আরো বলেন, শিশুদের সঠিক শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশ একটি উন্নত, সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত। জাতি গঠনে খেলাধুলার গুরুত্ব বিবেচনায় রেখে সরকার ক্রীড়াকে পেশা এবং একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভা অন্বেষণে নেয়া হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি। প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের বৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি খেলাধুলার মানোন্নয়নে প্রতিটি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এ সকল উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আমাদের শিশুরা সুনাগরিক হয়ে বেড়ে ওঠার পাশাপাশি দেশে একটি সমৃদ্ধ ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে উঠবে বলে আমি মনে করি।


রাষ্ট্রপতি বলেন, ফুটবল বাংলাদেশের সকল অঞ্চলে প্রধান জনপ্রিয় খেলা। চলমান বিশ্বকাপের প্রভাবে এই জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। কিন্তু আমাদের খেলার মান ও অংশগ্রহণ এখনো কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছাতে পারেনি। ফুটবল খেলার সম্প্রসারণ, মানোন্নয়ন এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে প্রাথমিক স্তর থেকেই খেলাটির নিয়মিত চর্চা ও অনুশীলনের বিকল্প নেই। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট এ লক্ষ্য অর্জনে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ বলে আমি মনে করি। এ টুর্নামেন্ট থেকে উঠে আসা ক্ষুদে ফুটবলাররা ইতোমধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছেন।বাংলাদেশ সংবাদ

তিনি বলেন, আমি আশা করি, দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে ব্যাপক পরিসরে আয়োজিত এই ফুটবল টুর্নামেন্ট শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বিকাশের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত ফুটবলার তৈরিতে কার্যকর অবদান রাখবে।


রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শিশুদের ফুটবল প্রতিভা বিকাশে অন্যতম একটি ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে উঠুক; ক্ষুদে ফুটবলাররা দেশের ক্রীড়াজগতকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি বিশ্ব ফুটবলে বাংলাদেশের জন্য আরো সম্মান ও মর্যাদা বয়ে আনুক- এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। বাসস

মন্তব্য করুন